বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Year change পরীক্ষা শেষ।বাড়ি যাইনি প্রায় দেড় মাস হলো।পরীক্ষা শেষ হলো ১১ তারিখ কিন্তু প্রাকটিক্যাল হবে ১৪ তারিখ।প্রাইভেট এর ছুটিও ১৪ তারিখ পর্যন্ত।রাজশাহী রেলস্টেশনে টিকেট কাটতে গেলাম।আক্কেলপুরের ছিট নাই তাই দুই স্টেশন পরে পাঁচবিবির টিকেট কেটে বাড়ি পৌঁছালাম।১ দিন থেকে ১৩ তারিখ বিকেলে স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।সন্ধ্যা 6:30 এ ট্রেন।টিকেট কেটে বসে আছি।ট্রেন আর আসে না।70 টা বাজল।ভাবলাম হয়তো একটু লেইট হচ্ছে।7:30 বাজল তবুও ট্রেনের কোনও খবর নেই।এখন বাড়িতেও যাওয়া যাবে না।পরের দিন সকাল 9 টায় পরীক্ষা।বাড়িতে ফোন দিলাম।তারাও চিন্তা করছে।বসা থেকে উঠলাম।কিছু ঝালমুড়ি কিনে খেলাম।80 বাজল।খবর নেই।9টা 9:18 বাজল খবর নেই।9:30 এ ট্রেন আসল।পুরা ৩ ঘন্টা লেইট।আরও দুই বন্ধু জয়পুরহাটে উঠেছে।একসাথে বসলাম।প্রায় 4 ঘন্টা পর রাজশাহী পৌঁছলাম।তারপর দেখি সিটি কলেজ হোস্টেলের গেইটে তালা।এত রাতে খুলবেও না।বাকি দুই বন্ধুর মেসে গেস্ট অ্যালাও নেই।এত রাতে কোথায় যাব।ছিনতাই এর ভয়।প্রায় রাত ১:৩০ বাজে।ওদের মেসের কেয়ারটেকার তে ৫০ টাকা দিয়ে ওদের সাথে মেসে ঢুকলাম।বেডে শুয়ে পড়লাম।এভাবেই আমার জীবনের বিরক্তিকর কিন্তু স্মরণীয় দিন কেটে গেল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now
X
২৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ প্রেরিত নর্থজোনের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত ওই সনদে বলা হয়েছে, যুদ্ধকালীন সময়ে ভারতের কোচবিহার জেলার শীতলকুচিতে অবস্থিত ইয়ুথ ক্যাম্পে এক হাজার ছয়শ’ মুক্তিযোদ্ধাকে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেছেন নজরুল ইসলাম।
নর্থজোনের চেয়ারম্যান তাকে সেখানকার ইনচার্জ হিসেবে সনদে উল্লেখ করে তার মঙ্গল কামনা করেছেন। তখনকার টগবগে যুবক নজরুল ইসলাম শুধু মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবেই কাজ করেননি। তার স্বাক্ষরিত কাগজের মাধ্যমে ভারতে প্রায় এক লাখ শরণার্থীর থাকার জায়গাসহ রেশনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।
এমনকি দেশ ও মাতৃভূমির স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে বিস্ফোরণ বিষয়ে মাত্র দুই ঘন্টার প্রশিক্ষণ নিয়েই রণাঙ্গনে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলপথের ব্রীজ উড়িয়ে দেওয়ার অভিযানে ১৮ সদস্যের ইপিআর টিমের নেতৃত্ব দেন তিনি।
সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ৬৭ বছর বয়সী ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৬ নং সেক্টরের অধীন যুদ্ধ হয় এখানে। ১৯৭১ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি সময় শীতলকুচি ইয়ুথ ক্যাম্প থেকে ভারতীয় ফুলবাড়ি ক্যাম্পে হঠাৎ ডাক পড়ে তার। সেখানে ইপিআর ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ২৪ জনের দুটি দল গঠন করা হয়।
উদ্দেশ্য ছিল পাক সেনাদের অবাধ প্রবেশে বাঁধা দিতে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা সংলাগ্ন ভোটমারী এলাকায় ও হাতীবান্ধার বড়খাতা এলাকায় রেলপথের প্রধান দুটি ব্রীজ উড়িয়ে দেওয়া। অপারশেনের সময় নির্ধারণ করা হয় রাত দুইটা। ফুলবাড়ি ক্যাম্প থেকে ছয় সদস্যের একটি দল রওনা হয় বড়খাতা অভিমুখে।
আর ১৮ সদস্যের দলটির সাথে তিনি রওনা হন ভোটমারীর দিকে। মাথার উপর টিপটিপ বৃষ্টি নিয়ে চলা তার দলটি হাতীবান্ধার কারবালার দিঘী নামক এলাকায় এসে হতাশ হয়ে পড়ে। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, ভোটমারীর সেই ভাকারি নামক বড় রেল ব্রীজের অদূরে কালীগঞ্জ উপজেলায় ক্যাম্প ছিল পাক সেনাদের। ১৮ সদস্যের দলটি অপারেশন পরিচালনা না করেই ফুলবাড়িতে ফিরে যান বৃহস্পতিবার ভোর বেলা।
এই অবস্থায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্ণেল সিং ও বিএসএফের ক্যাপ্টে