বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কলেজে যাব এমন সময় পিছন থেকে
কে জানি ডাকছে নীল ওই নীল
পিছনে তাকাই দেখি বাধন কিরে
মামা কি বল ! মামা আজকা চিন্তা
করেছি তুই আমি সজিব-তপু মিলে
খেজুর রস চুরি করবো রাতে । কি
বলিস রাতে থাকবি তো ? হুম
থাকবো ! কিন্তু আমার শর্ত আছে
রাতে নীলাদের বাড়ির উপর দিয়ে
যাবো খেজুর বাগানে । তাহলে যাব
চান্দু না হলে যাবো না ! কিন্তু তুমি
চান্দু আগের বারের মতো ভুতের ভয়ে
পালাবা নাতো । আরে না পালাবো
না তখন ছোট ছিলাম এখন বড়ো হইছি
না এখন আর ভয় পাই না ! ওহ তাই
মামা ! সে তো রাতে দেখা যাবে
আপনি বড়ো হইছেন না কি ? ওকে
রাতে থাকবো বাই ! ওকে বাই মামা !
রাতে সবাইর সাথে খাওয়ার টেবিলে
বসলাম এমন সময় সজিব এর ফোন !
ফোনটা রিসিভ করলাম কিরে নীল
আসবি না নাকি আমরা অপেক্ষা
করছি জলদি আয় সালা । কোন রকম
ডিনার করে রোডে গেলাম । তপু-
বাধন-সজিব আরে মামা না আসলেই
পারতা ? আরে শোন যত রাত করে
যাবি ততো ভালো বোকা ! আরে
যতো রাত হবে ততো মজা হবে কি কস
বাধন ? হুম মানে ! আমার সাথে-
সাথে তপু বন্ধু তুই থাকিস ? তপুঃ কেন
রে ? বাধন তুই না বড়ো হয়ে গেছোত ?
সজিবঃ হি হি হি তাই তো ! বাধনঃ
হুম অব্যশই বড়ো হইছি যা তোদের
কাওকে আমার সাথে-সাথে থাকতে
হবে না ! ওকে ! নীলঃ মামারা সবাই
শোন যদি নীলাদের বাসার উপর
দিয়ে গেজুর বাগানে যাও তাহলেই
আমি যাব না হলে যাবো না ! তপু-
সজিব-বাধন যা যা তোর যাওয়া
লাগবে না ! লও ঠ্যালা ! কি করবো
কি বলবো চিন্তা করছি! আইডিয়া !
সজিব এদিক আয় দোস্ত শুন হুম বল !
দোস্ত শুন নীলার একটা বান্ধবি আছে
না সারা হুম তো ! ও না তোকে খুব
লাইক করে এটা নীলাকে বলছিল
অনেক-দিন আগে ! আজ ভাবছিলাম
তোকে ব্যাপারটা বলতাম আর নীলার
সাথে সারাকে তোর সাথে দেখা
করাইতাম দূর থেকে ! থাক আরেক-দিন
দেখা করাবো ওকে বাই ! সত্যি
দোস্ত ! হুম সত্যি দোস্ত ! ওই তপু-বাধন
সালার পো আয় নীলা ভাবীগো
বাসার উপর দিয়া যাবো ! আমিও
নীলাকে কল দিয়া পুকুরের ওপারে
আসতে বললাম ! নীলা আসলো পুকুরের
ওপারে ! সজির্বঃ মামা সারা কই ?
মামা সারা তো বাসায় ঘুমাচ্ছে !
মানে ! মানে ঘুমাচ্ছে ! সালার পো
ধারা তোর খবর আছে ! তপু আর বাধন
হি হি করে হাসছে আর বলছে চান্দু
যাও যাও নীলের কথা শুন আরো !
নীলের বক্ত্য আইছে ! হি হি হি লও
ঠ্যালা সামলাওও ! খেজুর বাগানে
ডোকলাম চুপি-চুপি ! খেজুর গাছের
সামনে গেলাম চার-জনে তপু
দোস্ত,ভাইয়া,মামা, গাছে ওঠ
মামা ! ওঠবো কিন্তু আমার ভাগে
বেশি রস দিতে হবে ? হুম হুম ওকে !
বাধন তুই গাছের গোরে থাকবি আর
রসের হাড়ি নিবি ওকে ! আর আমরা দু-
জনে পাহারা দিব ওকে ! ওকে ! তপু
খেজুর গাছে ওঠলো । রসের হাড়ি
পেরে তপু গাছের অর্ধেক নেমে বাধন
ওই বাধন হাড়ি ধর ! সালা ! কিরে ধর !
মামা ওদিক দেখ এত্তো রাতে সাদা
কাপড়ে ওটা কে আমাদের দিকে
আসছে ! কি কস অবোল-তাবোল দেখি
তো ! আরে সত্যি তো কে আসছে রে
আগে হাড়ি ধর ! কে আসছে মানে !
পেত্নী !মামা! পেত্নী নীল সজিব ওই
দেখ পেত্নী ! কই দেখি তো ! সত্যি ই
তো এত্তো রাতে সাদা কাপড় পরে
কে জানি আসছে ! তপু ভাই আর
পারছি না হাড়িটা ধর ! আরে বাধন
হাড়িটা ধর ! ওকে ধরছি ! ওরে লে
হাত ফছকে হাড়িটা বাধানের
মাথায় পরলো ও আর বাধন বেহুশ !
আরে কি কান্ড বাধন এই বাধন ওঠ
ভাই । আরে পেত্নী আসছে তো ! হুম !
আরে সালা ওঠ পেত্নী আসছে
আমাদের দিকে ! লও ঠ্যেলা একদিকে
পেত্নী আরেক দিকে বাধন বেহুশ !
যাই হোক তিন-জনে মিলে ওকে
নিয়ে একটা তাল-গাছের নিচে লও
ঠ্যেলা আবার তাল গাছের নিচে !
কথায় আছে নাঃ
.
যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত
হয় । সেটাকে একটু উল্টিয়ে বলছি
এখনঃ
.
যেখানে পেত্নীর ভয় আজ দেখছি
সেখানেই তাল গাছ হয় । যাই হোক
ভয় নিয়েই তাল গাছের নিচে বসে
রইলাম ! একটু পর দেখি সালায় খেজুর
গাছের মালিক রহিম চাচা সাদা
চাদরে
ডাকা গাছের সামনে এসে
ভাঙ্গা হাড়িটা দেখে এদিক-ওদিক
লাইট মেরে চলে গেলো ! তখন বুঝতে
পারলাম আসোলে বেপারটা কি ?
যাক এত্তো বড়ো ঠ্যেলার পাওয়ার পর
আমরা যা-যা পাইলাম আর কি !
অনেক মজা অনেক ভয় ও সবচেয়ে বড়ো
জিনিস যেটা পাইছি সেটা হলো
আমার বন্ধু বাধনের মাথায় হিয়া
বড়ো একটা আলু হি হি হি! সত্যিই
যদিও ব্যাপারটা ভৌতিক ছিল কিন্তু
মজারই ও ছিল ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now