বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হাঁটি হাঁটি পা পা করে আমাদের দুজনে মনের
ভালোবাসা তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করল। যখন
আমাদের ভালোবাসা স্বীকৃতি পায়নি আমাদের
দুজনের কাছে, তখন আমরা কথা বলতাম খুব কম।
আর সে কথা হতো ফেসবুক বা ফোনে অথবা
সামনাসামনি। যখনই কথা বলতাম তখন খুব ভালো লাগত।
আবার যখন খুব মিস করতাম, তখন কথা বলতাম।
এভাবে চলতে চলতে আমি তাকে প্রেমের
প্রস্তাব দিই। কিন্তু সে সরাসরি না বলে আকারে
ঈঙ্গিতে বলত, এটা সম্ভব না। যাই হোক, সে
অনেক কথা। এভাবে আরও কিছুদিন চলে, তখনো
আমাদের দুজনের কাছে প্রেম স্বীকৃতি পায়নি।
এদিকে আমি অন্যদিকে দৃষ্টি দিই। তখনই
প্রেমের স্বীকৃতি পায় আমাদের মধ্যে। তার
কারণ, মেয়েটা আমাকে প্রচুর ভালোবাসত। সে
চাইত না আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি। এভাবে
চলতেছে আমাদের ভালোবাসা। সে আমাকে
এখনো এতটাই ভালোবাসে যে প্রতি ঘণ্টায় বা
দিনে পাঁচ-সাতবার কথা না বললে অনেক কষ্ট পায়।
আর দেখা না করলে অবস্থা খারাপ হয়ে যায় আমার।
সবচেয়ে আমার কাছে অদ্ভুত লাগে যখন আমার
মন খারাপ থাকে বা মন খারাপ করে বসে আছি, তখন
সে অনেক কষ্ট পায়। সেটার মূল কারণ হচ্ছে
আমার মন খারাপ। তার যে অদ্ভুত ভালোবাসা আমার
প্রতি তা কোনো দিনও ভুলব না আর ভুলতেও চাই
না। আমাদের এই ভালোবাসা যেন এভাবে অমর
থাকে। মনের বাক্সের মাধ্যমে তাকে জানাতে
চাই যে আমিও তোমাকে অনেক অনেক
ভালোবাসি।
উদ্ভট
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now