বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-এই ওই মেয়েটা কে?
.
=কোন মেয়েটা?
.
-ওই যে নীল কালার ড্রেস পড়া একটা মেয়ে সামনে দিয়ে গেলো আর হা করে তাকিয়ে ছিলো তোমার দিকে..
.
=কতো মেয়েই তো তাকাবে আমার দিকে, আমার মতো জোস ছেলে আর কোথায় পাবে বলো, সারা দুনিয়ায় এক পিস আমি..
.
-আহা, তেলাপোকা একটা, আবার বলে জোস পোলা..
.
=জোস ই তো, দেখো মেয়েরা আমার দিকে হাটার সময় ও তাকায় থাকে, বসার সময় ও তাকায় থাকে, আবার শুয়ে থেকেও তাকায় থাকে..
.
-ওই কি বললা? শুয়ে থেকে তাকায় থাকে এটা তুমি জানলে কিভাবে? তুমি কি মেয়েদের শুয়ে থাকার সময় পাশে থাকো?
.
=হতেও তো পারে, আরে মানে কিছুনা.....
.
-কিইইইইইইই শয়তান কুত্তা (বলেই আদ্রিশী সাজীবের চুল টেনে ধরে)
.
=আরে কি করছো? লাগছে তো.. চুল পড়ে গেলে তো আমার হাজার হাজার বউ আমার সাথে রাগ করবে আর বলবে আমি চুলের যত্ন না নেয়ায় চুল পড়ে গেছে, অথচ তারা তো বুঝবেনা আদ্রিশী নামের জল্লাদনি চুল টেনে ছিরেছে, আমার বউদের দিকে তাকিয়ে হলেও চুল গুলো ছাড়ো প্লিজ
.
(সাজীব এটা বলতেই আদ্রিশী চুপ হয়ে চুল গুলো ছেড়ে দেয়)
.
=আরে ডাকাইত্তা আদ্রিশী, তুমি হঠাৎ চুপ হয়ে গেলে যে! কি হয়েছে??
.
আদ্রিশী কিছু না বলে চুপ করে থাকে, কারন আদ্রিশী সাজীবের মুখে "হাজার হাজার বউ" টাইপ কথা শুনতে পারেনা, ওরা দুজন খুব ভাল বন্ধু হলেও কেনো যেনো সাজীব কে অন্য মেয়ের সাথে সহ্য করতে পারেনা আদ্রিশী।
আর সেখানে সামু সব সময় বলে ওর নাকি হাজার টা বউ হবে, এটা শুনলে আদ্রিশীর মনে কেমন যেনো চিড় ধরে, আদ্রিশী অনেকবার সাজীব কে প্রমিজ করিয়েছে এসব না বলতে, তবুও সাজীব বলে ফেলে।
.
=আরে, ১৪ সমুদ্র ২৬ নদী পাড়ি দিয়ে তোমার সাথে ঘুরতে এলাম আর তুমি এমন চুপ করে থাকলে হবে??
আচ্ছা আদ্রিশী এই নাও, আমার সব চুল তোমার নামে রেজিস্ট্রি করে দিলাম, সব চুল টেনে ছিরে ফেলো, পড়ে গেলে যখন আবার উঠবে তখন নিজ দায়ীত্বে তোমার সামনে মাথা পেতে দিবো, তুমি আবার টেনে ছিরো, কেমন?? তবুও মন খারাপ করোনা প্লিজ।
.
আদ্রিশী তবুও কোনো কথা না বলে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে, হঠাৎ পাশে দিয়ে একটা ছেলে কে যেতে দেখে বলে উঠে, এই সাজীব দেখো, ছেলেটা কি কিউট!
.
সাজীব সাথে সাথে কটমট করে বলে উঠে, হ্যা সুন্দর তো, ওহ গড, হাউ কিউট ছেলে, এর জন্য তো কমন জেন্ডারের সবাই পাগল হয়ে ঘুড়ছে বলে পত্রিকায় নিউজ ছাপছে, তুমি সেই কমন জেন্ডার হলে কবে থেকে আদ্রিশী??
.
আদ্রিশী ছেলেটার কথা বলেছিলো সাজীব কে রাগানোর জন্য, অথচ ভালভাবে দেখেওনি ছেলেটা কে, ছেলেটার কথা বলায় সাজীব রেগে যাওয়ায় আদ্রিশী মিটিমিটি হাসতে গিয়েও নিজেকে কন্ট্রোল করে নিয়ে কান্নার অভিনয় করে বলে "ওহ, এখন আমাকে তোমার কমন জেন্ডার মনে হয় তাই না? ফাইন, যাও তুমি তোমার হাজার বউ দের কাছে, কমন জেন্ডারের সাথে ঘুরার কি দরকার"
এটা বলে আদ্রিশী চোখ হাত দিয়ে ঢেকে দেয় যাতে সাজীবের মনে হয় যে আদ্রিশী কাঁদছে
.
সাজীব এসব শুনে নিজেই আটকে গিয়েছে বুঝতে পেরে নিজেই নিজের উপর রাগ ঝাড়তে গিয়ে নিজের চুল ধরে টানতে থাকে আর বলতে থাকে "ধুর,সব এই চুলের দোষ, চুল মাথা কিছুই লাগবেনা, টেনে মাথাই ছিঁড়ে ফেলবো"
.
সাজীবের এমন পাগলামী দেখে আদ্রিশী হেঁসে দেয় আর বলে "হয়েছে জনাব, এতো রাগতে হবে না, চুল একটু আগে আমার নামে রেজিস্ট্রি করে এখন আমার অনুমিত ছাড়া আমার জিনিসে হাত দাও কেনো?? এখন থেকে চুলের আরো কেয়ার নিবা, পাগল একটা।
তখন হাজার বউর কথা কেনো বললে?? মানা করেছিলাম না??"
সাজীব নিচের দিকে তাকিয়ে স্যরি বলে উঠে।
আদ্রিশীও সাজীবের গাল টেনে হাসি দিয়ে ইটস অকে বলে।
.
=এই তুমি এতো জোড়ে গাল টানো কেনো?? চুল রেজিস্ট্রি করে দিছি, গাল দেইনি
.
-হে হে, গাল রেজিস্ট্রি করা লাগবেনা, গালের উপর আমি অবৈধ হামলা করবো
.
=ডাকাইত্তা আদ্রিশী আসলে তোমার নাম আদ্রিশী হওয়া উচিৎ হয়নি, ডাকুথী হওয়া উচিৎ ছিলো
.
-কিহহহহহ, আর তোমার নাম তো সাজীব রাখা উচিৎ হয়নি, কুত্তামু রাখা উচিৎ ছিলো,কুত্তার মতো না খোঁচা দিলে ভাল লাগেনা তোমার
.
আদ্রিশীর কথা শুনে সাজীব হেসে দেয়। এভাবেই দুজনের খুনশুটি আর বন্ধুত্ব চলে আসছে অনেক দিন ধরে। ওদের দুজনের কাছে দুজন শুধু যে বন্ধু তা নয়, বরং হয়তো এর চেয়েও বেশি কিছু। সারাদিন দুজন কখন কি করে সব কিছুই দুজন দুজনের সাথে শেয়ার করে।
ভাল অথবা খারাপ সব সময়ে একজন আরেকজন কে অনেক বেশি সাপোর্ট করে। সময় পেলে দুজন একসাথে নিজেদের মতো করে ঘুড়ে বেড়ায়।
.
ভালোবাসা টা হয়তো নিজেদের অজান্তেই ওদের মধ্যে জন্ম নিয়েছিলো, যেই ভালোবাসা পবিত্রতায় আচ্ছন্ন, যেখানে কটুতার কোনো জায়গা নেই, তবুও কখনোই মুখ ফুটে বলা হয়নি কারো। যদিও দুজনে বুঝতে পারে খুব ভাল ভাবেই।
.
-সাজীব, আমার একটা হেল্প লাগবে, করবে প্লিজ?
.
=কেমন হেল্প??
.
-আমার এক টা ফ্রেন্ড এর বিএফের বার্থডে, তার জন্য gift কিনে দিতে বলেছে আমাকে, ওর বাসা থেকে বের হতে নাকি সমস্যা হবে, আর আমি তো জানিনা ছেলেদের চয়েজ কেমন, তুমি যদি চুজ করে দিতে
.
=আহা! ফ্রেন্ড তোমার, বিএফ আরেকজনের, বার্থডেও আরেকজনের, কিনার দায়ীত্ব তোমার, আর চুজ করে দেয়া লাগবে আমার!! হাউ সুইট, কি হবে বেচে থেকে
.
-এইইই সাজীব উল্টাপাল্টা বলতে মানা করেছিলাম কিন্তু, কি হবে বেচে থেকে মানে কি?? আচ্ছা লাগবেনা তোমার হেল্প
.
=আরে হয়েছে হয়েছে, পিচ্ছি বাচ্চাদের মতো এতো রাগ করা লাগবেনা, পিচ্ছি আদ্রিশী চলো, দিচ্ছি ১৪ সমুদ্র দুরের একজনের জন্য gift কিনে..
.
সাজীবের কথা শুনে আদ্রিশী হেসে দেয়
.
-ওয়াও সাজীব, তুমি কি কিউট
.
=নো পাম প্লিজ
.
সাজীব আদ্রিশী কে নিয়ে শপিংমলে গিয়ে জিজ্ঞেস করে
.
=আচ্ছা আদ্রিশী, তোমার কোন বান্ধবীর বিএফ এটা??
.
-ওইতো, ওর
.
=ওর টা কে?? ওর নামে তোমার বান্ধবী আছে জানিতাম না তো
.
-সাজীব তুমি পেঁচাচ্ছ কেনো আমাকে? সিন্থিয়ার বিএফ এর জন্য এটা
.
=আচ্ছা, সিন্থিয়া? তুমি না বলেছিলে সিন্থিয়ার বিএফের বার্থডে এই গত দুমাস আগে হয়েছে, সেইজন্য পার্টিও দিলো সিন্থিয়া, এখন আবার সিন্থিয়ার নিউ বিএফ হলো নাকি?? আচ্ছা, সিন্থিয়ার নাম্বার টা দাও তো, একটা কল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাই নিউ বিএফ এর জন্য
.
-দেখো সাজীব, তুমি কিন্তু এটা বেশি করছো, বার্থডে ছাড়া gift দেয়া যায়না?
.
=আমি বেশি করছিনা তো বেবি, তুমি বেশি মিথ্যে বলছো, কাহিনী তো এটা না, অন্য কিছু আছে, কি কাহিনী বলো তো?? তুমি নিজে আবার কোনো প্রেম করা শুরু করলে নাকি?? সেই বিএফের জন্য কিনবে?? আমাকে জানালে না তো!!
.
আদ্রিশী রেগে গিয়ে বলে উঠে, কুত্তামু আমার এতো অন্য কারো জন্য gift কিনার শখ নাই বুঝছো?? লাগবেনা তোমার হেল্প
.
এটা বলে আদ্রিশী নিজের মতো করে একটা দোকানে যেয়ে একটা কাপল শপিছ কিনে এনে সাজীবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো "এই যে বুদ্ধু, আমি এই কুত্তার জন্য কিনতে চেয়েছিলাম, অন্য কারো জন্য না"।
.
সাজীব আদ্রিশীর কাজ দেখে অবাক হয়ে মনে মনে বলে, মেয়েটা সত্যিই খুব পাগলী।
.
সাজীব আদ্রিশীর কাছে স্যরি বলে রাগ ভাঙিয়ে আদ্রিশীকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্ট এ যায়, আদ্রিশীকে বসিয়ে ইম্পরট্যান্ট ফোন কলের কথা বলে সাজীব বাহিরে গিয়ে আদ্রিশীর জন্য একটা গলার লকেট কিনে আনে।
.
=আদ্রিশী, তোমার গলার ওখানে ওটা কি?? ময়লা?? গোসল করো না ঠিক মতো??
.
-মানেহ? কোথায় ময়লা??
.
=দাড়াও দেখাচ্ছি
আদ্রিশীর গলায় ময়লা না থাকলেও সাজীব এটা বলে দেখিয়ে দেয়ার কথা বলে আদ্রিশীর গলার কাছে গিয়ে পিছনে থেকে গিয়ে লকেট টা পড়িয়ে দেয়..
.
আদ্রিশী সাজীবের দিকে তাকিয়ে থেকে নিশ্চুপ অবাক হয়ে যায় সাজীবের কাজ দেখে, অনেকক্ষণ পর আদ্রিশী বলে উঠে
.
"আচ্ছা সাজীব, আজীবন এভাবে তুমি আমাকে এই লকেট টা পড়িয়ে দেয়ার জন্য হলেও পাশে থাকবে??"
.
সাজীব এর উত্তরে কি বলবো বুঝে উঠতে পারেনা, এক বাক্যে উত্তর দিবে নাকি মহাকাব্যে তা বুঝে উঠতে না পেরে উলটো সামু বলে উঠে
.
"আচ্ছা আদ্রিশী, তুমি কি ইচ্ছে করে করে মাঝে মাঝে গলায় একটু ময়লা রেখে দিবে?? যাতে আজীবন আমার অযুহাত বের করতে সুবিধা হয়"
.
সাজীব কথায় দুজনে হালকা হেসে উঠে।
.
দুজনেই কোনো উত্তর দিতে পারেনা, যে উত্তর ই দিতে চায় না কেনো সে উত্তর ই কম বলা হয়ে যাবে বলে মনে হতে থাকে দুজনের কাছেই, এক নিশ্চুপ আমেজ বিরাজ করে উঠলো চারিদিকে।
.
"কখনো কখনো হাজার অক্ষরের উত্তরের চেয়ে কিছু সময়ের নিরবতাও হয়তো অনেক বেশি শক্তিশালী উত্তর বহন করে"।
.
সাজীব আর আদ্রিশী দুজনি নিরব ভাবে হাটতে থাকে দুজনার হাত ধরে। মনে হচ্ছে যেনো এই নিরব হেটে চলার প্রতিটি কদমে কদমে হয়তো ওরা ওদের ভালবাসার উত্তর আদান প্রদান করছে।
.
কিছুক্ষণ পর সাজীব বলে উঠে "ভালবাসি তোমায়" সাজীবের মুখের কথার শেষ ভাগের মতো করেই আদ্রিশী সাথে সাথে বলে উঠে "অনেক বেশি"।
.
।
পরিশিষ্ট:
সাজীব,আদ্রিশী, সাজীবের বাবা মা, আর আদ্রিশীর বাবা মা আর দুটা স্পেশাল মানুষ কে নিয়ে সাজীব আর আদ্রিশীর সংসার। আর স্পেশাল দুটো মানুষ হলো সাজীব আর আদ্রিশীর ভালোবাসার উপহার, ওদের দুজনের ছেলে মেয়ে। এই সংসারের নয়ন মনি, মেয়েটার বয়স ৮ আর ছেলেটার বয়স ৫।
.
আজ সাজীব আর আদ্রিশীর দশম বিবাহ বার্ষিকী। এই উপলক্ষে সাজীব সব রিলেটিভ দের জন্য এক অনুষ্ঠান করেছে। বাড়ীর সামনের একটা জায়গায় অনুষ্ঠানের জন্য রান্না বান্না হচ্ছে। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে অতি খুশিতে সাজীব নিজেই বড় বড় ডেকচী তে নাড়াচাড়া করে মাংস রোষ্ট রান্না করছে।
অথচ ভাড়া করে আনা বাবুর্চিরা আরামে বসে আছে।
.
আজকের বাবুর্চি যেনো সামু নিজেই হয়ে গিয়েছে, বাবুর্চিদের মতো উচু করে লুঙ্গী পড়ে তার উপর এক লাল গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে রান্না করে যাচ্ছে, নিজের ভালবাসার মানুষের সাথে এক হয়ে উঠার দিনের বর্ষপূর্তির আনন্দ বলে কথা।
.
উপরের বারান্দা থেকে দাঁড়িয়ে থেকে আদ্রিশী সব দেখছে আর মিটিমিটি হাসছিলো, হঠাৎ ওদের মেয়ে টা দৌড়ে আদ্রিশীর কোলে এসে সাজীব কে রান্না করতে দেখে বলে উঠলো
.
_ইয়ে, আজকে পাপ্পা রান্না করছে, রান্না অনেক মজা হবে,ইয়ে
.
আদ্রিশী হেসে বলে উঠলো
.
-কেনো রে মামুনি? তোমার আম্মুর রান্না মজা হয়না বুঝি??
.
_হ্যা, হয়, কিন্তু পাপ্পা বেশি মজা করে রান্না করে
.
-হ্যা হয়েছে পাপ্পার চামচা, তোমার পাপ্পা হলো একটা গরু মার্কা বাবুর্চি, এই জন্য ভালভাবে রান্না করে।
.
_মাম্মি, তুমি পাপ্পা কে বাবুর্চি বললে কেনো? তোমার সাথে আড়ি
.
-আহারে মামুনি টা,রাগ করছো কেনো?? তোমার পাপ্পা কে দেখো, কিভাবে রান্না করছে, বাবুর্চি রাই তো এভাবে রান্না করে।
.
_নাহ, মেহমান রা যেনো ঠিক মতো খেতে পারে, এই জন্য পাপ্পা নিজে রান্না করছে। আর আমি হলাম আমার পাপ্পার রাজকন্যা, আর রাজকন্যার পাপ্পা রা রাজা হয়। তাই আমার পাপ্পা হলো রাজা।
.
-ওরে রাজার রাজকন্যা টা, তো তুমি আর আর তোমার পাপ্পা এগুলো হলে আমি কি হবো মামুনি??
.
_তুমিইই, তুমি তাহলে হবে হচ্ছে রানী, ঠিক বলেছিনা মাম্মি??
.
আদ্রিশী তাদের পাকনি মেয়ের কথা শুনে মেয়েটা কে জড়িয়ে ধরে চোখ বুঝে সাজীবের অস্তিত্ব কে অনুভব করতে থাকে। আর এভাবেই এগিয়ে যেতে থাকে ওদের সুখের প্রতিটি মুহুর্ত, যার প্রতিটি পরতে পরতে জড়িয়ে আছে ভালবাসার সুখানুভূতি.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now