বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার আছে জল – ০১ম পরিচ্ছেদ
রেল স্টেশনের এত সুন্দর নাম আছে নাকি? “সোহাগী”। এটা আবার কেমন নাম? দিলু বললো—আপা, কি সুন্দর নাম দেখছ?
কিছু বললো না। তার ঠাণ্ডা লেগেছে। সারারাত জানালার পাশে বসেছিলো। খোলা জানালায় খুব হাওয়া এসেছে। এখন মাথা ভার ভার। কিছুক্ষণের মধ্যেই হয়ত নাক দিয়ে জল ঝরতে শুরু করবে। দিলু বললো—আপা স্টেশনের নামটা পড়ে দেখ না। প্লীজ।
পড়েছি। ভাল নাম।
দিলুর মন খারাপ হয়ে গেলো। সে আশা করেছিলো নিশাত আপাও তার মত অবাক হয়ে যাবে। চোখ কপালে তুলে বলবে—ও মা, কেমন নাম! কিন্তু সে আজকাল কিছুতেই অবাক হয় না। কথাবার্তা বলে স্কুলের জিওগ্রাফী আপার মত। নিশাত বললো—দিলু, দেখত বাবু কোথায়? দুধ খাবে বোধহয়।
দিলু বাবুকে কোথাও দেখতে পেলো না। এমন দুষ্টু হয়েছে। ওয়েটিং রুমে ঘাপটি মেরে বসে আছে হয়ত। কাছে গেলেই টু দেবে। ধরতে গেলেই আবার ছুটে যাবে।
ওয়েটিং রুমের সামনে একগাদা জিনিসপত্রের সামনে বাবা দাঁড়িয়ে আছেন। বিরক্ত মুখ। তিনি দিলুতে দেখেই বললেন—একেকজন একেক দিকে চলে গেছে। ব্যাপারটা কি? তোর মা কোথায়?
জানি না তো।
তোর মাকে খুঁজে বের কর।
আমি পারব না বাবা, আমি বাবুকে খুঁজছি।
বাবুকে খুঁজলে তোর মাকে খোঁজা যাবে না এরকম কথা কোথাও লেখা আছে?
সবাই আজ এরকম করে কথা বলছে কেন? কোথায়ও বেড়াতে গেলে সবার খুব হাসিখুশি থাকা উচিত। কিন্তু এখানে সবাই কেমন রেগে কথা বলছে। রাগটা তার উপরই। ট্রেনে মা তিনবার বললেন—দিলু পা নাচাচ্ছ কেন? পা নাচানো একটা অসভ্যতা। চুপ করে বস। পা নাচানোর মধ্যে আবার সভ্যতা অসভ্যতা কি? যত আজগুবি কথা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now