বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আন্দামান ষড়যন্ত্র
চ্যাপ্টার- ৪
বাকি অংশ
তিনজনই কাজে লেগে গেল। চারদিকে মানুষের দেয়াল।
ঘটনার খবর আগুনের মত ছড়িয় পড়েছে। সবাই এসে হাজির হয়েছে তাদের স্যারের বাড়িতে। তোদের চোখে-মুখে বিষ্মিয় বেদনা ও পর্বত প্রমাণ উৎসুক্য। কিন্তু তাদ;ষ ক�� স্যাররা ব্যস্ত।
তাদের উৎসুক্য মy: ; mso-�াচ্ছ-language: hi">, তাদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছ-lan অংগিhi">দিওবা এবং অন্য যারা আঘ-lan থেকেই উপস্থিত ছিল এখানidi-lan। আদিবাসীরা একে একে জেনে ফেলল তাদের মy: ; mso-�মানের বিষ্ময়503;�� বাহাদুরীতে বেঁচে গেছে তাদ;ষ ক�� স্যাররাhi">বেচে গেছে আদিবাসীরা। ওরা পর্যটকের ছদ্ধবেশে, ষ্টেনগানগুলোকে সেতারের খোলসে ঢেকে এনেছিল ডাকাতি করতে, লুটতরাজ করতে। বাঁচিয়েছে তাদের মy: ; mso-�মানের বাহাদুরী।
আদিবাসীদের শত শত চোখের কৃতজ্ঞ ও প্রশংসার দৃষ্টি আহমদ মুসার প্রতি নিবদ্ধ। মুহূর্তেই আহমদ মুসা তাদের ‘হিরো’তে পরিণত হয়ে গেল।
এদিকে আহতদের আহত স্থান ওষধ দিয়ে পরিস্কার করা, প্রয়োজনে অপারেশন করে গুলী বের করাhi">আহত জায়গা সেলাই করাhi">ব্যান্ডেজ করা এবং সেই যন্ত্রণাকাতর লোকদের সান্তনা দেয়ার কষ্ট503;�� ও সময় সাপেক্ষ কাজ এগিয়ে চলেছে।
‘ছোট ভাই, এ ষ্পেশালাইজড কাজেও দেখছি আপনি দক্ষ।’ কাজ করতে করতেই এক সয় বলে উঠল সুষ্মিতা বালাজী আহমদ মুসাকে লক্ষ্য করে।
কাজ থেকে চোখ না সরিয়েই আহমদ মুসা উত্তরে বলল, ‘আমার ক্ষেত্রে এমত ঘটনা এত বেশি ঘটেছে যে, দেখতে দেখতে সব মুখস্থ হয়ে গেছে।’
‘ছোট ভাই, এতদিন আপনার কথা �ড়েছিhi">শুনেছি। কিন্তু আজ চোখে দেখলাম, আপনি কি! আপনি কি করে জানলে যে সেতারের খোলসে ষ্টেনগান আছে, কি করেই বা বুঝলেন সে ষ্টেনগানটির ট্রিগার কোথায়, কিভাবে ব্যবহার করতে হবে! পাল্টা আঘাত করার সময়টাই বা কিভাবে বেছে নিলেন! চোখের পলকেই এমন ঘটনা ঘটলোই বা কিভাবে!’ একটা আহত স্থান সেলাইরত অবস্থায় বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘সবই আল্লাহর সাহায্য, আপা।’ বলল আহমদ মুসা।
‘আমি বুঝতে পারছি না ছোট ভাই, আপনি সেতারটা ওদের একজনের হাত থিকে নিয়েছিলেন সত্যি বাজনোর জন্যে, না আপনি অস্ত্র জেনেই ওটা হাত ��3;ষ ক��ছিলেন?’ একজনের সেলাইকরা আহত স্থানে ব্যান্ডেজ বাঁধতে বাঁধতে বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘আমার নিশ্চিত বিশ্বাস হয়েছিল যে, সেতারের খোলসে ওগুলো আসলে অস্ত্র। অস্ত্র হিসেবেই সেতারটা আমি হাত ��3;ষ ক��ছিলাম।’ বলল আহমদ মুসা।
‘আপনার এ নিশ্চিত বিশ্বাস জন্মাবার কারণ?’ প্রশ্ন করল সুষ্মিতা বালাজী। হাতের কাজটার উপর চোখ দ� ক��খেই।
‘সে অনেক কথা। দেওবার কাজ থেকে খবরগুলেঅ জানার পর পর্যট503;��ের আগমনকেই আমি সন্দেহ ��3;ষ ক��ছিলাম। দু’জন পুলিশের আকার-আকৃতি ও আচার-আচরণের কথা �নে আমি বুঝ� ক��ছিলাম। ওরা আসলে পুলিশ নয়। পুলিশ সাজিয়ে আনা হয়েছে মানুষকে ভয় দেখাবার জন্যে এবং বাড়তি সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে। তারপর ওরা এলে ওদের একজনকে আমি চিনতে পারি। স্বামী স্বরূপানন্দের বন্দীখানidi494; থেকে বেরুবার সময় ওকে আমি দেখ����ছিলাম। সে আমাকে চিনতে পেরেছিল এবং তার সাথ� �496; সবাইকে ইংগিতে জানিয়ে দিয়েছিল। ঐ লোকটিই আমাদের প্রতি ষ্টেনগান তাক ��3;ষ ক��ছিল। আহমদ মুসা বলল।
‘যদি সেতারটি আপনি নidi494; নিতে পারতেন কিংবা আপনি যদি গুলী করার সুযোগ নidi494; পেতেন, তাহলে কি ঘটত তা ভাবতেও ভয় লাগছে। বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘আপনা, কখনও কোন সংকটই নিশ্ছিদ্র হয় নidi494;। প্রত্যেক সংকটের সাথ� ক�� সংকট উত্তরণের সুযোগও থাকে। প্রয়েজন হলো স� ক�� সুযোগ বের করে নেয়া এবং সদ্ব্যবহার করidi494;।’
‘কিন্তু সুযোগ সব সময় বের করা নidi494;ও যেতে পারে, বা স� ক�� সুযোগের সদ্ব্যবহার সমy: ; 9;ভব নidi494;ও হবে পারে।’ বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘হ্যাঁ আপা। আল্লাহর ইচ্ছা হলে সেটidi494;ও হতে পারে।’ আহমদ মুসা বলল।
‘জীবন-মৃত্যুকে এমন পাশাপাশি দেখ����ও আপনার ্কটুকুও ভায় করে না?’ সুষ্মিতা বালাজী বলল।
‘আমাদের ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআনে রয়েছেhi">‘আমার জীবন, মরণ, সাধনা, কুরবানী সব বিশ্বনিয়ন্তা মহান আল্লাহর জন্যে।’ এটা যদি বিশ্বাস হয় তাহলে ভয় কোত্থেকে আসবেhi">’ বলল আহমদ মুসা।
‘কিন্তু আপনার স্ত্রী আছে যাকে আপনি অত্যন্ত ভালবাসেন, আপনার সোনার টুকরো সন্তান আছে, যে আপনার কাছে আপনার চেয়ে প্রিয়। জীবন-মৃত্যুর এই ধরনের চরম সন্ধিক্ষণে তাদের স্মরণ আপনাকে দুর্বল করে না?’ ��2496; শú�ান্ডেজটি সমy: ; 9;পন্ন হওয়ার পর আহমদ মুসার দিকে মুখ তুলে বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘আপা, আমাদের কুরআন শরীফের আর একটি আয়াতে বলা হয়েছে যে, নিজের পিতা, নিজের সন্তান, নিজের ভাই, নিজের পত্নী, নিজের জাতিhi">গোষ্ঠী, নিজের অর্জিত সমy: ; 9;পদ, নিজের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নিজের বাড়িhi">বাসস্থান থেকে আল্লাহকে, তার রসূলকে এবং আল্লাহর পথ� ক�� সংগ্রামকে বেশি ভালবাসতে হবে।’ এটা যেহেতু আমার ঈমান, তাই সন্তান ও স্ত্রীকে আমি বড়2503;ষ ক�� দেখব কি করেhi">’
সঙ্গে সঙ্গেই সুষ্মিতা বালাজী বলে উঠল, ‘কিন্তু আপনার এই সংগ্রাম তো আল্লার জন্যে, তার রসূল স.-এর জন্য নয় কিংবা তার পথের জন্যে সংগ্রাম নয়।
হাসল আহমদ মুসা। বলল, ‘আমি যা করছি তা আল্লার পথের সংগ্রাম হিসেবেই করছি। মজলুম, অত্যাচারিতদের সাহায্যে এগিয়ে যাবার জন্যে আল্লাহ �ধু নির্দেশই দেননি বরং যারা আর্ত মানবতার সাহায্যে এগিয়ে যায় নidi494;, তারা কেন যায় নidi494; এ নিয়ে আল্লাহ �াদ;ষ ক�� অভিযুক্তও করেছেন। আমাদের ধর্মগ্রন্থ আল কুরআন� ক�� বলা হয়েছেhi">‘তোমাদের কি হলো যে, তোমরা যুদ্ধ করছ নidi494; আল্লাহর জন্যে এবং অসহায় নরhi">নারী ও শি�দের জন্যে যারাhi">ফরিয়াদ করছে, হে আল্লাহ �ই যালেমের জনপদ হতে আমাদে অন্যত্র নিয়ে যাও..........।’ আল্লাহর এই আদেশ অনুসারে প্রত্যেক অত্যাচারিত, মজলুম মানুষের জন্য সংগ্রাম করা আল্লাহর পথ� ক�� কাজ করidi494; একই কথা। আমি তো এই কাজের জন্যে আন্দামানে এসেছি এবং এই কাজ করছি।’
সুষ্মিতা বালাজীর চোখ দু’টি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। স� ক�� রক্তভেজা তুলা, ব্যান্ডেজের বর্জ সবকিছু একসাথ� ক�� একটা প্লাস্টিকের প্যাকেটে তুলতে তুলতে বলল‘বিষ্মিত হচ্ছি ছোট ভাই, আপনাদের ধর্মে দেখছি সব বিষয়ে কথা �ছে, নির্দেশ �ছে, নিয়ম �ছে। আপনার ��2496; শú�দ্ধৃতি যদি কুরআন� ক��র কথা �য়, তাহলে তো বলতে হবে, কুরআন মুসলমানদের জন্যে নয়, কুরআন মানুষের জন্যে। আর আপনার ধর্ম �ধু নয়, জীবন-ধর্ম, জীবন্ত ধর্ম।’
সুষ্মিতা বালাজীর কথা ী শú�তেই ড্যানিশ দেবানন্দ বলল, ‘থাম �াম �ুসি, এই কিছুক্ষণ আগে তুমি বললে আমি নাকি ছোট ভায়ের ধর্মকে ওয়াকওবার দিয়েছি। কিন্তু এখন তো তুমি ডাবল ওয়াকওভার দিলে।
সুষ্মিতা বালাজী দ্রুত মুখ ঘুরিয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিল। আহমদ মুসা আগেই বলে উঠল, এ প্রসঙ্গ এখন থাক আপনা। ওদিকে আমাদের মনোযোগ দেয়া দরকার। গ্রামবাসীদের কিছু বলুন। আহতদের কোথায় পাঠাবেন বা রাখবেন স� ক�� ব্যবস্থা করidi497;ন।
‘ধন্যবাদ ছোট ভাই।’ বলে সুষ্মিতা বালাজী তাকাল ড্যানিশ দেবানন্দের দিকে। বলল‘দিওবা, অংগি গ্রামবাসীদের কিছু বলেছে। তুমিও ওদের কিছু বল। লাশগুলো কি করবে, ওদের লাগেছর কি হবে, সব ব্যাপারে ওদের নির্দেশ �িতে হবে।’ বলল সুষ্মিতা বালাজী।
ড্যানিশ দেবান্দ তাকাল আহমদ মুসার দিকে। বলল, ‘লাশগুলো ও লাগেজের কি হবে এ ব্যাপারে আপনার পরামর্শ কি?’
‘লাশগুলো বয়ে নিয়ে পাহাড়ের ওপারে রাস্তার পাশে রাখা ওদের গাড়িতে তুলে রাস্তার পাশেই গভীর খাদে ঠেলে ফেলে দিতে হবে। আর এদের পকেটের টাকা-পয়সা, লাগরজর জিনিসপত্র সবকিছু গ্রামবাসীদের কল্যাণ-ফান্ডে জমা দি। অস্ত্রগুলো আপনার অস্ত্রগারে রাখুন। আর গ্রামবাসীদের বলুন ১২জন পর্যট503ের এই উপত্যকায় আসাসহ �া কিছু ঘটেছে যেন তারা ভুলে যায়। ��3েউ অনুসন্ধানে এলে তারা কিছুই জানে নidi494; বলবে।’
‘চমৎকার ছোট ভাই। এমন সমাধান দিয়েছেন যার কোন বিকল্প ন� ক��ই। ধন্যবাদ।’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
সুষ্মিতা বালাজীরও চোখ দু’টি বিমুগ্ধতায় উজ্জ্বল। বলল, ‘আমারও ধন্যবাদ নিন ছোট ভাই। কিন্তু একটা কথা, সব��2496; শে আপনি যে গ্রামবাসীদের মিথ্যা কথা বলার পরামর্শ দিলেন?’
‘না, ওটা মিথ্যা বলা নয় আপা। যুদ্ধের একটা কৌশল ওটা। যুদ্ধক্ষেত্রে ��2496497;ত্রুকে বিভ্রান্ত করidi494; যুদ্ধেরই একটা অস্ত্র। স� ক�� অস্ত্রই আমরidi494; প্রয়োগ করেছ।’
হাসল সুষ্মিতা বালাজী। ড্যানিশ দেবানন্দও হাসল।
বলল সুষ্মিতা, ‘বুঝেছি ছোট ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে। কথাটা আমরidi494;ও অন্যভাব� ক�� জানতাম। কিন্তু আপনি একে যে ‘তাত্বিক রূপ’ দিয়ে প্রকাশ করলেন তা অবিস্মরণীয়। আপনাদের আবারো ধন্যবাদ।’
‘আমার পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ।’ বলে উঠে দাঁড়াল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘দেখি আমাদের লোকদের সাথ� ক�� কথা বলি।’ বলে ড্যানিশ দেবানন্দ গ্রামবাসীদর দিকে এগুলো।
আর আহমদ মুসা ও সুষ্মিতা বালাজী পানি ভর্তি বালতির দিকে এগুলো। জারওয়া ইতিমধ্যেই বালতিতে ��3;ষ ক�� পানি, সাব� �494;নতোয়ালে এন� ক��ছিল।
রাত কথন ১০টা।
আষাঢ়ে মেঘের মত মুখ ড্যানিশ ও সুষ্মিতা বালাজী দু’জন� ক��রই। তারা বস� ক�� আছে এক সোফায় পাশাপাশি।
তাদের সামন� ক�� আর এক সোফায় বস� ক�� আছে আহমদ মুসা। গমy: ; 9;ভীর তার মুখ।
‘আজ রাতে এখনই চলে যাবেন, এটা সত্যি ফাইনাল’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ। তার গলায় ক্ষোভের সুর।
‘হ্যাঁ, যেতে হবে ভাই সাহেব।’ বলল আহমদ মুসা।
‘হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত কেন?’ সুষ্মিতা বালাজী বলল। তার কণ্ঠ ভারী।
‘স� ক�� কথা বলঅর জন্যেই তো ডেকেছি আপা আপনাদের।’ বিকেল থেকে এ পর্যন্ত যা জানতে পেরেছি তাতেই এ সিদ্ধান্ত আমাকে নিতে হয়েছে।’
‘আজ এতবড় ঘট50�idi494; এখান� ক�� ঘট50�। রাতেই আপনি চলে গেলে কেমন হবে। আমার জীবনে এমন ঘট50�idi494; ঘটেনি। এ গ্রামেও নয়। ��3োন কিছুতেই ভয় আমার ন� ক��ই। এই অঞ্চলকে অপরাধ মুক্ত করতে সব রকম ক্রিমিনালদের সাথ� ক�� লড়তে হয়েছে আমাদের। কিন্তু আজ যা ঘট50� তা নতুন। আর এর সাথ� ক�� আমার পুরানো ��2496509;রত্রুর যোগ রয়েছে। তাই বলছিলাম, ‘দু’একদিন থাকলে ভাল হতো।’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘আমি এ দিকটা চিন্তা করidi503;ছি ভাই সাহেব। নিহত বারজন� ক��র কাছ থেকে যে মোবাইলগুলো পেয়েছি, সেসব চেক করতে গিয়ে শংকরাচার্যের মোবাইল নামy: ; 9;বার পেয়ে যাই। আমি তাকে বলেছি, তার পাঠানো বারজন খুনিকেই আমি ��2496; শú�রidi503;ছি। আমি আসছি পোর্ট ব্লেয়ারে।’
‘স� ক�� কি পোর্ট ব্লেয়ারে �ছে?’ ড্যানিশ দেবানন্দ বলল।
‘স� ক��ও বলেনি। আমিও জানি না। জিজ্ঞাসাও করিনি। আমি চেয়েছি তার দৃষ্টি এই উপত্যকা থেকে পোর্ট ব্লেয়ারের দিকে সরিয়ে দিতে।’
‘ধন্যবাদ ছোট ভাই। আপনি সত্যিই গ্রেট। আপনি কত বড় আপনিই জানেন না। আপনি উপত্যকার অসহায় লোকদের বাঁচিয়েছেন। আমার বুকের উপর থেকে একটা পাথর ন� ক��মে গেল। জানি এই আদিবাসী লোকরা ভাই-বোন� ক��র চেয়েও আমার কাছে বড়। �করাচার্যের মত যে শয়তান আমার পরিবার ধ্ব496434;স250�রidi503;ছে, আমাদের বনবাসী করidi503;ছে, স� ক��ই শয়তান শকুন দৃষ্টি আমার উপত্যকায় সরল সহজ, দরিদ্রলোকদের উপর নidi494; পড়ুক, এটা চাচ্ছিলাম। �ন� ক�� হয় আমার ভাব� �494;র আগেই আপনি আমার চাওয়া পুরণ করidi503;ছেন। ��3েউ সব মানুষকে ভাল নidi494; বাসলে এমনভাব� ক�� আগাম ভাবতে পারে �া। ছোট ভাই আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয় আপনি মানুষকে ভালবাসেন।’
আহমদ মুসা মুখ খুলেছিল কিছু বলর জন্যে। ��3িন্তু তার আগেই সুষ্মিতা বালাজী বলল আহমদ মুসাকে লক্ষ্য করidi503;, ‘এত করidi494;র মধ্যেও’ ��3িন্তু বুঝা গেল নidi494; কেন আপনাকে এই রাতে যেতে হবে।’
‘বলছি স� ক�� কথা। আমি ��2496434;করাচার্যকে টেলিফেন করidi503;ছিলাম তাকে জানাব� �494;র জন্যে যে, সে যে বারজনকে পাঠিয়েছিল আমাকে ধরে �িয়ে যাব� �494;র জন্যে, তারidi494; সবাই খতম হয়ে গেছে। আমি আসছি পোর্ট ব্লেয়ারে। সঙ্গে সঙ্গেই স���� আমাকে বলেছে, শাহ্ বানু ও সাহারidi494; বানু এখন তার হাতের মুঠোয়। আমি যদি আগামীকাল সকাল ৮টার মধ্যে তাদের হাতে �িজেকে সোপর্দ না করidi495;, তাহলে শাহ্ বানু সাহারidi494; বানু আগামীকালই ধর্ষিতা হবে এব496434; লাঞ্ছিত জীবন যাপন� ক�� তাদের বাধ্য করidi494; হবে। আমি জানি সে যা বলছে, তা করবে। এই অবস� ক9;থায় তাদের হাতে �িজেকে সোপর্দ করidi494; ছাড়idi494; আমার উপায় ন� ক��ই। তাই সকালের মধ্যেই আমাকে পোর্ট ব্লেয়ারে �ৌঁছতে হবে।’
আহমদ মুসার কথা ��2496; শ হব� �494;র আগেই আর্তনাথ করidi503; উঠেছে ড্যানিশ দেবানন্দ ও সুষ্মিতা বালাজী দু’জন� ক��ই। বিষ্ময়-বú��দনায় ছানাবড়idi494; হয়ে গেছে দু’জন� ক��র চোখ।
আহমদ মুসা থামলে কথা বলতে চেষ্টা করল সুষ্মিতা বালাজী। ��3িন্তু পারল নidi494;। প্রবল এক উচ্ছ 9;বাস তার জিহব� �494; ও কণ্ঠকে যেন আড়ষ্ট করidi503; দিল।
কথা বলে উঠল ড্যানিশ দেবানন্দ। বলল, ‘ছোট ভাই আপনি একথাগুলো স� ক9;বপ্ন� ক�� বলছেন না বাস্তবে বলছেন? আপনাকে ওরidi494; হাত পেলে কি করবে জানেন’
‘আমি স� ক�� কথা ভাবছি না। আমি ভাবছি, আমার নidi495;জেকে বাঁচাব� �494;র যেটুকু ক্ষমতা আছে, স� ক��টুকু ক্ষমতা শাহ্ বানু সাহারidi494; বানুর ন� ক��ই। আর আমি ওদের হাতে �য়তো কষ্ট পাব, ��3িন্তু তাতে �মার অসমy: ; 9;মান হবে না, আমার জীবনও নষ্ট হবে না, ��3িন্তু শাহ্ বানুরidi494; হারাবে সবকিছু। আমার সজ্ঞানে �মাদের মা-বোনকে এইভাব� ক�� ওদের হাতে �েড়ে �িতে পারি না। বলল আহমদ মুসা।
‘আপনার কথা আমি অস্বীকার করি না। ��3িন্তু এরপরidi503;ও বলল আপনার জীবন কি ওঁদের নidi495;রাপত্তার বিনিময় হতে পারে? আপনাকে এভাব অবমূল্যায়ণ করার অধিকারি কি আপনার আছে।’ আবú��গকম্পিত কণ্ঠে সুষ্মিতা বালাজী।
‘আপা, এমনি ব� �494; আমার অজ্ঞাতে তাদের একটা কিছু যদি হয়ে যেত, তাহলে সান্তনার একটা সুযোগ ছিল। ��3িন্তু তারidi494; এ বিষয়ে ঘোষনা দেয়ার পর এব496434; আমি তা জানার পর, তাদের সমy: ; 9;মান শুধু জাতির সমy: ; 9;মান নয় গোটা মানব জাতির সমy: ; 9;মানের মত বিশাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করidi503; তাদের রক্ষা পাওয়ার একটা উপায় আমার সাথ� ক�� যুক্ত হব� �494;র পর, আমার দায়িত্ব সবচেয়ে বেড়ে �েছে। এ দায়িত্বের আহব� �494;নে �মাকে সাড়idi494; দিতেই হবে।’ বলল আহমদ মুসা। আগেব উত্তেজনাহীন শান্ত কণ্ঠ আহমদ মুসার।
হাতাশidi494; ও অসহায়তার অন্ধকার ন� ক��মেছে সুষ্মিতা বালাজী ও ড্যানিশ দেবানন্দ����র চোখে-মুখে।
মুষড়ে �ড়েছে সুষ্মিতা বালাজীই বেশি। তার শুকনো ঠোঁট দু’টি উত্তেজনায় কাঁপছে। স� ক�� কম্পি কণ্ঠে বলল, ‘��3িন্তু ওদরে �াতে �রidi494; দিলেই যে ওঁরidi494; ছাড়idi494; পাবেন ব� �494; রক্ষা পাবেন, এর কোন গ্যারান্টি আছে? আমার বিশ্বাস ওরদর সাথ� ক�� আপনাকেও হাতে �াবার ওদের একটা ফাঁদ এটা। যদি তাই হয়, তাহলে সবাই শেষ হবে। অতএব অনিশ্চয়তা মাঝ এ ঝঁকি নিতে পারেন না।’ কান্না রুদ্ধ কণ্ঠে বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘আপনার কথায় যুক্তি আছে। হয়তো এটাই ঘট50�ে। ��3িন্তু এই যুক্তির আড়াল নিয়ে আমি বস� ক�� থাকতে পারি না। বিপদগ্রস্তকে বাঁচানোর চেষ্টা করidi494; দায়িত্ব, চেষ্টার ফল হিসাব করidi503; নয়। আপনি যেটা বলেছেন, হতে পারে এটা তাদের ফাঁদ। ��3িন্তু ফাঁদ পেতে তারidi494; জয়ী হবে একথাও তো নিশ্চিত করidi503; বলা যাব� �503; না।’ বলল আহমদ মুসা।
‘এছাড়idi494; সামন� ক�� এগুব� �494;র আর কোন রাস্তা নেই?’ বলল ড্যানিশ
‘ভেব� �503; দেখেছি। আর কোন পথ ন� ক��ই।’ আহমদ মুসা বলল।
‘এখন দেখছি এই উপত্যকার নidi495;রপত্তার কথা ভেব� �503; টেলিফোন করতে গিয়ে এই বিপিদে পড়েছেন। আপনাকে না পেলে এই আলটিমেটাম দিতে পারতো না। শাহ বানুদের উপরও তাহলে এই বিপদ চাপতো না।’ শুকনো কণ্ঠে বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
হাসল আহমদ মুসা। বলল, ‘ভাই সাহেব, আল্লাহর প্রতি ব� �495;শ্বাস আপনি আরও দৃঢ় করidi497;ন। যা ঘট50�� �503; তাই ��3িন্তু ঘটে যায়, ��3ার্যকারণের দিক থেকে ভাল-মন্দ যাই হোক। আমার টেলিফোন করা, এই সংকট সৃষ্টি হওয়া সবই অদৃশ্য এক পরিকল্পনার অংশও হতে পারে। সুতরাং ধৈর্য ধারণ করidi503; করণীয় কাজ করidi503; যাওয়াই মানুষের কাজ।’
‘আপনার সব কথাই সত্য ছোট ভাই। ��3িন্তু বিষয়টাকে আপনি যত হালকা করidi503; দেখছেনম, ততো সহজ নয় ব্যাপারটা। একজন ব� �494; দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচাব� �494;র জন্যে আপনি মৃত্যুদণ্ড নidi495;জে গ্রহণ করছেন। ��3োন বোন তার ভাইকে এ অনুমতি দিতে পারে না। ��3িন্তু আমি সত্যিই তো বোন নই।’ আবú��গ-কম্পিত গলায় বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘ছোট ভাই, উত্তর দিন এব496494;রidi404;’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘যার বড় বোন ��3োন দিন ছিলই না, সে কাউকে বড় বোন হিসাবে পেলে তার সাথ� ক�� ‘বড় বোন’-এর মতই ব্যবহার করবে । ��3ারও আপন বোন থাকলেই শুধু স� ক�� ‘পাতানো বোন’-ক� ক�� ‘পাতানো’ বলে বুঝতে পারে। আমার সে সুযোগ ন� ক��ই।’
বলে একটু থামর আহমদ মুসা। তারপর মুখ তুলে তাকাল ড্যানিশ দেবানন্দ ও সুষ্মিতা বালাজীর দিকে। ঠোকে হাসি আহমদ মুসার। বলল, ‘ভাই সাহেব, আপপ, আমি ��3ার দণ্ড নidi495;জের মাথায় তুলে নidi495;চ্ছি না। অন্যের প্রতি আমার দায়িত্বের কথা যখন ভাব� �495;, নidi495;জের প্রতি দায়িত্বের কথাও আমি মন� ক�� রাখি। আজ আমি যখন শাহ্ বানুদের সাহায্য করতে যাচ্ছি, তখন আমার নidi495;জের প্রতি দায়িত্বের কথাও আমি অবশ্যেই ভাবছি। ��3িন্তু আমি আমাকে কতটুকু সাহায্য করতে পারবো, স� ক��টা আল্লাহই ভাল জানেন&di404;’
‘ধন্যবাদ ছোট ভাই, আপনার কথা বুঝেছি। ��3িন্তু শত্রুদের হাতে �ুলে দেয়া ��3ি আপনার নidi495;জের প্রতি অবিচার নয়? এর পর দায়িত্ব পালন করবেন ��3িভাব� ক��?’ বলল সুষ্মিতা বালাজী।
‘আমি জানি না ��3িভাব� ক��, ��3িন্তু করব এটা আমি জানি। ��3ঠিন ব� �495;পদের মধ্যে পদে পদে আমি আল্লাহত সাহায্য পেয়েছি, একনও আমি তাঁরই সাহায্য প্রার্থী।’
সুষ্মিতা বালাজী রুমাল দিয়ে চোখ মুছে বলল, ‘জানি আপনি আহমদ মুসা। মজলুম মানুষের জন্যেই আপনি আজ যাযাবর। ঈশ্বরের অফুরন্ত ভালোবাসা আপনার সাথ� ক�� আছে। আমরা যা বলেছি সেটা আমাদের চাওয়া। ��3িন্তু আমাদের চাওয়া আহমদ মুসাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তবে খুশি হয়েছি যে, নidi495;জের প্রতি দায়িত্বের কথা আপনি ভুলে থাকেন না। আমাদের উদ্বú��গের জবাব এর মধ্যে দিয়ে দিয়েছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।’ থামল সুষ্মিতা বালাজী। শুকনো কণ্ঠ তারidi404;
‘যাব� �494;র ছাড়পত্র পেয়ে গেলে ছোট ভাই। আপনি এমন এক পাথি, যে গাছ তেকে একবার ওড়েন, সে গাছ� ক�� আর ফিরো আসার সুযোগ হয় না, এটাই দুঃখ। এখন মন� ক�� হচ্ছ 3; এই কয়টা দিন জীবনে না এলেই ভাল হতো। ব� �495;দ্যুৎ চমকের পর যে অন্ধকার ন� �494;মে, স� ক��টা আরও কষ্টকর।’ ড্যানিশ দেবানন্দ তার কথা হাসি দিয়ে শুরু করলেও তার কণ্ঠ শেষে ভারাক্রান্ত হয়ে উঠল।
হাসল আহমদ মুসা। বলল, ‘মন� ক�� রাখবেন ভাই সাহেব, আপন� �494;দের আলোর জীবনে না নিয়ে এসে আমি আন্দামান থেকে উড়ব না।’
‘এই উপত্যকাকে অন্ধকার করidi503; নয় ��3িন্তু।’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘এনই উপত্যকা আজ নidi495;জের আলোতেই আলো��3িত। গোটা আন্দামান যদি এই উপত্যকা হতো তাহলে কতই না ভাল হতো!’ আহমদ মুসা বলল।
‘আপনাকে ধন্যবাদ ছোট ভাই উপত্যকাবাসীর পক্ষ থেকে। একটা কথা ছোট ভাই, এভাব� ক�� চলে গিয়ে ��3িন্তু দু’জন ন�#�ুন মুসলিম সদস্য হারালেন&di404;’ বলে হেসে উঠল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘হারালাম ��3োথায়? তাঁরা তো মুসলিম সদস্য হয়ে গেছেন। এই উপত্যকায় তাদের রেখে গেলাম ন�#�ুন ব� �495;শ্বাসের আলো জ্বালাব� �494;র জন্যে।’
‘��3িন্তু তারidi494; দু’জন তো এ ঘোষণা দেয়নি।’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘এটা ঘোষণার ব্যাপার নয়, বিশ্বাস ও মননের পরিবর্তনের বিষয় এটা। এই পরিবর্তন সংঘটিত হলে ঘোষণার ব্যাপার স্বতঃস্ফুর্তভাব� ক��ই ঘটে যায়। আমি জানি এ পরিবর্তন দু’জনের মধ্যে এসেছে। এরখন আপন� �494;দের সাক্ষী মানছি, বলুন পরিবর্তন এসেছে ��3িনা।’ আহমদ মুসা বলল।
‘সুসি, অস্ত্র তো বুমেরাং হলো। এখন সাক্ষী দাও। ��3ি বলব� ক��, বল।’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
হাসল সুষ্মিতা বালাজী। বলল, ‘ভাই সাক্ষী দেবার পর বোনের সাক্ষী দেবার প্রয়োজন আছে? এখন আপন� �495;ই বলুন ছোট ভাইয়ের সাক্ষী আপনি গ্রহণ করছেন ��3িনা।’
‘তোমরা ভাই-বোন দেখছি আমাকে ট্রাপে ফেলার চেষ্টা করছ।’ বলল ড্যানিশ দেবানন্দ।
‘আমরা ট্রাপে ফেললাম ��3োথায়।’
‘আপনি না আগেই কনফেস করidi503;ছেন।’ আহমদ মুসা বলল।
‘��3িভাব� ক��?’ ড্যানিনশ দেবানন্দ বলল।
‘আপনি দু’জন ন�#�ুন মুসলিম সদস্য’ হারাবার কথা বলেছেন। তার অর্থ এই যে, আপনারা দু’জন মুসিলিম সদস্য হয়ে গেছেন।’ আহমদ মুসা বলল।
হেসে উঠল ড্যানিশ দেবানন্দ।
হাসি থামিয়ে মুহূর্তেই সে আবার গম্ভীর হয়ে উঠল। বলল, ‘ব� �495;শ্বাসের পরিবর্তন জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময়-সাপেক্ষ সিদ্ধান্তের ব্যাপারও। ��3িন্তু এ তত্বকতা ��3োনই কাজে লাগল না। আপনি এলেন এব496434; জয় ��3রে নিলেন। আপনাকে ধন্যবাদ ছোট ভাই।’
‘না ধন্যবাদ, মোবারকবাদ আপন� �494;দের জন্যেই। সত্যকে এত দ্রুত চিনতে পারা, বুঝতে পারা এব496434; গ্রহণ করতে পারার শক্তিই আসলে ধন্যবাদযোগ্য।’ আহমদ মুসা বলল।
‘না ছোট ভাই, বিশ্বাস অশরীরী বস্তু। � ওকে দেখা যায় না, চেনা যায় না। এই অশরীরী গুণাত্বক বস্তুটি শরীরী রূপ নিয়ে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে মানুষের মধ্যে। আপনার মধ্যে আপনার ধর্মকে এমন জীবন্ত ও পরিপূর্ণরূপে আমরা প্রত্যক্ষ করidi503;ছি। শতদিন শত মাসের গড়া, দেখা ও অনুভব শত ঘন্টায় আমাদের হয়ে গেছে। ছাত্রজীবনে ও করidi509;মজীবনে ঢুকে অনেক মুসলমানকে আমরা দেখেছি, ��3িন্তু ব� �495;শ্বাসের এই রূপ আমরা দেখিনি। তাই তাদের দিখে চোখ ফিরানোরও সুযোগ হয়নি। শিক্ষার চেয়ে দৃষ্টান্ত বড়্ শিক্ষার মধ্যে দৃষ্টান্ত থাকে না, ��3িন্তু দৃষ্টান্তের মধ্যে শিক্ষাও থাকে। সুতরাং আমাদের সৌভাগ্যমুখী পরিবর্তনের জন্যে ধন্যবাদ আপনারই প্রাপ্য।
‘ওয়েলকাম ভাই সাহেব। এখন…।’ ��3থা এগুতে পারল না। আমহদ মুসা। থেমে যেতে হলো।
সুষ্মিতা বালাজী উঠে দাঁড়িয়ে ��3থার মাঝখানে বলে উঠেছে, ‘আসুন আমরা একসাথ� ক�� প্রার্থনা করি। আপনার নidi494;মাজে দেখে নidi494;মাজের ট্রেনিং আমাদের হয়ে গেছে। ইন্টারনে থেকে ওজু ও নidi494;মাজের নিয়ম ��3ানুন শিখছি, আরবীও শিখছি। ��3িন্তু আনুষ্ঠানিকভাব� ক�� নidi494;মাজ আমরা পড়তে শুরু করিনি। আনুষ্ঠানিক শুরুটা আপন� �495;ই উদ্বোধন করে দিয়ে যান।’
বলে সুষ্মিতা বালাজী ছুটে গিয় পরিস্কার সাদা চাদর বিছানোর কাজে লেগে গেল।
আহমদ মুসা ও ড্যানিশ দেবানন্দও উঠে দাঁড়াল।
দু’জন ওজুর জন্যে এগুচ্ছিল। ড্যানিশ দেবানন্দ বলল, ‘ছোট ভাই আপনি হয়তো কতকটা রসিকতা ��3রেই এই উপত্যকায় আলো জ্বালাদার দায়িত্ব আমাদের দিয়েছেন। ��3িন্তু আপনার কার্যক্রম আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। আমি একটা মহান কাজ পেয়ে গেছি ছোট ভাই। আমি খুশি হয়েছি।’
‘আল্লাহ আপনার সহায় হোন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
তারidi494; ওজুর জন্যে দু’জন দু’বেসিনে চলে গেল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now