বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূতের গল্প ০১

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান বাপ্পী (০ পয়েন্ট)

X ॥ বাগান বাড়ি॥ (আমি এবং আমার পরিবারের দুঃসপ্ন ছিল।) ২০০৯ সালের ঘটনা।আমি ক্লাস সিক্স এ পড়তাম।ঢাকা থেকে সাভার এ আসি। আম্মু আব্বু আগেই বাড়ি ভাড়া advance করে আসছিল। যাতে জানুয়ারি মাসে আমরা ঔই বাড়ি যে উঠতে পারি।সাভারে আসার একটাই কারণ ছিল।আব্বুর business factory কুটুরিয়া ছিল।আমাদের জয়েন পরিবার। দাদা,আব্বু,আম্মু,চাচ্চু এবং আমি (সানজিদা)। সুখি পরিবার যাকে বলে।পরিবারের সমন্ধে বলছি মূলত আমার পরিবারের সাথেই ঘটেছে আসল গঠনাগুল।সাভারে যারা থাকেন তারা হয়ত এই বাড়ি চিনেন। তবে বেশী details দিয়াযাবে না বাড়ি টা কই!বাড়িটার বর্ণনা দিয়ে নি।বাড়ি টিকে বাংলো বল্লেও ভুল হবে না।টিন সেট কিন্তুু রাজকিয়। প্রথমে বিশাল বড়ো গেট। গেট দিয়ে ঢুকতেই লম্বা রাস্তা। ডান ও বাম পাশে কারূুকাজ করা রেইলিং দিয়া। ডান পাশে খালি মাঠ যা এক সময় বাগান ছিল।আর বাম পাশাের রেইলিং এর পাশে সাড়ি দিয়ে ডাব গাছ ছিল। বারির মেইন গেটের আগে পরে বারির গেরাজ ও আন্গান।মোট ৬ টা রুম বিশিস্ট বাড়ি। আলিসান বারির বাথরুম গুলও। আমার আম্মুর সখের জনেই বারিটা নেয়া হয়।বেশী কথা বারিয়ে ফেলেছি। চলে যাই গঠনায়।যথা সময় আমরা ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসেই মালপএ নিয়েআমরা বাড়ি তে উঠি।প্রথম রুম আম্মু আব্বুর। তারপরের টা আমার। তার পরের টা চাচ্চুর। আর রান্না ঘর পার করে আরেকটা রুম সেটা দাদা নে। প্রথম তিনমাস ভালই কাটল। problem শুরু হয়ে মার্চ মাস থেকে। প্রথমগঠনা। বলে রাখা ভালো যে বাড়িটা উপরে কার ছিল। ।মানে basement বিশাল বড়। যত বড় বাড়ি ততবড়োই কার। ৫ ফুট এর মানুষ অনায়েসে দারাতে পারবে। কারে উঠার রাস্তা রান্না ঘর এ ছিল মাথার উপরে এক কণায় চতুর্রভুজ আকারে।সব সময় খোলা থাকত। তেমন importance দি নাই আমরা।তো মাচ মাসে কোনো একদিন রান্না ঘোরে রান্না করছিল বাসায় আম্মু ছাড়া কেও ছিল না। রান্না ঘড় টা বেশ বড় আর যেখানে চুলা তার সামনেই বিশাল জালানা। জানালার সামনে একটা বড়ো মেহেদী গাছ ছিল অনেক পুরানো গাছ। তো রান্না করতে করতে আম্মুর গাছের দিকে নজর গেল। আম্মু দেখল গাছের সাথে গা লাগিয়ে একজন মহিলা দাড়িয়ে আছে হাতে ভাংগা থালা নিয়ে আজব বেপার হলো মহিলা টা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। পোষাক টা বেশ পুরানো আমলের।পাহারি রা যেমন করে সারি পরে ঠিক তেমন।কিন্ত দুঃখি। আম্মু ফকির ভেবে চাল দেয়ার জন্ন নিচে ডিব্বা থেকে চাল নিয়ে যেই উপরে তাকালো মহিলাটা ছিল না।আম্মু ভাবল হয়ত চলে গেছে।রান্না শেষ করে যেই পেছনে তাকাল সিদা চোখ গেল কারের উঠার রাস্তায়। আম্মু স্পষ্ট দেখল যে কারের থেকে কে যেন মাথা ঝুকি আম্মু কে দেখছিল। আম্মুকে দেখে মাথাটা ঢুকিয়ে নিছে। আজববেপার হল চেহারাপুরাই ঘোলা ছিল। আম্মু ভয় পেল কিন্তু কাওকে কিছুই বলে নি। তার কিছুদিন পরের গঠনা। আমি তখন কোচিং করতাম। সন্ধা ৬ থেকে৭ টা কাছেই ছিল। আম্মু আমাকে কোচিং এ দিয়ে বাসায় চলে আসে। বাসায় কেওই থাকে না তখন। তেমমি একদিন আম্মু আমাকে কোচিং এ দিয়ে এসে বাসায়ডয়িংরুম এ বসে tv দেখছিল। পিছনে ডাইনিং চাচ্চুর রুম ডান পাশে মাঝ খানে বড় space দিয়ে রানাঘর আর দাদার রুম। আম্মু tv দেখছিল। হঠাৎ আম্মু শুনল চাচ্চুর রুম থেকে দাদার রুম এ কে যেন দোড় দিল ঘুংরু পরে। ঝুম।ঝুম ঝুম না শুধু ঝুম মনে হল কে লাফ দিল। কিন্তু এত বড় space এ লাফ দেয়া অসম্ভব। আবার শুনলো দাদার রুম থেকে লাফ দিয়ে চাচ্চুর রুম এ গেল।তখন আম্মু ভয় পেল। পিছনে তাকাল।কেও নেই। আম্মু আমাকে কোচিং থেকে আগেই নিয়ে আসল কিছুই বলেনি আমাকে যদি ভয় পাই।তার দুইদিন পরের কথা। দাদা বয়স্ক মানুষ। তাই প্রতেকদিন রাতে এক গ্লাস দধ খেত তো সে দিন রাতেও আম্মু এক গ্লাস দুধ দিয়ে বল্ল বাবা খেয়ে নেন। দাদা বলল মা একটু পরে খাব। আম্মু ঘুমাতে চলে আসল। ওখানে কিছুক্ষন যেতেই দাদাখেয়াল করল দাদার রুম এ ঘুংরু পায়ে দিয়ে কে যানি আসছে। দাদা স্পটো দেখল। আম্মু হলুদ সারি লাল পায়ের পরে দাদার রুম এ আসল। দাদাকে কিছুনা বলে দুধ এর গ্লাস নিল সাথে সাথে দুধের রং কালো হয়ে গেল। দাদার তখন কিছুটা হকচকিয়ে গিয়ে ছিল।দাদা দেখল যে আম্মু কারের উঠছে। দাদা অনেক ভয় পে গিয়ে ছিল। দাদা অনেক ধার্মিক মানুষ। দাদা সোফায় বসে সূরা পরতে লাগলেন। রাত ২ টা। আম্মুর ঘুম ভেংগে গেছে। আম্মু চেককরতে গেল যে দাদা দুধ খেয়েছে নাকি। আম্মু যে দেখল যে দাদা সোফায় বসে আছে কোরান শরিফ তেলোয়াত করছে। দুধকালো হয়ে আছে। কিছুই না বুঝেদাদা কে দেখে বলল বাবা কি হয়েছে?দাদা ইশারা দিয়ে বলল কিছু না। যাও ঘুমাও।আম্মু কিছুই না বুঝে ঘুমাতে চলে গেল।সকালে দাদা আম্মু কে জিগেস করল।মক্তি মা (আমার মা) তুমি কিঘুংরু পরো বা নপুর পর নাকি?না বাবা। কেন?না এমনেই। কখন পইরো না ভালো না।দাদাও আম্মু কে কিছু বলল না।সে দিন সন্ধার কথা। বাসায় কেওই ছিল না।দাদা দাদার ভাইের বাসায় বেরাতে গিয়েছিল।আমি কোচিং এ। আব্বু চাচ্চু কাজে।ডয়িংরুম এ TV দেখতে ভয় পায় বলে আম্মুর রুমে বসেই দেখছিল। বাড়িটার প্রথম রুম গেটের পাশেই ছিল। জানালা দিয়ে আন্গান দেখা যেত। কিন্তু জানালার থাই কখন খোলা যায় নি। problem ছিল। তো আম্মু জালানার ওখানে ঢেলান দিয়ে TV দেখছিল।হঠাৎ কেও থাই খুব জোরে sound করে খুলে আবার লাগিয়ে দিল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি ভয়ঙ্কর ভূতের গল্প
→ ভূতের গল্প
→ একটি ভূতের গ্রামের গল্প
→ » নীল হাতী » একটি মামদো ভূতের গল্প
→ ভূতের ভয়ংকর গল্প
→ বোকা ভূতের গল্প
→ সত্যিকারের ভূতের গল্প (ভয়ংকর পেত্নী)
→ গল্পটা রমজান আলী ভূতের
→ গরম ভাত অথবা নিছক ভূতের গল্প
→ ভূতের গল্প
→ ____ভয়ংকর_ভূতের_গল্প____
→ লোডশেডিং ও একটি ভূতের গল্প
→ অদ্ভূত ভূতের গল্প!
→ কুয়াশার ভূতের গল্প: ভয়ংকর এক লাশের কাহিনী
→ ভূতের সঙ্গে গল্পসল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now