বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হয়তো আপনারা শুনে হাসবেন। বলবেন, এটা
পাগলামো ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু সত্যি, আমি আমার
এসব অনুভূতি এখনো দূরে সরাতে পারিনি। প্রথম
কোনো কিছুই নাকি ভোলা যায় না। প্রথম সম্পর্ক,
প্রথম বিদ্যালয়ে যাওয়া, প্রথম আয় বা চাকরির টাকা—
সব মনে দাগ রেখে যায়। জানি, একেকজনের
অভিজ্ঞতায় ভিন্নতা থাকবে।
আমার প্রথম প্রেম, আমার প্রথম ভালোবাসা। আর
সেটা কোনো মানুষ না। তবে অনেক
প্রেমিক-প্রেমিকার কথামালায় সাজানো ছিল বিষয়টি।
প্রথম আলো র সাপ্তাহিক ক্রোড়পত্র, ‘ছুটির
দিনে’র ‘ভালোবাসা সংখ্যা ২০০৫’। যেটা পড়েছিলাম
প্রকাশ হওয়ার আরও দুই বছর পর। আমার সহপাঠী
বন্ধুর বাবার মুদিখানার দোকানে; পুরোনো এই
মূল্যবান জিনিসটি বস্তার ভেতর থেকে
পেয়েছিলাম—এমন সব কাগজ, বাদ দেওয়া খাতা,
ছেঁড়া বই ইত্যাদি দিয়ে দোকানদারেরা সাধারণত খাবার
বিক্রি করেন, তার মধ্যে।
যাই হোক, আমি আবার পড়তে ভীষণ পছন্দ করি।
তাই সংখ্যাটি বন্ধুর কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে নিলাম।
একে-একে গল্পগুলো যত পড়ছি, ততই যেন
ভালো লাগছে! তখন আমি অত্যন্ত ছোট।
মানে, প্রেমের কোনো অক্ষরও বুঝি না।
লেখাগুলো কী যে এক দুর্বার আকর্ষণে বাঁধল
আমাকে! এ কাউকে বোঝানোর ক্ষমতা নেই
আমার। এর স্পর্শের জাদুতে মুগ্ধ হতে বাধ্য হলাম
অবশেষে!
আজ আমি বড় হয়েছি, বুঝি ভালোবাসা কী? সংখ্যাটি
আমাদের বাড়িতে বেশ কয়েক বছর দারুণ যত্নে
গচ্ছিত ছিল। একসময় আমাকে জীবনের
প্রয়োজনে গ্রাম ছেড়ে শহরে আসতে
হলো। তারপর হারিয়ে ফেললাম; আমার প্রথম
প্রেম ও ভালোবাসাটিকে। তুমি কি পালিয়েছো
আমাকে একা রেখে? অহর্নিশ মনে পড়ে
তোমাকে। এহেন বাস্তবতা মেনে নেওয়া যায়
না। ভীষণ কষ্টে আছি এ ঘটনাকে কেন্দ্র
করে।
আমি লেখালিখি করি বিভিন্ন পত্রিকা ও বেতারের
জন্য। ওই সংখ্যাটি আমার ভীষণ দরকার। জানি না,
কীভাবে ফিরে পাব? কেউ যদি সন্ধান দিতে
পারেন, তাহলে আমি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।
শিমুল
কপোতাক্ষ থেকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now