বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Boner bandhobir preme.....___1

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X পর্বঃ০৩ শেষ . . :-দোস্ত আমিতো গেছি(নিধি) :-কেনো?কি হইছে? :-আরে বাবা আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলছে। :-কি বলিস?কার সাথে? :-কে আবার?নিলয়ের সাথে? :-ওহ..তাহলতো ভালোই হইছে :-ভালো না..তোর মাথা। :-কেন? :-আরে নিলয়ের মা অসুস্থ..কোনো কাজ করতে পারেনা।বিয়ের পর সংসারের সব কাজ আমাকেই করতে হবে.. :-হ্যা করবি..তো সমস্যা কোথায়? :-সমস্যা কোথায় মানে?আমিতো আর পড়াশুনা করতে পারবোনা। :-পড়শুনা করে কি করবি?বিয়ে করলেই তুই বিএ পাস হি হি :-চুপ কর হারামি..কিছু একটা বুদ্ধি দে বিয়েটা আটকানোর :-কিচ্ছু করার নাই..বিয়েটা করেই ফেল..তুমিও আমাকে বিপদের সময়।এই বুদ্ধিটাই দিয়েছিলে.. :-ধুর মরা.. :-বিয়ে করেই নাও শালিকা :-ধ্যাত.. :-আচ্ছা ফোনটা রাখ কে যেনো কল দিচ্ছে :-কে আবার?তোর বউ.. :-হতে পারে.. নিধির ফোনটা কাটতেই দেখি..স্কিনে নিশির নাম..ফোনটা রিসিভ করলে যে আমার উপর কি ঝড় যাবে তা আমি নিজেও জানিনা..তাও রিসিভ করলাম। :-হ্যালো.. :-রাখ তোর হ্যালো..আগে বল কার সাথে কথা বলছিলি?ফোন বিজি ছিলো কেনো? :-নিধি ফোন দিয়েছিলো.. :-তুই আবার আপুর সাথে কথা বলেছিস? :-আরে দরকারী কিছু নোর্টস নিচ্ছিলাম..আজকে ক্লাস করতে পারিনি সেজন্য(মিথ্যা কথা) :-ও আচ্ছা..তোমাকে যা বলার জন্য ফোন দিলাম সেইটা বলি.. :-হুম বলো.. :-কাল তুমি তোমার বাসা ছেড়ে দিয়ে আমাদের বাসাতে উঠবা :-কেনো? :-তুমি..সারাদিন এত কাজ করো..আমার একটুও ভালো লাগেনা..তাই এখন আমাদের সাথেই থাকবা.. :-কি বলো?আংকেল আন্টি কি মনে করবে? :-কিচ্ছু মনে করবেনা..বাবা নিজেই তোমাকে আমাদের বাসাতে থাকার কথা বলেছে..কালকেই সব জিনিসপত্র নিয়ে চলে আসবা। :-ঠিক আছে :-একটা সুসংবাদ আছে :-কি? :-আপুর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে.. :-জানি..কিন্তু এটা সুসংবাদ কেনো? :-আরে আপুর বিয়ে হয়ে গেলে..আমার আর তোমার মাঝে কেউ থাকবেনা। :-ওহ :-হুম..রাখছি :-আচ্ছা অতঃপর পরেরদিন বাসাটা ছেড়ে দিয়ে নিশিদের বাসার সামনে হাজির হলাম সব মালপত্র নিয়ে..এবার নিশির কাছে ফোন দিলাম.. :-নিশি আমি তোমাদের বাসার সামনে দাড়িয়ে আছি :-আচ্ছা আমি আসছি.. :-তাড়াতাড়ি আসো নিচে খুব রোদ.. :-হুম একটু বাদে নিশি নিচে নেমে আসলো.. :-বাবু খুব কষ্ট হয়েছে? :-না..আগে এগুলো ঘরে ঢুকানোর ব্যাবস্থা করো :-হুম তারপর কয়েকজন কাজের লোক আর আমি আসবাবপত্রগুলো..আমার জন্য বরাদ্দ রুমে লোড করলাম... তারপর আমি আর নিশি মিলে রুমটা সাজিয়ে নিলাম.. অনেকটা ক্লান্ত লাগছিলো..তাই একটু ঘুমিয়ে গেছিলাম..নিশির ডাকে ঘুমটা ভাঙল। :-এই মহাসিন উঠো :-হুমমম..কি? :-খেতে আসো..সবাই অপেক্ষা করছে.. :-এখন আবার কিসের খাওয়া.. :-ডিনার করবে চলো.. :-মানে?এখন রাত? :-হুম..১০টা বাজে এখন :-ওহ শিট..আগে ডাকোনি কেনো? :-তুমি অনেক কাজ করলে..তাই তোমার একটু রেষ্টের প্রয়োজন সেজন্য..এখন চলো। :-হুম চলো হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে..ডাইনিং টেবিলে গেলাম। সবাই একসাথে খাচ্ছি..হঠাৎ করেই আংকেল বলে উঠলেন.. :-মহাসিন তোমার কি কোনো অসুবিধা হচ্ছে? :-না আংকেল :-আচ্ছা..তোমাকে একটা কথা বলি।তুমি হয়ত জানো..নিধির বিয়ে ঠিক হয়েছে।তাই আমি চাচ্ছি নিধির বিয়ের দায়িত্বটা তুমিই নাও.. :-জ্বি আংকেল :-না বাবা ওকে কোনো দায়িত্ব দিতে হবেনা(নিশি) :-কেনো?সমস্যা কি? :-ও কাজ করার নাম করে মেয়েদের সাথে গল্প করা শুরু করবে..এটা আমি সহ্য করতে পারবোনা :-নারে মা..ও শুধু ডেকোরেশন,লাইটিং এসব কিছু কাজগুলোর দায়িত্ব নিবে..তাছাড়া বাদবাকি আমিই দেখবো। :-তাহলে ঠিক আছে :-হুম অতঃপর খাওয়া দাওয়া শেষ করে রুমে চলে আসলাম.. . এইভাবে ৩-৪ দিন কাটিয়ে দিলাম..আজকে আমি আর নিধি ভার্সিটি যাচ্ছি.. নিশি কলেজে গেছে তাই আমি আর নিধি একসাথে আসতে পেরেছি.. নিধি আগেই ক্লাসে চলে গিয়েছে..আমি একটু পর যাচ্ছি..হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠল। আননোন নাম্বার থেকে ফোন এসেছে..রিসিভ করতেই..বাবার কন্ঠসর শুনতে পেলাম.. আমাদের গ্রামে ফোন খুব কম..কারন বিদ্যুৎ নাই..আবার নেটওয়ার্ক টাওয়ার নাই সেজন্য গ্রামে খোজ নিতে পারিনা..গ্রাম থেকে ফোন দিলেই শুধু কথা হয়.. :-হ্যালো মহাসিন? :-হ্যা বাবা..কেমন আছো? :-আমি ভালো আছি..কিন্তু তোর মা একটু অসুস্থ.. :-কি বলছো?কি হয়েছে মায়ের? :-এই একটু জ্বর হয়েছে..তুই চিন্তা করিসনা।তুই কেমন আছিস? :-ভালো আছি..আচ্ছা আমি আজই আসছি গ্রামে :-না তোকে আসতে হবেনা..বেশি সমস্যা হয়নি :-তবুও আমি মাকে দেখতে আসছি :-আচ্ছা তাহলে সাবধানে আসিস :-হুম অতঃপর ক্লাসে না গিয়ে সোজা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।আসলে মাকে খুব ভালোবাসি।কারন মায়ের অনুপ্রেরনায় আজ আমি এতদুর.. অবশেষে বাড়ি এসে পৌছালাম..ঔদিকে নিধিদের জানাতে পারিনি আমি গ্রামে এসেছি..তাই ফোনটা বের করলাম..কিন্তু লাভ হলোনা নেটওয়ার্ক নাই..ফোনটা করা হলোনা.. . আজ তিনদিন পর শহরে যাচ্ছি..মা এখন সুস্থ তাই শহরে ফিরে যাচ্ছি..এই তিনদিন নিধিদের সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারিনি.. হয়ত ওরা খুব টেনশনে আছে.. শহরে ঢুকতেই ফোনে নেটওয়ার্ক অসলো..সেই সাথে নিধির ফোন... :-ওই তুই কোথায়?এতদিন কোথায় ছিলি?তোর ফোন বন্ধ ছিলো কেনো? :-আরে আস্তে বল..গ্রামে ছিলাম।তাই ফোন বন্ধ ছিলো :-তা আমাদের জানাসনি কেনো? :-মায়ের শরীর খারাপ শুনে..তখনি গ্রামে গিয়েছিলাম..আর গ্রামে ফোনে নেটওয়ার্ক থাকেনা তাই তোদের কিছু জানাতে পারিনি :-ওহ..তুই কোথায় এখন? :-এইতো প্রায় চলে এসেছি..কেনো? :-তুই যাওয়ার পর থেকে নিশি কিচ্ছু না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে.. :-ওহ..আচ্ছা আসছি আমি :-হুম কিছুক্ষনের মধ্যে নিধিদের বাসাতে পৌছালাম.. তারপর সোজা নিশির রুমে..আমি যেতেই নিশি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো.. কোনো কথা বলছেনা শুধু কেদেই যাচ্ছে.. হঠাৎ আংকেল বললেন.. :-মহাসিন আমি ভাবছি দুই মেয়ের বিয়ে একসাথেই দিবো :-মানে? :-তোমার মা বাবার সাথে কথা বলে..তোমাদের বিয়ে আর নিধিদের বিয়ে একসাথেই দিবো :-আপনি যা ভালো বুঝেন :-থ্যাংকিউ বাবা..এবার তোমরা সবাই যাও(নিশি) :-হুম(সবাই) সবাই যেতেই নিশির ঠোট দুটো আমার ঠোটের সাথে মিশে গেলো..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ Boner bandhobir preme.....___1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now