বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভাগ্যবানের ভাগ্য

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আল মামুন (০ পয়েন্ট)

X এদেশের হাজার হাজার রূপকথা, লোককাহিনী সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সেই ভারতে এক হতভাগা যুবকের কাহিনী। হতভাগা যুবকটি তার ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য জাহাজে করে অন্যদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ল। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ভীষণ ঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজটি। পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা লেগে জাহাজটি ডুবে যায়। যুবকটি ছাড়া জাহাজের সবাই মারা যায়। অনেক কষ্টে সাতার কেটে তীরে উঠে যুবকটি দেখল, সে এক জনমানবহীন দ্বীপে দাঁড়িয়ে আছে। দ্বীপটিতে ছিল অসংখ্য নারকেল গাছ। যুবক সেই দ্বীপের ডাব আর নারকেল খেয়েই জীবন রক্ষা করে চলল। কিন্তু একসময় সে খাদ্য আর তার মুখে কিছুতেই রোচে না। সারাক্ষণ সে খুধার যন্ত্রণায় কষ্ট পায়। একটি সৌভাগ্য তার দুয়ারে এসে হাজির হলো। সে একটা নারকেল গাছের ছায়ায় শুয়েছিল, হঠাৎ দেখল যে আকাশের বুকে অদ্ভুত কালো একটা প্রাণী ভাসছে। প্রথমে সে ভাবলো, হয়তো কোনো পাখি, কিন্তু না, সে কোনো পাখি দেখলো না। প্রাণীটি একটু কাছে আসতেই সে দেখলো, ওটা একটা গাধা। কী আশ্চর্য! একটা পাখাহীন গাধা আকাশে উড়ছে? সে বরাবর তার দুচোখ ঘঁষে ভালো করে দেখলো, কিন্তু না, ওটা আসলেই একটা গাধা। একটু পরেই গাধাটা দ্বীপে নেমে এলো। দ্বীপে অবতরণ করেই সে রোদের আঁচ বাঁচিয়ে একটা গাছের নিচে শুয়ে ঘুমিয়ে গেল। ভাগ্যান্বেষী যুবক পা টিপে টিপে ওর কাছে যায়। না, এটা যে সত্যিই একটা গাধা তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন ওটা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। যুবক আশ্চর্য হয়ে দেখলো যে, ঘুমন্ত গাধাটার পাশে মাটিতে পড়ে রয়েছে একটা হীরকখণ্ড। রহস্যময় গাধাটি ওই হীরা তার সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে। যুবক হীরাটি নিজের হাতে তুলে নিয়ে গাধাকে আবার ভালো করে দেখালো, দেখতে কুৎসিত এবং ভয়ংকর। মনে মনে ভাবলো, ‘ও জেগে উঠে আমার হাতে তার হীরকখণ্ড দেখলে নিশ্চয়ই ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধারালো দাঁত দিয়ে আক্রমণ করবে। আমি যদি এই মুহূর্তে ওই গাছের মাথায় নিরাপদ দূরত্বে উঠে বসতে পারতাম! কথাটা ভাবার সঙ্গে সঙ্গে তার দেহমনে একতা অদ্ভুত অনুভুতি হলো। আর তখনই সে দেখলো যে সে পাশের নারকেল গাছটার মাথায় বসে আছে। যুবক বুঝতে পারল, এটা জাদুর হীরা। এটা হাতে নিয়ে কিছু একটা ইচ্ছা করলেই তা পূর্ণ হবে। গাধাটা নিশ্চয়ই তাই করেছে। ব্যাপারটা পরখ করে দেখতে হয়...। ‘আচ্ছা, আমি এখন নিচে মাটিতে গাধাটার পাশে যেতে চাই’। বাহ! মুহূর্তের মধ্যে সে নিজেকে ওই গাধার পাশে দেখতে পেল। দ্রুত সে আবার তার ইচ্ছা জানিয়ে গাছের উপরে উঠে এলো। তারপর সে নিচে নিদ্রিত গাধার মাথার উপর একটা ডাব ফেলে দিল। চমকে জেগে উঠে গাধা দেখল তার পাশে হীরা নেই, উপরে তাকিয়ে দেখল যে গাছের মাথায় এক যুবক বসে আছে। রাগে সে যেন পাগল হয়ে গেল। বারবার সে তার মাথা ও দাঁত দিয়ে গাছের কান্ডে আঘাত হানলো কিন্তু তাতে কিছু হলো না। ও আসলে ছিল এক দুষ্টু জাদুকর। জাদুর সাহায্যে গাধার রূপধারণ করেছিল। ওদিকে হীরকহীন গাধা তার বিশাল দাঁত দিয়ে গাছের গায়ে বারবার আঘাত করার সময় একবার তার দুটো দাঁতই গাছের মধ্যে ঢুকে যায়। সে আর নিজেকে তা থেকে মুক্ত করতে পারে না। গাছের মাথায় যুবক তখন নিচে নেমে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করলো। নিচে নেমে এসে কয়েকটা বড় বড় পাথরের আঘাতে সে গাধাটিকে মেরে হীরকখণ্ডের সাহায্যে আগুন জ্বালিয়ে দিল। তারপর হীরা হাতে তুলে নিয়ে যুবক নির্জন দ্বীপ ত্যাগ করে পাশের রাজ্যে যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করল। সে আকাশে ভাসতে ভাসতে পাশের দেশে গিয়ে উপস্থিত হলো। তখন সন্ধ্যা নেমে এসেছে। সে নেমেছে একটা বালুকাময় সমুদ্র সৈকতে। আকাশে একটা ধোঁয়ার কুন্ডলি তার চোখে পড়ল। সে হীরকখণ্ডটি পকেটে পুরে যেখান থেকে ধোঁয়া উঠছিল সেদিকে হাঁটতে থাকে। হাঁটতে হাঁটতে সে একটা কুটিরের সামনে গিয়ে উপস্থিত হলো। যুবক সেখানে একটি লোককে বসে বসে আগুনের উপর একটা বাচ্চা ছাগলের রোস্ট রান্না করতে দেখলো। লোকটির দুটি পা-ই নেই। যুবক সাবধানে ওর সামনে গিয়ে বলল, ‘শুভ সন্ধ্যা, স্যার’। পদযুগলহীন বৃদ্ধ বলল, ‘শুভ সন্ধ্যা’। ‘আপনি কি আমাকে কিছু খেতে দিতে পারেন এবং রাতের জন্য একটু আশ্রয়?’ বিনীতভাবে যুবক বলল। যুবকটি খেতে বসে, কিন্তু পদযুগলহীন বৃদ্ধ মানুষটা যেভাবে বারবার চোখ তুলে লোলুপ দৃষ্টিতে যুবকের দিকে তাকাতে থাকে তাতে যুবকের স্থির বিশ্বাস হয় যে ছাগশিশুটি না থাকলে সে বোধহয় তাকেই রোস্ট করে খেয়ে ফেলত। আসলে ওই লোকটাও ছিল এক জাদুকর। একসময় ওর দিকে জ্বলজ্বল চোখে তাকিয়ে বৃদ্ধ জিজ্ঞাসা করল, ‘তা তুমি এখানে এলে কী করে?’ যুবক তাকে ঘটনাটি জানাতেই সে বলল, ‘শোনো, আমি তোমার কাছ থেকে ওই হীরা কিনতে চাই। তার বিনিময়ে আমি তোমাকে আমার মায়াবী কুঠারটি দেব। আমি যদি এই কুঠারের হাতলে একটা চাপড় মেরে বলি, কাঠ আর আগুন! তখনই কুঠার বনে উড়ে গিয়ে কাঠ কেটে এনে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। আমি যদি বলি’ ‘শিরচ্ছেদ কর’ তখনই কুঠার সবচাইতে কাছে যে মাথা পাবে সেটা কেটে ফেলবে। এই রকম আশ্চর্য কাজের কুঠার তুমি সারা দুনিয়ায় দ্বিতীয়টি পাবে না। যুবক বলল, ‘তাই তো মনে হয়। ঠিক আছে, আপনার প্রস্তাবে আমি রাজি’। এই বলে সে তার হীরকখণ্ড তুলে দিল বুড়ো জাদুকরের হাতে, তুলে নিল জাদুকরের মায়াবী কুঠার। জাদুকর হীরকখণ্ড হাতে নিয়ে ওই যুবককে রোস্ট করে খাবার ইচ্ছা প্রকাশ করতে উদ্যত হয়, কিন্তু তার আগেই যুবক তার হাতের কুঠারের বাঁটে চাপড় মেরে বলে ওঠে, ‘শিরচ্ছেদ কর’! আর চোখের পলকে বুড়ো দুষ্টু জাদুকরের মাথা মাটিতে গড়িয়ে পড়ে। পাদযুগলহীন মানুষকে এবার মস্তকহীন মানুষে পরিণিত করে সৌভাগ্যবান ভাগ্যান্বেষী যুবক দুটি মায়াবী জিনিস হাতে নিয়ে এগিয়ে চলে। চলতে চলতে সন্ধ্যার দিকে সে আবার একটা নিঃসঙ্গ কুটিরের সামনে এসে উপস্থিত হয়। কুটিরের বাইরে বসে সে এক বৃদ্ধকে রান্না করতে দেখে। এই বৃদ্ধও দেখতে অদ্ভুত। তার পা আছে কিন্তু হাত নেই। যুবক ভাবলো এই বনে বাঘের উৎপাত বেড়েছে। যুবক সাহসভরে বৃদ্ধকে স্বাগত সম্ভাষণের জন্য এগিয়ে যায়, কিন্তু তার আকস্মিক আবির্ভাবে বৃদ্ধ চমকে যায়। তার সামনে গাছের গুঁড়ির কাছে এক গামলা দুধ ছিল। বৃদ্ধ চমকে উঠতেই তার চিবুকের ধাক্কা লেগে গামলা থেকে সব দুধ গড়িয়ে মাটিতে পড়ে যায়। চোখের নিমিষে ওই দুধ একটা নদীতে পরিণত হয়ে বুড়ো আর বুড়োর কুটিরের চারপাশ দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। আর বুড়ো তার আসনে বসে অট্রহাসিতে ফেটে পড়ে। কিন্তু অল্পক্ষণের মধ্যে তার হাসি বন্ধ হয়ে যায়। যুবক হীরকখণ্ড হাতে নিয়ে তার ইচ্ছা জানাতেই ছোখের নিমিষে নদী পার হয়ে বুড়োর সামনে এসে দাঁড়ায়। বুড়ো দাঁত-মুখ খিচিয়ে প্রশ্ন করল, ‘তুমি নদী পার হয়ে কেমন করে এখানে এলে?’ যুবক তার পকেট থেকে হীরকখণ্ডটি বের করে বলল, ‘খুব সোজা’ এর সাহায্যে আমি যা ইচ্ছা করি তাই করতে পারি’। হাতকাটা মানুষটা ক্রূর চোখে ওকে দেখতে দেখতে বলল, ‘তোমার ওই হীরকখণ্ড আমি কিনতে চাই। তার বিনিময়ে আমি তোমাকে আমার এই মায়াবী গামলা দেব। তুমি চাওয়া মাত্রই গামলা পোলাও-কোর্মা, ফিরনি-জরদা, রসগুল্লা-সন্দেশ, আম-জাম-কাঁঠালে পূর্ণ হয়ে যাবে। যা চাইবে তাই পাবে তুমি। তারপর গামলা উলটে দিলেই সেটা মুহূর্তের মধ্যেই বিশাল খরস্রোতা নদীতে পরিণত হয়ে চারপাশের সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যাবে, তোমাকে কেউ ছুঁতেও পারবে না। কি, রাজি?’ যুবক বলল, ‘অবশ্যই রাজি। এতো খুব ভালো প্রস্তাব’। যুবকটি গামলা তার হাতে পাওয়া মাত্র কুঠারের বাটে চাপড় মেরে বলল, ‘শিরচ্ছেদ কর!’ আর তার কথার সঙ্গে সঙ্গে কুঠার ছুটে গিয়ে হস্তহীন জাদুকরকে মস্তকহীন করে দিল। তারপর ওই রাতটা সে নিহত জাদুকরের কুটিরে কাটিয়ে পরদিন তিন মায়াবী রত্ন নিয়ে আবার চলতে শুরু করলো। সেদিন সন্ধ্যার দিকে সে জঙ্গলের ভেতর প্রচন্ড হইচই শুনতে পেল। কে যেন খুব জোরে ঢোল বাজাচ্ছে, আর ভীতসন্ত্রস্ত হরিণ, বাঘ, সিংহ, হাতির পাল প্রাণভয়ে থরথর করে কাঁপছে। একটু পরে ধোলের শব্দ থেমে যায়। যুবক তখন সাবধানে একটু অগ্রসর হতেই দেখে যে বনের মধ্যে একটা বিশালদেহী দৈত্য কোলের উপর একটা ঢোল নিয়ে বসে আছে। তাকে দেখতে পেয়ে দৈত্যটি সাদর অভ্যর্থনা জানিয়ে বলল, ‘এসো, আমার সঙ্গে খেতে বসো’। ‘ধন্যবাদ’ বলে যুবক যতটা সম্ভব দূরে আসন গ্রহণ করল। দৈত্য একটা রোস্ট করা মাংসের পাত্র তার দিকে এগিয়ে দিল। মাংসের চেহারা দেখে যুবকের মনে হলো সেটা কোন গরু, গাধার কিংবা ছাগলের মাংস নয়, বরং মানুষের মাংস। সে ক্ষমা প্রার্থনার ভঙ্গি করে পাত্রটা একপাশে ঠেলে দিয়ে বলল, ‘আমি মাংস খাই না’। তারপর সে তার হাতের গামলাটা ধরে ইচ্ছা প্রকাশ করল সেখানে যেন ডাল পরিবেশিত হয়। সঙ্গে সঙ্গে গামলাটি ডালে পূর্ণ হয়ে গেল। ব্যাপার দেখে দৈত্যের চোখ গোল হয়ে গেল। কেমন করে ঐ কান্ড ঘটালো জানতে চাইলে যুবক তাকে বিষয়টা বুঝিয়ে বলল। তার কথা শুনে দৈত্যের চোখ জ্বলজ্বল করে উঠল। সে হুঙ্কার দিয়ে বলল, ‘আমি তোমাকে আমার এই মায়াবী ঢোল দেব। এর এক পিঠে তালি বাজালে জঙ্গলের সব প্রাণী ভয়ে কাঁপতে থাকে, তারা নড়বার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তুমি তখন তোমার ইচ্ছামতো শিকার করতে পারবে। আর এর অন্য পিঠে তালি বাজালে মুহূর্তের মধ্যে পদাতিক ও অশ্বারোহী বিশাল এক সেনাবাহিনী তোমার সামনে এসে তোমার আদেশ পালনের জন্য অপেক্ষা করবে। কী বলো, এই ঢোলের বদলে তোমার গামলা আমাকে দেবে? যুবক বলল, ‘মন্দ কী! চুক্তিটা তো ভালই মনে হয়’। যুবক গামলাটা দৈত্যের হাতে দিতেই সে লোভীর মতো সেটা তার মুখের কাছে তুলে ধরে ‘আমি রক্ত পান করতে চাই’ বলতে উদ্যত হয়, কিন্তু যুবক তার আগেই তার কুঠারের হাতল ধরে নির্দেশ দেয়, ‘শিরচ্ছেদ কর!’ সঙ্গে সঙ্গে কুঠার এক লাফে এগিয়ে গিয়ে দৈত্যের মাথা কেটে ফেলে। মুন্ডুহীন দোইত্যকে পিছনে ফেলে রেখে যুবক এগিয়ে যায়’। একসময় সে একটা নগরীতে এসে পৌছায়। তার শাসনকর্তা এক অসত, নিষ্ঠুর, অত্যাচারী রাজা। নিজের প্রজাদের ওপর অত্যাচার চালাতো। তার ধারেকাছে সে কোনো ভিনদেশি বা অচেনা মানুষকে ঘেষতে দিত না, ঐ রাজা যখন খবর পেলো যে এক অচেনা যুবক তার রাজ্যে প্রবেশ করেছে তখনই সে তাকে ধরে আনার জন্য ১২জন সৈন্যের একটি দল পাঠালো। যুবক ওদের দেখতে পেয়েই তার ঢোলে চাঁটি মারলো, সঙ্গে সঙ্গে ঐ ১২জন সৈন্য ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ছুটে পালালো। রাজা ভীষণ রেগে গেল। তার আদেশ তৎক্ষণাৎ ঐ ১২ সেনানীর গর্দান গেল। তারপর রাজা ঐ উদ্ধত এবং দুঃসাহসী যুবককে হত্যা করার নির্দেশ দিয়ে তার পুরো সেনাবাহিনীকে তার বিরুদ্ধে প্রেরণ করল। যুবক তখন তার হাতের গামলা উলটে দিতেই বন্যার মতো জলস্রোত প্রবাহিত হয়ে রাজার সেনাদলকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দিল। কোনোরকমে রাজা শহরে এসে পৌছাল এবং যুবকের কাছে তার সকল অন্যায়-অত্যাচারের জন্য ক্ষমা চাইল ও যুবকের মাথায় রাজমুকুট পরিয়ে দিল Please 5 star


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভাগ্যবানের ভাগ্য

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now