বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘরের বড় ছেলেদের সাথে কেন জানি বাবাদের একটা দূরত্ব তৈরী হয়ে যায়। একসাথে হয়তো খায়, কাজের কথা বলে; কিন্তু আদরটা ঠিক দেয়া-নেয়া হয়ে ওঠে না।
ঠিক এ অবস্থা আমার ঘরেও। আমার স্বামী আর বড় ছেলের এতটা কথা বলা হয়ে ওঠে না। শাশুড়িকে একদিন বললাম, উনি বললেন “আমার ছেলেও এমনই ছিলো। ও নিজেও বড় ছেলে, বাবার সাথে কখনও এতোটা ঘনিষ্ঠ হয় নি। তবে হাঁটাচলা, কথাবার্তা এমনকি কাশিটাও দেয় ওর বাবার মত করে।”
ছেলেরা আনমনে এগুলো হয়তো শিখে নেয়। বাবার হাসি, বাবার রাগ করা- সবকিছুই এরা আনমনে ফলো করে। আমার নিজের বড় ছেলেও যেন তার বাবার মতো করে তাকায়, হাঁটে। মাঝে মাঝে মনে হয় এমনকি ফোনে হ্যালোটাও বলে ওর বাবার মতো।
কদিন আগে রাতে বাপ-ছেলে একসাথে রাতের খাবার খেলো। ছেলের খাবার আগে শেষ, তাই সে চুপচাপ হাত ধুতে গেল। হাত ধোওয়া শেষে নিজের রুমে যেতে কাশি দিয়ে নিজের গলাটা পরিষ্কার করলো।
ছেলের বাবা আস্তে করে বললেন, “আমার বড় ছেলেটার মাঝে আমি আমার নিজের বাবাকে দেখি”
আমি উৎসুক হয়ে তাকালাম। “হাঁটাচলা, এমনকি ফোনে হ্যালো যখন বলে মনে হয় আব্বার গলা শুনতেসি”, বললেন তিনি। “এইযে একটু আগে কাশি দিল, অবিকল আব্বার মত”।
আমি মুচকি মুচকি হাসি। বলতে ইচ্ছা করে, “তুমি তোমার বাবার ফটোকপি, তোমার ছেলে তোমার ফটোকপি; একরকম তো হবেই!”
.
.
.
.
.
.
সূত্র: happiness corner...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now