বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আহা প্রেম

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান sagor the gangster of king is here (crush) (০ পয়েন্ট)

X আহা প্রেম (৪৩) কিছুই ভালো লাগছে না আজ রোহানের! অফিসে একগাদা কাজ! মাথাটা ঝিমঝিম করছে ভীষণ! এক কাপ কফি পেলে মন্দ হতো না! ডেস্ক ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে পিয়ন মতিনকে খোঁজে সে! সারা ফ্লোর ফাঁকা! সবাই লাঞ্চে! রোহান ছোট করে একটা নিশ্বাস ফেলে নিজের টেবিলে ফিরে আসে! ঠিক তখন অনেকটা হেলেদুলে অপলা এসে দাঁড়ায় রোহানের সামনে! কী রোহান ভাই, কেমন আছেন? অপলা দেখতে তুখোড়! মাস তিনেক হলো অ্যাকাউন্টস অফিসার হিসেবে জয়েন করেছে! রোহানের বেশ ভালো লাগে ওকে! কিন্তু খুচরো আলাপ জমেনি কাজের চাপে! রোহান ভাই, কথা বলছেন না কেন? অপলার চোখেমুখে আকুতি! রোহান খেয়াল করে! অপলা পরেছে আজ কালো টি-শার্ট! নীল জিনস! চুলটা পেছন দিকে পনিটেইল করে বাঁধা! অপূর্ব দৈহিক গড়নের সঙ্গে পোশাকটা অন্য রকম সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে! শরীর থেকে ম-ম করছে দামি পারফিউমের গন্ধ! কী বলব? চলেন ভাইয়া, লাঞ্চ করে আসি! রোহান নরমভাবে বলে, না না, আজ না! আরেক দিন! অপলা আর দাঁড়ায় না! একটু অভিমানী ভঙ্গিতে সে চলে যায়! রোহান কাজে মন দেয়! কিন্তু মনে মনে ঠিকই অনুতাপ হয় তার! লাঞ্চের বাটি নিয়ে পিয়ন মতিন সামনে এসে দাঁড়ায়! তার হাতে নীল একটা খাম! সে মিনমিন করে বলে, ‘স্যার, আপনার একটা চিঠি! জিপিও থেকে এসেছে!’ রোহান চিঠিটা দেখে বিস্মিত হয়! এই সময়ে তাকে নীল খামে চিঠি লেখার তো কেউ নেই! তবু ভীষণ কৌতূহলী হয়ে খামটা খোলে রোহান! কম্পিউটারে প্রিন্ট করা একটা চিঠি! ‘ভালোবাসা, আমাকে তোমার বুকের ধ্রুব ছন্দময়তায় বেঁধে রাখো,/ চিরদিন! ভালো থেকো—অ’ রোহান ‘অ’ দেখেই বুঝে যায় অপলা! ভেতরে ভেতরে তার কী রকম টেনশন হয়! কিছুটা উত্তেজনা! সে টিপটিপ করে উঠে আসে রুমের বাইরে! দূর থেকে অপলার ডেস্কটা খেয়াল করে! অপলাকে দেখা যায় না! না দেখা যাক! অসুবিধা নেই! কাল এসে জমিয়ে কথা বলা যাবে! অপলাকে একটা ইমেইল লেখে রোহান! ‘অপলা, সাহস নিয়ে চিঠি পাঠানোর জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা! আমিও দিনের পর দিন সংসার নিয়ে ভীষণ বিরক্ত! চলো, কাল আমরা কোথাও বসব!’ মেইলটা পাঠিয়ে চিঠিটা বুকপকেটে রেখে অফিস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয় সে! ঠিক তখন ওর স্ত্রী অজন্তা অফিসেএসে হাজির! তার মুখ হাসি হাসি! হাতে ফুলের গোছা! হাসতে হাসতে অজন্তা বলে, নিশ্চয়ই ভুলে গেছো কাল আমাদের ম্যারেজ ডে! চিঠি পেয়েছ? চমকে দিয়েছি না? রোহান ডেস্কে শীতল হয়ে বসে থাকে! মিনমিন করে বলে, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, ভীষণ চমকে গেছি! ভীষণ। ভালবাসা ভালবাসা (৪৪) অনিক ঢাকা ভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজি ডিপারটমেন্টের ছাত্র। খুব দুষ্ট প্রকৃতির হলেও ক্লাসের সময় খুব মনযোগী থাকে। ক্লাসের সবাই ওকে ভালো করেই চিনে। ওর একটা ভালো গুন আছে ও সবাইকে অনেক হাসাতে পারে যেটা সবাই পারে না। মাত্র একমাস হল ওদের ক্লাস শুরু হয়েছে। সবাই অনিককে ভালোভাবে চিনলেও ও সবাইকে এখনও ভালোভাবে চিনে না। টি এস সি তে আড্ডার পর সন্ধ্যায় বাড়ী ফিরছিল অনিক। বাহিরে অনেক বৃষ্টি। বাসে বসে আছে অনিক। কিছুদুর যেতে না যেতেই অনিক খেয়াল করল ওর পাশে একটি মেয়ে বসে আছে। বৃষ্টিতে প্রায় ভিজে গেছে মেয়েটা। মেয়েটার দিকে তাকাতেই অনিক দেখলো মেয়েটি ওর ক্লাসমেট। ওর নাম মীম। বাসের ভিতর এক লোক রুমাল বিক্রি করছিল। অনিক একটা রুমাল কিনে মীমকে দিয়ে বলে ভালোভাবে মাথাটা মুছে নিতে। মীম অবাক হয়ে ওর দিকে তাকায়। রুমালটা নিয়ে অনিককে ধন্যবাদ জানায় মীম। অনিক মেয়েদের সাথে তেমন একটা কথা বলতো না। মীমকে চিনলেও ক্লাসে ওর সাথে কথা বলা হয়নি অনিকের। বাসেও তেমন কথা হয়নি ওদের। কিছুক্ষণ পর বাস থামতেই অনিককে বিদায় দিয়ে বাস থেকে নেমে যায় মীম। পরদিন সকালে ক্লাসের ফাকে অনিকের পাশে এসে বসে মীম। ওদের মধ্যে অনেক কথা হয়। রাতের ঘটনারর জন্য আবার অনিককে ধন্যবাদ দেয় মীম। তারপর অনিকের ফেসবুক আইডি নেয় মীম। এভাবেই শুরু হয় ওদের বন্ধুত্ব। তারপর থেকে মীমের বেশিরভাগ সময় কাটতো অনিকের সাথে চ্যাট করে। সারা রাত দুজনের চ্যাট হতো। ক্লাসেও ওরা একসাথে বসতো। অনিকের ছোট খাটো দুষ্টুমি, সবাইকে হাসানো, এগুলো ওর খুব ভালো লাগতো। ক্লাসের পর ওরা একসাথে ঘুরতে যেত। কখনাও টি এস সি,কখনো কার্জন হল,কখনও বা শহিদ মিনারে। এভাবেই কেটে যায় কয়েক মাস,শুরু হয় পরীক্ষা। দুজন ভালোভাবে পড়াশুনা করে। এক মাসের মধ্যে রেজাল্ট দেয়। অনিক ১ম হয়। মীম ও ভালো করে।এরপর থেকে কোন টপিক না বুঝলে অনিককে ফোন দিতো মীম। এভাবেই শুরু হল ওদের ফোন আলাপ। যখন মীমের মন খারাপ থাকতো অনিক ফোন করে ওকে হাসাতো। ধিরে ধিরে ওদের দুজনের প্রতি দুজনের ভালো লাগা সৃষ্টি হয়। কিন্তু কেউ কাউকে কিছুই বলে না। মীমের সাথে যখনই অনিকের দেখা হত তখনই অনিক ওকে চকলেট দিত। কারণ মীম একদিন অনিককে বলছিল চকলেট ওর অনেক প্রিয়। তাই অনিক প্রতিবার চকলেট দিত এভাবে অনেকদিন চলার পর অনিক ভাবে এবার মীমকে ওর ভালোবাসার কথা বলবে। তাই সে মীমকে ফোন দেয়। কিন্তু ফোন বন্ধ পায় অনিক। তারপর আরও কয়েকবার ফোন করে অনিক কিন্তু প্রতিবারই ফোন বন্ধ পায় অনিক। অনিক ভাবে পরদিন ক্লাসে সব বলবে অনিক কিন্তু পরদিনও ক্লাসে আসে না মীম। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ক্লাসে আসে না মীম। ফোন ও যথারীতি বন্ধ। এদিকে অনিকের মন ছটফট করতে থাকে। মীমের বন্ধুদের কাছ থেকে ওর ঠিকানা নিয়ে মীমের বাসায় যায় অনিক। ওদের বাসায় কাজের মেয়ে ছাড়া আর কেউ ছিল না। মীমের কথা জিজ্ঞাসা করতেই সে বললো ও এক সপ্তাহ ধরে হসপিটালে ভরতি। একটা মারাত্মক বাস দুর্ঘটনায় ওর এক পা পজ্ঞু হয়ে গেছে। মুখে প্রচন্ড আঘাত পাওয়ায় চেহারা নস্ট হয়ে গেছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই অনিক হসপিটালে যায় এবং দেখে বেডে শুয়ে আছে মীম। ঘুমিয়ে আছে সে। মীমকে এই অবস্থায় দেখে মনের অজান্তেই চোখ দিয়ে পানি পরে অনিকের। মিমের পাশেই অনেকক্ষণ বসে ছিল। মীম চোখ খুলে দেখে অনিক ওর পাশে বসে আছে। কিছু যেন বলতে চায় ওর নি:স্পাপ চোখ দুটো। দুজনের চোখেই পানি কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারছে না। হুট করে মীমকে প্রপোজ করে বসে অনিক। মীম অবাক হয় এবং বলে দেখ আমি এখন পজ্ঞু। আমি তোমার জীবনে বোঝা ছাড়া আর কিছুই হতে পারবো না আমাকে ভুলে যাও। অনিক রেগে যায় এবং বলে আমি তোমার শরীরকে না তোমাকে ভালোবাসি। তুমি যেমনই হও আমি তোমার সাথে বাকি জীবন পার করতে চাই এই কথা বলে মীমের হাত আকড়ে ধরে অনিক। মীম কথাটা শুনে কেঁদে ফেলে এবং ভালোবাসি তোমাকে এই বলে শক্ত করে ধরে থাকে মিম.......... শ্যামলা পরী (৪৫) ভালোবাসা নামক অমূল্যধন কে না পেতে চায়? কেউ পায়,কেউ পায় না,আবার কেউ পেয়ে ও হারায়! আসলে ভালোবাসা ধরে রাখার মত শক্তি আমাদের কয়জনের আছে? . মাঝে মাঝে শত চেষ্টা থাকার পর ও হেরে যেতে হয় নিয়তির কাছে। হারিয়ে যায় তিল তিল করে গড়ে তোলা ভালোবাসা। . কেউ যদি কাউকে সত্যিকারে ভালোবাসে তাহলে কখনো চাইবে না যে তার ভালোবাসার মানুষ কে কষ্ট দিতে তেমনি নুহাশ ও চায়নি নুসরাত কে কষ্ট দিতে। . নুহাশ অনেক ভালোবাসতো নুসরাত কে কারন নুসরাত যে ছিল নুহাশের স্বপ্নের রাজকন্যা। কি ভাবছেন রাজকন্যা মানেই কি গাঁয়ের রঙ ফর্সা না নুসরাত এর গাঁয়ের রঙ এতোটা ফর্সা না। . নুসরাত দেখতে শ্যামলা তবুও অদ্ভূত এক মায়া আছে নুসরাত এর মাঝে। টানা টানা চোখ,পাগল করা মত হাসি অনেক পাতলা মনে হয় বাতাস আসলে সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যাবে। . সব কিছু মিলিয়ে নুসরাত ছিল অসাধারণ নুহাশ যেমন ভেবে ছিলো কল্পনার জগতে। . নুহাশ যেমন নুসরাত কে পাগল এর মত ভালোবাসতো নুসরাত ও নুহাশ কে ঠিক তেমনি ভালোবাসতো। কারো ভালোবাসা কারো থেকে কম না আসলে ভালোবাসা তো এমনি হওয়া উচিত। আমি ও তোমাকে ভালোবাসি,তুমি ও আমাকে ভালোবাসো তাহলে তোমার থেকে আমার ভালোবাসা কম হবে কেন? . ভালই চলছে ২জনের রিলেশনশীপ।ফোন কথা বলা,দুষ্টুমি করা,বৃষ্টিতে ভিজা... নুসরাত এর একটা খারাপ অভ্যাস ছিল চিমটি দেওয়া সারাক্ষণ শুধু চিমটি দিতো একদিন নুহাশ কে এমন ভাবে চিমটি দিয়েছে যে হাত থেকে রক্ত বের হতে শুরু করেছে। ওই দিন অনেক কেঁদেছে নুসরাত হাজার বার সরি ও বলেছে নুহাশ কে যে আর কখনো চিমটি দেবে না। কিন্তু কে শুনে কার কথা আবার দেখা হলে চিমটি মেরে দিতো(হাহাহাহা)য ে লাউ সেই কদু। . আজ অনেক দিন হয়ে গেলো নুহাশ এর সাথে দেখা হয় না নুসরাত এর দেখা করা কথা বললেই নুহাশ বিভিন্ন অজুহাত ধরে। নুসরাত কিছুই বুঝতেছে না যে হঠাৎ করে কেন নুহাশ এমন করে। . কিছু দিন পর নুসরাত খেয়াল করলো নুহাশ এখন আর আগের মত ভালোবাসে না। মনে হচ্ছে কিছুটা এড়িয়ে চলছে নুসরাত কে। . এক সময় নুহাশ নুসরাত এর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলো! . নুসরাত এই বিষয় নিয়ে নুহাশ কে প্রশ্ন করতেই সে বলে অতীত ভুলে যাও। আমি তোমাকে ভালোবাসি না আর কখনো ভালবাসিনি আমার সব ছিল অভিনয় আর কখনো আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবা না প্লীজ। . এটা বলেই নুহাশ চলে গেলো আর নুসরাত দাঁড়িয়ে আছে মনে হচ্ছে পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে। পুরো পৃথিবী ঘুরছে নিজে কে একা লাগছে নুসরাত কাঁদছে আর বলছে বেঈমান পারলে এই ভাবে ভালোবাসা নিয়ে খেলা করতে। . আসলে পৃথিবীর সব কষ্ট সহ্য করা যায় কিন্তু ভালোবাসার কষ্ট সহ্য করা অনেক কঠিন এই কষ্ট না পারে পুড়ে ফেলতে না পারে উড়িয়ে দিতে। . এই দিকে নুহাশ ও বাসায় এসে কাঁদছে কি করবে বুঝতেছে না নিয়তির কাছে আজ ভালোবাসা হেরে গেলো। যে ভালোবাসা বিন্দু বিন্দু করে গড়ে তুললো আজ সেই ভালোবাসা নিজের হাতে কবর দিয়ে আসলো। . কিন্তু করার তো কিছু নেই কারন নুহাশ এর হাতে যে আর অল্প কয়টা দিন সময়। যে শ্যামলা পরী কে স্বপ্ন দেখাতো আজ সেই পরীটার স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়ে আসলো। . যে শ্যামলা পরী কে দিনে হাজার বার বলতো ভালোবাসি আজ সেই পরীটা কে ভালোবাসি না বলতে হলো নুহাশ কে অনেকটা কঠিনই ছিল নুহাশ এর জন্য। . কিছু দিন পর নুসরাত এর বিয়ে হয়ে গেলো সৈকত নামের এক বিজনেস ম্যান এর সাথে অনেক ভাল মানুষ নুসরাত কে অনেক ভালোবাসে। সৈকত এর ভালোবাসা পেয়ে নুসরাত ভুলে গেলো নুহাশ নামে কেউ ছিল নুসরাত এর জীবনে ভুলে যাওয়ারই কথা কারন নুহাশ তো নুসরাত কে ভালোবাসে নাই করেছে অভিনয়। . এই দিকে নুসরাত এর বিয়ের ৩ মাস পর নুসরাত এর কাছে চিঠি আসলো নুহাশ এর। . প্রিয়... শ্যামলা পরী... বিধাতার করুন পরিহাসে আমরা এক হতে পারলাম না। যে দিন আমি প্রথম জানলাম আমি আর বেশি দিন বাঁচবো না সে দিন থেকে বুকে পাথর চেপে তোমার সাথে অভিনয় করা শুরু করলাম। ভেবেছি তুমি আমাকে ভুল বুঝে দূরে সরে যাবে তাই তোমার কাছ থেকে দূরে থেকেছি। বিশ্বাস করো শ্যামলা পরী আমার ভালোবাসা মিথ্যে ছিলো না যত দিন তোমায় ভালবেসেছি সত্যি মন থেকেই ভালবেসেছি।আমি হেরে গেছি নিয়তির কাছে... আচ্ছা,শ্যামলা পরী সব ভালোবাসা কি পূর্ণতা পায়? ভালত সবাই ভাসে আমি,তুমি,সে কিন্তু কয়জনে পারে ভালবেসে ঘর বাঁধতে? কিছু কিছু ভালোবাসা অজানাই থেকে যায়,ঘর বাঁধা আর হয় না। হয়তো আমাদের ভালবাসা ও অজানাই থেকে গেলো।ঘর বাঁধা আর হলো না। যখন তুমি আমার চিঠিটি পড়বে তখন আমি তোমার কাছ থেকে অনেক দূরে থাকবো। আমার কারনে তোমার চোখে অশ্রু দেখতে পারবো না তাই তোমার সাথে এমন করেছি। পারলে ক্ষমা করে দিও এই প্রতারক কে যে তোমার ভালোবাসা নিয়ে খেলা করেছে। নুসরাত চিঠিটা পড়ছে আর কাঁদছে পড়তে পড়তে চোখের জলে চিঠিটা ভিজে গেলো। . আর এই ভাবেই নুহাশ অনেক দূরে চলে যায় নুসরাত এর কাছ থেকে আজ ও আরো একটি ভালোবাসা ব্যর্থ গল্পে পরিণত হলো। উৎসর্গ:সকল ব্যার্থ প্রেমিক কে যাদের ভালোবাসা নুহাশ এর মত নিয়তির কাছে হেরে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আহা প্রেম
→ আহা প্রেম
→ আহা প্রেম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now