বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বরপক্ষের এবং কনে পক্ষের মাঝে কিছু লেনদেনের ব্যাপার ছিল। তা বাক-বিত-ার মাধ্যমে শেষ হতে হতে সন্ধ্যে হয়ে এল। সন্নিকটের মসজিদ থেকে আযানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে এলে মুরব্বী গোছের অনেকেই নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে চলে যায়। তরুণীরাও মাথায় ওড়না টেনে দিয়ে অন্তঃপুরের দিকে চলে যায়।
প্রায় আধা ঘণ্টা পর সকলেই ফিরে এল। বিয়ের কাজ শেষ করে কনেকে বরের হাতে তুলে দেওয়া হল। রিয়া খুব কান্নাকাটি করছে। কনেকে অবশ্য বরের হাতে তুলে দেওয়ার সময় বেশির ভাগ মেয়েই কাঁদে। কেউ কেউ অজানা ভয়ে, কেউ হয়ত মন থেকে আবার কেউ বা কাঁদার জন্য কাঁদে। রিয়ার কান্নার হেতুটা কী তা ঠিক বুঝা গেল না! রাত আটটার দিকে বর পক্ষের লোকেরা বিদায় নেয়।
সফিকদের বাড়িটা এখন নীরব। এতটাই নীরব যে, এই মুহূর্তে মনেই হচ্ছে না এটা কোন বিয়ে বাড়ি ছিল! বিদ্যুতের আলোয় সবুজ বৃক্ষগুলোর পাতা চকচক করছে। হঠাৎ নীরবতা ভেঙ্গে ঝিঁ ঝিঁ পোকারাও ডেকে ওঠলো। একটু বিষণ্ন মনে উঠানের মধ্যে চেয়ারে গা এলিয়ে বসে শিশির,
সফিক আর ময়নাল বাবুর্চি। সারাটা দিন বেশ একটা ধকল গেছে ওদের ওপর। রিয়াজুল সরকার হঠাৎ এসে শিশিরের হাত ধরে বলে- “বাবা, আইজ তুমি আমার ইজ্জত বাঁচাইলা”।
– “ছি! চাচা, ইতা ফারে না। আমি আফনারার লাগি তেমন কিচ্চু করতাম ফারছি না। হয়ত অনেক কিছু খরার আছিল কিন্তু সব কিছু আফনে এত দ্রুত করছইন যে এই থুরা সময়ে তেমন কিচ্চু খরতাম পারছি না”।
-তারপরেও তুমি অনেক কিছু করছ। এই মেঘ-বৃষ্টিতে ভিজে অনেক কষ্ট করেছ বাবা, এবার খাওয়া দাওয়া করে বিশ্রাম নাও।
জলিল সরকার কথাটি বলেই ঘরের ভিতরে চলে যান।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now