বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পুলিশ যদি বই পড়তে না চায়

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে শত শত বই। এই বইগুলোর মধ্যে অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কিছু আছে কি না, সেটা দেখার জন্য এখন থেকে পুলিশ সদস্যরা বই পড়ে দেখবেন। পুলিশের এই বই পড়ার পরিশ্রম কমাতে ভীষণ পড়ুয়া মো. মিকসেতু আবিষ্কার করেছেন কিছু অন্য রকম পদ্ধতি। এঁকেছেন শিখা অনুভূতি ডিটেক্টর মেটাল ডিটেক্টরের মতো যদি অনুভূতি ডিটেক্টর থাকত, তাহলেই কাজ হয়ে যেত সহজ। সন্দেহ হলেই পুলিশ বইয়ের ওপর অনুভূতি ডিটেক্টর ধরবে। ডিটেক্টর বিপজ্জনক শব্দ করলেই বইটাকে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হবে। এই যে কবি, ডিটেক্টরের চোখে জল কেন? ইয়ে, মানে বুঝতে পারছি না। আরে স্যার, এই বই আমিও পড়ছি। কিছু না বুঝতে পাইরা চোখে পানি আইসা গেছে। ডিটেক্টরেরও মনে হয় একই কেস! ডগ স্কোয়াড কুকুরের ঘ্রাণশক্তির ওপর নির্ভর করে অতীতে অনেক বড় বড় অপরাধের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। বইমেলায়ও পুলিশ ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করতে পারে। কুকুরগুলো স্টলে স্টলে গিয়ে বই শুঁকবে আর অনিরাপদ বই পেলেই কামড়ে ছিঁড়ে ফেলবে সেটা। কী ব্যাপার, বই শুঁকে কুকুর ঘেউ ঘেউ করছে কেন? কী লিখছেন এই বইয়ে? আসলে হয়েছে কি, উপন্যাসের নায়ক চরিত্রটা বিদ্রোহী। ঘুণে ধরা এই সমাজের দুর্বৃত্তদের ‘কুত্তার বাচ্চা’ বলে গালি দিয়েছিল। আপনাদের কুকুর মনে হয় সেটা মেনে নিতে পারছে না! রাসায়নিক পরীক্ষা রাসায়নিক পরীক্ষায় লিটমাস পেপার টেস্ট প্রসিদ্ধ। এই পেপারের সঙ্গে মিল রেখে চাইলেই কর্তৃপক্ষ আমদানি করতে পারে ‘অনুভূতি টেস্ট পেপার’। বইয়ে ধরার পর এর রং লাল হলেই বইটা বিপজ্জনক বলে গণ্য হবে। স্যার, অনুভূতি পেপার তো কাজ করছে না। রং হওয়ার কথা লাল, হয়েছে নীল! বাদ দেন, এইটা মনে হয় বেদনাবিধুর টাইপের বই। আফটার অল বেদনার রং তো নীল! অনুভূতি স্ক্যানার চিকিৎসা শাস্ত্র থেকে শুরু করে বিমানবন্দরে ব্যাগ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয় লেজার স্ক্যানার। এটার মতো অনুভূতি স্ক্যানার বের করতে পারলে কাজ অনেক সহজ হবে। সন্দেহ হলেই অনুভূতি স্ক্যানারের ভেতর পাঠালে স্ক্রিনে ভেসে উঠবে বইটা নিরাপদ নাকি বিপজ্জনক। সমস্যা কী, এই বইয়ে কিছু লেখা নাই কেন? স্যার, এই স্ক্যানারটা মনে হয় স্কিনের লেজার ট্রিটমেন্টের জন্য ইউজ করত। সব ফরসা কইরা দেওয়াই এর কাজ!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now