বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমিও যে ভালোবাসি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাকারিয়া আহমেদ (০ পয়েন্ট)

X বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে আসার পর যখন জানতে পারলাম, এটা আমায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে আর আমি তার দ্বিতীয় স্ত্রী, আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। শুধু তাই নয়! প্রথম স্ত্রীর ঘরে একটা মেয়েও আছে চার বছরের। হয়তো জানতেই পারতাম না, যদিনা শ্বশুরবাড়িতে পা রাখতেই সৈকতের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে স্পর্শ এসে আমাকে আম্মু বলে জড়িয়ে না ধরতো। মেয়েটাকে জন্ম দিতে গিয়ে প্রথম স্ত্রী মারা যায়। আমার স্বামী সৈকতের এত বড় প্রতারণা আমি কিছুতেই মানতে পারিনি। পরের দিনই রাগ করে বাবা- মায়ের কাছে ফিরে এলাম। ভেবেছিলাম বাবা-মা অন্তত আমাকে সাপোর্ট করবে। কিন্তু, আরো বেশি কষ্ট পেলাম যখন জানলাম, সৈকতের ব্যাপারে কোনো কিছুই তাদের অজানা নয়। জেনে শুনেই আমাকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু আমিই কিছু জানি না। আর সৈকত বাবার অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। আমি চলে আসার সময় সৈকত বারবার বলেছিলো,"বিশ্বাস করুন আশা, আমি আপনার বাবা মাকে সব কিছু বলেছি। তারা সবটাই জেনেই বিয়ে তে মত দিয়েছিলেন। আপনাকে যে এসবের কিছুই বলেনি, তা তো আমি জানতাম না।" আমি সৈকতের কথায় কানই দিইনি। আমার মাথায় আসেইনি আমার বাবা-মা জেনে শুনে এ বিয়ে দিতে পারে! এবার বাবা-মার ওপর খুব রাগ হলো। আমি কি এতটাই বোঝা হয়ে গিয়েছিলাম, যে এমন ছেলের সাথে আমার বিয়ে দিলো? মনে মনে ঠিক করে নিলাম, আমি সৈকতের সাথেই সংসার করবো। আর বুঝিয়ে দেবো,আমি কে। দুদিন পর সৈকত আর তার মেয়ে স্পর্শ আমাকে নিতে এলো। খুশি খুশি চলে এলাম শ্বশুরবাড়ি তে। মনের ভেতর কি চলছে বুঝতে দিলাম না। বাড়িতে সৈকত, স্পর্শ আর শ্বাশুড়ি আর আমি থাকি। এটাই আমার সংসার। সৈকত আমাকে বলল,"আমি জানি আপনি হয়তো রেগে আছো। বিশ্বাস করুন, আমি আপনাকে কষ্ট দিতে চাইনি। সত্যি বলতে বিয়ে টিয়ে করার ইচ্ছে আমার ছিলো না। আমার মেয়ে স্পর্শ ওর জন্মদিনে আমার কাছে এক অদ্ভুত আবদার করে বসলো। বাবা, আমার জন্য একটা মা এনে দেবে। ওর কোনো চাওয়া আমি অপূর্ন রাখি না। এটা অনেক কঠিন চাওয়া ছিলো। কিন্তু ওর জেদের কাছে হার মানতে হলো।" "আর তাই আপনি ছোট্ট মেয়ের কথা শুনে নাচতে নাচতে বিয়ে করতে চলে এলেন!" আমার কথা শুনে সৈকত আর কিছু বললেন না। নীরবে উঠে চলে গেলেন। স্পর্শ কে আমার এত বিরক্ত লাগে! কিন্তু পিচ্চি টা বুঝলে তো! সারাক্ষণ আম্মু আম্মু বলে আমাকে ডাকে। অসহ্য! আমি তার আম্মু হলাম কখন? দুপুরে একটু ঘুমিয়ে ছিলাম। স্পর্শ এসে আম্মু আম্মু বলে ডাকতে শুরু করলো। আমার ঘুম কেউ ভাঙালে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। রেগে একটা চড় মেরে দিলাম। কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে গেলো ঘর থেকে। রাতে খেতে বসে বলে দিলাম,"আমার ঘরে যেন যখন তখন কেউ না যায়। আমি ডিস্টার্ব ফিল করি।" দেখলাম কথায় কাজ হয়েছে। ঘরে কেউ আসছে না। খাবার সময় হলে শ্বাশুড়ি মা এসে ডাকলেন শুধু। একদিন রাতে শুয়েছি মাত্র। স্পর্শ দরজায় নক করতে লাগলো, "আম্মু, আম্মু, দরজা খোলো। আমি তোমার সাথে ঘুমাবো।" নাহ! এ পিচ্চি তো খুব জ্বালাচ্ছে! রাত দিন আম্মু আম্মু করে আমাকে বিরক্ত করছে। দরজা খুলে দিলাম,"কি হয়েছে? ডাকাডাকি কিসের?" স্পর্শ মাথা নিচু করে বলল,"একা ঘুমাতে ভয় করছে, তোমার সাথে ঘুমাই না আম্মু?" "তোমার বাবার সাথে গিয়ে ঘুমাও, দাদুর কাছে গিয়ে ঘুমাও! আমার কাছে কেন?" "বাবা বাসায় নেই, দাদুও নেই।" "কোথায় গেছে?" "আম্মুর কবর জিয়ারত করতে গ্রামে গেছে। দুদিন পর আসবে।" মনে মনে বললাম, ওরে আল্লাহ! আমাকে কি দুইদিন এই পিচ্চির ঘ্যান ঘ্যান সহ্য করতে হবে! "আসো, শুয়ে পড় আমার সাথে।" বলে দরজা আটকে দিলাম। স্পর্শ ঘুমিয়ে পড়লো। আমিও ঘুমাতে চেষ্টা করলাম কিন্তু ঘুম আসলো না কিছুতেই। হঠাৎ করে আমার জীবনটা কেমন যেন হয়ে গেলো। পড়াশোনা, ভার্সিটি, বান্ধবী সব মিলিয়ে তো ভালোই ছিলাম। বাবা কেন এমন ছেলের সাথে বিয়ে দিলো? এ বিয়ে আমি মানতেও পারছি না, আর পারবোও না। কিন্তু এভাবে তো চলতে পারে না! স্পর্শ ঘুমের মধ্যে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আমি প্রথমে ভাবলাম হাত সরিয়ে দেবো, কিন্তু ঘুমন্ত নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে কেমন মায়া লাগলো। আর ওর গুটি গুটি হাত দুটো দিয়ে এত শক্ত করে ধরেছে যে আর আমার ছাড়াতে ইচ্ছে করলো না। ছাড়ালে যদি পরীটার ঘুম ভেঙ্গে যায়! সকালে ঘুম ভাঙলো সুইট একটা কিস পেয়ে। স্পর্শ আমার কপালে চুমু দিয়ে বলল,"গুড মর্নিং আম্মু।" সৈকত কিংবা শ্বাশুড়ি মা থাকলে সিনক্রিয়েট করতাম। যেহেতু কেউ নেই, স্পর্শ কে আমাকেই সামলাতে হবে সুতরাং বকাবকি করে লাভ নেই। এত সুন্দর একটা গুড মর্নিং উইসের বদলে আমি গম্ভীরতা উপহার দিলাম। সারাদিন আমি নিজে কিছু খাইনি, শুয়েছিলাম। স্পর্শ খেলো কি খেলো না তারও খোঁজ নিইনি। খেয়েছে হয়তো কিছু। সন্ধ্যার সময় বসে আছি একা। আড় চোখে তাকিয়ে দেখলাম, স্পর্শ একটু পর পর দরজার পর্দা সরিয়ে আমাকে দেখছে। "এখানে এসো, ওভাবে লুকিয়ে দেখতে হবে না।" স্পর্শ হাসি মুখে ঘরে এলো। বলল,"আম্মু, তুমি তো সারাদিন কিছু খাওনি। তোমার জন্য চকলেট আর আইসক্রিম আনি?" আবার আম্মু আম্মু শুরু করেছে। কিছু বললেও এখন কাঁদতে বসবে। "না, আমি খাবো না। তুমি খাও।" "আ..চ্ছা" বলে স্পর্শ ঘর থেকে চলে গেলো। হঠাৎ করে খুব মাথা ব্যথা শুরু হলো। ওষুধ খেয়েও কমছে না। আগে যখন মাথা ব্যথা করতো, মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেই সেরে যেত। কিন্তু এখন মাথায় হাত বুলানোর জন্য মা নেই। মনে হচ্ছে আমার যেন কেউ নেই। আমি একদম একা। চোখ বন্ধ করে যন্ত্রনা সহ্য করে যাচ্ছি। একটু ঘুম ঘুম ভাব, মনে হলো কেউ আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। আমি ঘুমে তলিয়ে যাচ্ছি। যখন ঘুম ভাঙলো তখন রাত প্রায় সাড়ে দশটা। স্পর্শ আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। "আম্মু, মাথা ব্যথা সেরেছে? এখন কেমন লাগছে গো?" "ভালো লাগছে। আর হাত বুলাতে হবে না। তুমি রাতে খেয়েছো?" "না, তুমি না খেলে খাবো না।" এ মেয়ে খালি বিরক্তকরই নয়, ভালো ব্ল্যাকমেইলও করতে জানে। "না, খেলে না খাবে তাতে আমার কি! আমি খাবো না। যাও বেশি, কথা না বলে খেয়ে নাও গে।" "বললাম তো! তুমি না খেলে খাবো না।" ইশ! ভীষণ জেদি মেয়ে তো! ইচ্ছে না করলেও খেতে উঠতে হলো। আমার কারণে এই পিচ্চি টা না খেয়ে থাকবে, তার দায় নিতে রাজি নই। দুদিন কেটে গেলো। সৈকত আর শ্বাশুড়ি ‌মা ফিরে এসেছেন। স্পর্শ যখন তখন আমার কাছে আসছে, আম্মু বলে ডাকছে। দুদিন কিছু বলিনি বলে, মেয়েটা সাহস পেয়ে গেছে। শ্বাশুড়ি মা আমি বিরক্ত হচ্ছি বুঝতে পেরে বললেন,"বউমা, ও তো ছোট মানুষ! না বুঝে করছে, তোমাকে মা ডাকছে। তুমি কিছু মনে করো না। একটু সহ্য করো। আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো, যেন তোমাকে জ্বালাতন না করে।" "সেটাই, ওকে বুঝিয়ে দেবেন মা। আমি সত্যি বিরক্ত হচ্ছি।" বলে ফেললাম কঠিন কথা। কয়েকদিন স্পর্শ আসেনি আমার কাছে। সৈকত তো বেশিরভাগ সময় বাড়িতেই থাকেন না। সপ্তাহে দু একদিন বাড়িতে আসেন। বাকি সময় ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত। স্পর্শ সারাদিন তার দাদুর সাথে থাকে। আমি কেমন একা হয়ে গেছি। বাবা-মা ফোন করেন, কিন্তু আমি কথা বলি না। ইচ্ছে করে না। বান্ধবীরা ফোন দিয়ে সান্ত্বনা দেয়, তখন আরো মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। তাই ফোন অফ করে রাখি সারাদিন। এক বান্ধবী কে কল দেবো বলে যেই ফোন অন করেছি, সাথে সাথে একটা নাম্বার থেকে কল এলো। ধরতেই কেউ একজন বলল,"বাহ! তুমি তো খুব লাকি! বড় লোক সেকেন্ড হ্যান্ড জামাই পেয়েছো।" তারপরেই কেটে গেলো। সাথে সাথে কল দিলাম কিন্তু নাম্বার টা বন্ধ। ভীষণ মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো। এরই মধ্যে স্পর্শ এসে ঘ্যানঘ্যান করতে লাগলো। মনের যত রাগ ছিলো, সব পিচ্চি মেয়েটার ওপর ঝেড়ে দিলাম। আমার চেঁচামেচি শুনে শাশুড়ি মা এলেন। তিনি দ্রুত স্পর্শ কে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন ঘর থেকে। কেন জানি আমার খুব কান্না পেলো। রাগ- ক্ষোভ, অনুতাপের মিশ্র অনুভূতি, কয়েক ফোঁটা নোনা জলের সাথে বেরিয়ে গেলো। খুব খারাপ লাগছে। স্পর্শ তো একটা বাচ্চা মেয়ে। শুধু শুধু ওকে বকাবকি করেছি। দোষ ওর না, দোষ আমার কপালের। আমার ভাগ্যে হয়তো এটাই ছিলো। দরজায় খুট করে শব্দ হলো, স্পর্শ এসেছে। "আম্মু, তোমার কি মন খারাপ? আমি খুব সরি। আমি আর তোমাকে বিরক্ত করতে আসবো না। শুধু একটা কাজ করে দিবে?" শান্ত ভাবে বললাম,"কি কাজ?" "আমি তো লিখতে পারি না। আমাকে একটা চিঠি লিখে দাও।" "চিঠি! কাকে চিঠি দেবে তুমি? বাবাকে?" "না, আম্মুকে। আমি বলি তুমি লেখো।" বলে ও খাতা কলম এগিয়ে দিলো। "বলো, আমি লিখছি।" "প্রিয় আম্মু, কেমন আছো? আমি কিন্তু তোমাকে ছাড়া ভালো নেই। তুমি এত দুষ্টু কেন? আমাকে একা রেখে চলে গেলে। আমাকে কেউ ভালোবাসে না। বাবা সারাদিন কাজ করে, দাদু আদর করে কিন্তু মায়ের মত নাকি কেউ হয় না। আচ্ছা, তুমি যদি আমার সাথে থাকতে তাহলে কেমন হতো বলোতো? সবসময় লুকোচুরি খেলতাম। তোমার ছবি দেখে আর কতদিন! জানি তো আর আসবে না। কেমন হবে, যদি আমি তোমার কাছে চলে যাই........." স্পর্শর কথা শুনে আমার হাত থেকে কলম পড়ে গেলো। এ মেয়ে বলে কি! "আমি তোমার কাছে যেতে চাই। এই চিঠি পাওয়ামাত্র আমাকে এসে নিয়ে যেও। দুজনে একসাথে থাকবো, অনেক খেলবো" আমি ধমক দিলাম,"এই মেয়ে চুপ! কি সব বকছো? রাখো তোমার চিঠি। আমি লিখতে পারবো না।" স্পর্শ আমার গলা ধরে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে লাগলো। আহারে! মেয়েটাকে আমি অনেক বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলেছি। কয়েকদিনেই আমি আর স্পর্শ অনেক ক্লোজ হয়ে গেছি। মেয়েটাকে আমার আর বকতে ইচ্ছে করে না। রাতে আমার সাথে ঘুমায়। আমি জেগে জেগে পরীটার ঘুমন্ত নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। প্রায় দু সপ্তাহ পরে সৈকত বাসায় এলেন। রাতে খেতে বসে বললেন,"আমাকে ব্যবসার কাজে দেশের বাইরে যেতে হবে দুমাসের জন্য। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, স্পর্শ কে কোনো বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেবো। ওখানে পড়াশোনা করবে।" আমি বললাম,"চার বছর বয়স ওর। একা কিভাবে থাকবে? আর স্কুলে যাওয়ার বয়স ওর হয়নি সেটা জানেন নিশ্চয়ই?" "হ্যাঁ জানি। মা অসুস্থ্য। স্পর্শের খেয়াল রাখতে পারবে না। আপনাকে বিরক্ত করবে শুধু। তাই আগামীকাল ই ওকে স্কুলে রেখে আসবো।" সকালে সৈকত স্পর্শর সবকিছু গুছিয়ে ওকে রেডি করে দিলেন। স্পর্শ বুঝতেও পারছে না, ও কোথায় যাচ্ছে। ওর ধারনা, বাবা হয়তো বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে। স্পর্শ ওর বাবার সাথে গিয়ে গাড়িতে বসলো। আমার কেন যেন কষ্ট হচ্ছে! স্পর্শ কে তো বিরক্ত লাগতো। ও চলে যাচ্ছে, আমার খারাপ লাগছে কেন! আমি কি সত্যি সত্যি ওর আম্মু হয়ে গেলাম! গাড়ি স্টার্ট দিতেই আমি বললাম,"সৈকত, স্পর্শ কোথাও যাবে না।" "কেন? আপনার ভালোর জন্যই তো ওকে নিয়ে যাচ্ছি।" "বারে! আপনি মেয়েকে মায়ের কাছ দূরে নিয়ে যাচ্ছেন! এটাতে মায়ের ভালো হবে?" আমি স্পর্শ কে গাড়িতে নামিয়ে নিলাম। শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম পরীটাকে। "আম্মু!" স্পর্শ বলে উঠলো। "হু, আমি আম্মু। কখনো আমাকে ছেড়ে যেওনা সোনা।" সৈকত বলল,"ভেবে বলছেন তো?" স্পর্শ কে কোলে নিয়ে বললাম,"হ্যাঁ, ভেবে বলছি। আপনার স্ত্রী হয়ে উঠতে পারবো না হয়তো, তাই আমি আপনার স্ত্রী হিসেবে নয়, আমি স্পর্শের আম্মু হয়ে থাকতে চাই।" "তুমি সত্যি, আম্মু হয়ে থাকবে? আর বকবে না!" "না, একদম বকবো না, সোনা।" _________________________ "স্পর্শ কি করছিস মা?" আম্মুর গলা শুনে আমি তাড়াতাড় ডায়েরিটা ড্রয়ারে রেখে দিয়ে বললাম,"কিছু না আম্মু। এমনি বসে আছি।" "থাক আর লুকাতে হবে না। জানি বসে বসে আমার ডায়েরি পড়ছিস।" এই যাঃ ধরা খেয়ে গেলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আমিও যে ভালোবাসি
→ আমিও ভালোবাসি তোমায়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now