বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বোতল ভূত

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X গল্পের কাহিনী বলার আগে চল বইটার চরিত্রগুলো সম্পর্কে একটু জেনে নেই। হুমায়ূন নামের এক দুষ্ট ছেলেকে নিয়ে গল্প ‘বোতল ভূত’। হুমায়ূন তাদের ক্লাসের মোটেও ভালো ছাত্র নয়। ক্লাসের ৩২ জনের মধ্যে ওর রোল ৩২! তবে ওদের ক্লাসে যে ছেলেটা একদম কথা বলে না, তার নাম মুনির। কথা না বললে কী হবে ও কিন্তু খুব ভালো ছাত্র। গণ্ডারের ইংরেজি বলতে বললে মুনীর চট করে বলে দিতে পারবে, একেবারে শুদ্ধ বানানে। তবে মুনির ব্যাক বেঞ্চার। সবসময় জানালার বাইরে তার দৃষ্টি। স্যার কিছু জিজ্ঞেস করলেই খালি চোখ পিটপিট করে। বলতে গেলে কথাই বলে না সে। অঙ্ক স্যারের আছে নিজস্ব এক অভিনব আবিষ্কার! বিভিন্ন নাম্বারের বেত! এক নম্বর থেকে চার নম্বর বেত। চার নম্বুরি বেত চিকন বেত, এক নম্বুরি সবচেয়ে মোটা! প্রচণ্ড রাগী মানুষ। তবে ভালো মানুষও বটে। কেননা, কোনো ছাত্র অসুস্থ হলে তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে ছাত্রের বাসায় চলে যেতে ভুল করেন না মোটেই! আরও আছে বশির। যার জীবনের লক্ষ্য শুধুই মানুষকে বিপদে ফেলা। সহপাঠীদের দুর্গতিতে সে স্বর্গীয় আনন্দ লাভ করে! আরেকজন হচ্ছেন হুমায়ূনের অরু আপা। ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট; যাকে বলে কঠিন ধরণের বিজ্ঞানমনস্ক। কিছুদিন আগেও সে হুমায়ূনদের সঙ্গে বাড়ির ছোট সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু বর্তমানে মেট্রিক পাশ করে সে এখন বড়দের দলে। আছেন হুমায়ূনের বড় চাচাও। উনাকে নিয়ে শুধু এটুকুই বলি, খুব কড়া মেজাজের মানুষ। বাচ্চাকাচ্চাদের সবসময় ধমক আর বকা-ঝকার উপরে রাখেন। একজন আছে, বগা ভাই। অনেক বড় গুণ্ডা। আদুভাই খেতাব পেয়েছেন। মেট্রিক দেওয়ার কথা অথচ পড়েন মাত্র ক্লাস এইটে! তার কাজ হচ্ছে বিড়ি টানা, খারাপ খারাপ কথা বলা আর ছোট বাচ্চাদের ধরে শুধু শুধু পেটানো। কথায় কথায় ছোটদের কাদায় পুঁতে ফেলা তার হবি। আছেন মজিদ স্যার। মেজাজ আগুনের মতো। বাড়িতে ঢুকেই হুঙ্কার দিয়ে বলেন, হোমটাস্কের খাতাটা আর বেত বের কর! কত ধানে কত চাল আগে হিসাব নিয়ে নেই!!! কিন্তু এরা ছাড়াও রয়েছে আরও দুজন যারা এ বইয়ের কাহিনীতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। একজন হল রবি নানা। যিনি দেখতে অবিকল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো! শুধু তাই নয়, তার রচিত যাবতীয় বাসি ও টাটকা কবিতাগুলোও অবিকল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার মতো! আর আছে বোতল ভূত! একদিন মুনির হুমায়ুনকে নিজে থেকে সেধে জিজ্ঞেস করে “ভূত পুষবে নাকি”? হূমায়ুন তো কথা শুনে অবাক। মুনির বললো, ওকে নাকি একজন ভূতের বাচ্চা দেবে। এই ভূতের বাচ্চা আর হুমায়ুনকে নিয়েই বোতল ভূত-এর গল্প। মুনির রবি নানার কাছে ভূত আনতে গিয়েছে অথচ কোনো বোতল নিয়ে যায়নি। মহা মুসীবত!!! শেষমেষ রবি নানা নিজেই একটা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের শিশিতে ভুতটা তাকে দিয়ে দিলেন। হুমায়ূনের গরমের ছুটি একটু আগে আগে আর কয়েকদিন বেশি চাচ্ছে কিন্তু গরমের ছুটি পিছিয়ে কমানো হল আরো দু সপ্তাহ! বড় চাচার জ্বালায় হুমায়ূনের প্রাণ ওষ্ঠাগত! ওদের ফুটবল টিমকে এখন খেলতে হবে বগা ভাইয়ের মতো গুন্ডামার্কা টিমের বিপক্ষে! যেখানে আছে ল্যাংচুর মতো খেলোয়াড়, যার কাজই হচ্ছে ল্যাং মেরে অন্যান্য খেলোয়াড়দের ফেলে দিয়ে ঠ্যাং ভেঙে দেওয়া! অরু আপার মতো যৌক্তিকতা বিশ্বাসী মানুষ বলেছে হুমায়ূনদের টিম জিতলে সে নিজের সব চুল কেটে ফেলবে! আবার ওদিকে অরু আপার প্রবল অনিচ্ছা সত্ত্বেও ঠিক হয়ে গেল ওর বিয়ে! ওদিকে আবার বড় চাচা নির্দেশ দিয়েছেন মজিদ স্যারকে দুই বেলা করে আসতে! এরকম মহা বিড়ম্বনার মধ্যে বোতল ভূত কি আদৌ পারবে কোনো তেলেসমাতি দেখাতে? যদি দেখায়ও তবে তা কেমন হবে? লেখক এ প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়েছেন বোতল ভূত বইয়ে। সেটা জানতে হলে তোমাকে পড়তে হবে “বোতল ভুত” বইটি। কথা দিচ্ছি, এরপরে তুমি আর কোনো ভূতকে ভালো না বেসে থাকতেই পারবে না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বোতলের ভূত-01
→ বোতলের ভূত-02
→ বোতল ভূত

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now