বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আধাঁরে আলোয়ে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আধাঁরে আলোয়ে,,,,,,,,,, তারপর টগর আমাকে বললঃ কেনো করেছিস এটা? কি হয়েছিলো তোর? আমি অন্যমনস্ক হয়ে বললামঃজানি না টগর কিছু বলল না।শুধু আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল। মাগরিবের আজান দিবে একটু পরেই।সূর্যটা অস্তে যাচ্ছে প্রতিদিনের মতোই।আমরা কেউ কোনে কথা বলছি না,কিন্তু তিনজনই লাল রঙ্গা সূর্যটা দেখছি। প্রকৃতি বড়ই অদ্ভূত।এই জিনিষ বোঝার ক্ষমতা আমার নেই।কে জানে হয়তোবা কোনোদিনও হবে না। আমি তিনদিন পরেই স্কুলে গেলাম।বাসায় বসে থাকতে আর ভালো লাগছিলো না।ক্লাসে দেখি আমাকে দেখে সবাই গুজ গুজ ফিসফাস করছে। অংক স্যার আমাকে দেখে বললঃতুই এসেছিস? ভালো আছিসতো? আমি একটু হাসলাম। স্যার তারপর সবাইকে খুব গম্ভীর ভাবে বললঃকেউ যদি ওকে বিরক্ত করিস তাহলে পিটিয়ে পিঠের ছাল তুলে নিবো। টিফিনের সময় আমি আবার বাথরুমে গেলাম।ঠিক যে জায়গায় নন্দিনি আমাকে ধরেছিলো সে জায়গায় গিয়ে দাড়ালাম।আমার শরীর কাঁপছে,কিন্তু আমাকে আমার ভয়টা ভাঙ্গাতেই হবে।আমি কেমন যেনো চমকে চমকে উঠছি।আমি গোটা টিফিন পিরিয়ড ঐখানেই কাটিয়ে দিলাম।অন্তু,টগর আর সজিব এসেছিলো সিগারেট খেতে আমাকে দেখে সজিব বলেছিলোঃকিরে দাড়িয়ে দাড়িয়ে ওখানে কি করিস?আমি জবাব দেওয়ার আগেই টগর বললঃকি আর করবে গুয়ের গন্ধ শুকছে।ওর কথায় আমরা সবাই হেসে দিলাম।ওরা সিগারেট খেয়ে চলে গেল। আমাকে সেধেছিলো আমি নিইনি।তারপরও আমি দাড়িয়ে ছিলাম কিন্তু ও আসলো না।কিন্তু আমি ওর অপেক্ষায় আছি এবং থাকবো। বাসায় ফিরে হাতমুখ ধুয়ে খেতে বসেছি।মতি খালা উদ্ধিগনো হ য়ে বললঃআম্মারতো খুব অসুক করছে।কিছু খায় না।সারাদিন উপাস থাকে। আমি শুধু বললামঃহূ। মতি মা বললঃআমার খুব ভয় হয়,বুঝছো?খুউব ভয় হয়। বলতে বলতে চলে গেলো ভেতর দিকে। আমি জানি মার শরীর অনেক খারাপ।মাকে দেখে আমার খুব কষ্টো হয়।মনে হয় যে মা যদি একবার আদর করে আমায় বুকে চেপে ধরতো পরম মমতায়?আমি আর বড় হতে চায় না আমি ছোটই থাকতে চায়।আমি মাকে খুব ভালোবাসি কিন্তু কখনো বুঝতে দেই না কাউকে।খাওয়া শেষে মা'র ঘরে উকি দিলাম দেখলাম কণা আজও মা'র পাশে চুপচাপ বসে আছে।মা এখন জেগে আছে।কণা মাকে দেখছে মা কণাকে দেখছে। হঠাৎ মা কণাকে ইশারায় বলল তার পাশে শুতে।কণা দেরি না করে তাড়াতাড়ি বিছানায় উঠে পড়ল।মা কণাকে জাপটে বুকে নিয়ে নিলো।আমি দেখলাম মা কাঁদছে কণাও কাঁদছে।আমি হঠাৎ আবিষ্কার করলাম আমি নিজেও কাঁদছি।আমি তাড়াতাড়ি সরে এলাম।আমি বা আমরা কেনো কাঁদছি আমি জানি না আর আমি জনতে চায়ও না। রাতে পড়ছি দেখি যে দোতলা থেকে আলো পড়ছে।মানেটা কি?ভাইয়া কি পড়ছে নাকি?আমি দোতলায় ভাইয়ার ঘরে গেলাম।আমি ঢুকতেই ভাইয়া জিঙ্গেস করলঃ তিমা কেমন আছে জানিস? আমি একটু থতমত খেয়ে গেলাম।তাই বললামঃ বললাম হঠাৎ তিমা আপুর কথা কেনো বলছো? ভাইয়া বিরক্তো হয়ে বললঃএতো কথা বলিস কেনো তুই?তোকে যা জিঙ্গেস করেছি তা বল। আমি বললামঃশেষবার যখন দেখেছিলাম তখনতো ভালোই ছিলো। ভাইয়া উৎসুক হয়ে জিঙ্গেস করলোঃআমার কথা কিছু জিঙ্গেস করেছে? আমি বললামঃমনে নেই ভাইয়া। ভাইয়ার মুখ চুপসে গেলো বললঃও। আমি জানি ভাইয়া এখন কি জানতে চাইছে কিন্তু আমাকে প্রশ্নটা করতে পারছে না।ভাইয়া এখন জানতে চাইছে তিমা আপু দেখতে কেমন হয়েছে।আমি না হয়ে মতি খালা হলে ভাইয়া ঠিকই জিঙ্গেস করে জেনে নিতো।ভাইয়া বললঃদাড়িয়ে আছিস কেনো?কিছু বলবি? আমি বললামঃনা। ভাইয়া হাত নাড়িয়ে বলল চলে যেতে। তিমা আপু আমাদের এলাকায়ই থাকেন।মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।এবার ইন্টার দেবে।দেখতে ঠিক যেনো স্বর্গের আপ্সরা।উনারা সববাইআমাদের ছোটবেলা থেকেই চিনেন।তিমা আপুর বাবাকে আমার একটুও ভালো লাগে না।সেই ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি মানুষটা তার স্ত্রী এর দিনরাত ঝগড়া করছে।আমি জানি তিমা আপুকে ভাইয়া খুব পছন্দ করে।কিন্তু তিমা আপু ভাইয়াকে পছন্দ করে কিনা আমি জানি না।ছোট থাকতে একবার আপুকে জিঙ্গেস করেছিলাম আপু ভাইয়াকে কি তুমি ভলোবাস? আপু আমার কথা শুনে হো হো করে হাসতে লাগল যেনো আমি কোনো মজার কথা বলেছি। তারপড় তিমা আপু হাসি কোনো মতে থামিয়ে বলেছিলোঃতোর ভাইয়ার কথা বাদ দে,আমিতো তোকে ভালোবাসি।আমি লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম কারন তখন আমি আপুর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম। আমি ভাইয়ার ঘর থেকে বের হয়ে ছাদে এসে দাড়ালাম।লু হাওয়া দিচ্ছে।মনে হচ্ছে এই হাওয়াই যদি নিজেকে ভাসিয়ে দিতে পারতাম?এই হাওয়া আসলেই খারাপ।এই হাওয়া যখন বোয় কি জানি এক শূন্যতা কাজ করে ভেতরে।প্রচন্ড মন খারাপ হয়,কাঁদতে ইচ্ছে করে তখন নিজের সব দুঃখ কষ্টো ভাসিয়ে,,,,,,, ধূসর আঁধার কালো (অংশ বিশেষ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আধাঁরে আলোয়ে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now