বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
স্কুল শনিবারে হাফ, রবিবার বন্ধ -
মাস্টারমশাই শনিবারে সকালেই সব গোছগাছ করে রাখতেন। স্কুল থেকে ফিরেই তিনি তাঁর পোটলা-পুঁটলি - পোটলা-পুঁটলি বলতে একটি কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ, তাতে একটি গামছা, একখানা ধুতি, দু-একটি বই, অথবা সাপ্তাহিক পরীক্ষার কখনো মাসিক পরীক্ষার খাতার বান্ডিল এসব নিয়ে দেশে যেতেন। আর সোমবার সকালে সোজা স্কুলে। টিফিনে খাবার দোকান থেকে জিলিপি আর একঠোঙা মুড়ি এনে খেতেন।
স্কুল ছুটি হলে আমাদের সঙ্গেই ফিরতেন। দেশ থেকে বাড়ির ফলপাকুড় যা-ই কিছু মিলত, যেমন লটকন ফল - টক মিষ্টি এবং সুস্বাদু, আমাদের খুব প্রিয় - তিনি আনতেন।
এদিকটায় আমাদের বাড়িতে কামরাঙা ফলের গাছ থাকলেও লটকন ফলের গাছ ছিল না। লটকন ফলের এক-একটি কোয়া মুখে ফেলে দিলে সারা মুখ রসে ভরে যেত।
টক-মিষ্টি-ঝাল এই ফলের স্বাদ না খেলে বোঝা যায় না।
কখনো-কখনো বিশাল বাতাবিলেবু, এতটা দূর থেকে, চার-পাঁচ ক্রোশের কম নয় রাস্তাটি, তাঁর ছাত্রদেরও নিজ গৃহের এবং তাঁর নিজ হাতে লাগানো গাছের সুস্বাদু ফল খাওয়াতে না পারলে তিনি তৃপ্তি পেতেন না।
কিরে কেমন মিষ্টি।
উলস্নাস, পড়ার চেয়ে খাদ্যরসিকের পর্বটি আমাদের কাছে খুবই মধুর ছিল। পড়া না পারলে, অঙ্ক ঠিক না হলে, বেত্রাঘাতেরও শেষ থাকে না। তিনিই আবার বাড়ির ফলপাকুড় তাঁর ছাত্রদের না খাওয়াতে পারলে মনোকষ্টে ভুগতেন।
- দহিপুরি নিয়ে এলেন একবার।
খাদ্যবস্ত্তটি আমাদের বাড়িতে একদম অচেনা -
অথচ গৃহশিক্ষক নিয়ে এসেছেন, তাঁর মান-মর্যাদা রক্ষা করতে হয় - দুধের পায়েশ, তাতে পুলি পিঠা সেদ্ধ দিয়ে খাদ্যবস্ত্তটি তৈরি।
দেশ থেকে ফিরে স্যার আমাদের হাতে দিয়ে বলতেন - যা নিয়ে যা, ঠাইনদির হাতে দিবি।
আমার ঠাকুরমা যত্ন করে তাঁর নিরামিষ ঘরে রেখে দিতেন। আমাদের রাক্ষুসে স্বভাব - কখন বেমালুম হজম করে ফেলব ঠাকুমরার এই আতংক - নিরামিষ ঘরে দরজা বন্ধ করে একটি তালাও ঝুলিয়ে দিতেন।
নিরামিষ ঘরটি একেবারে আলাদা - আমরাও খুশিমতো নিরামিষ ঘরে ঢুকতে পারতাম না। ঠাকুরমার ছিল একটাই
অভিযোগ - সারা রাজ্যের গু-মুত মাড়িয়ে নিরামিষ ঘরে ঢোকা যায় না।
ঠাকুরমার কথা না শুনলে বউমাদের শাসাতেন, আসুক উপেন, সে এর কী বিহিত করে দেখি - আমার কাকিমারা এবং আমার জেঠিমার এক কথা, মা এরা ছেলেমানুষ, এদের ওপর রাগ করে আপনি খাবেন না, তা হয়? তারপরই আমাদের ডাক পড়ত, জেঠামশাই বাড়ি এলেই বিধান জারি করতেন।
আমরা ভীতসন্তস্ত্র হয়ে থাকতাম। আমাদের মাস্টারমশাইকেও হাজির থাকতে হতো।
জেঠামশাই বলতেন, মাস্টার তোমার ছাত্ররা একদম কথা শুনছে না -
নিরামিষ ঘরে বাসি কাপড়ে ঢোকা নিষেধ। তোমার ছাত্ররা আমার মাকে নরকে পাঠাতে চায় - মার এমনই অভিযোগ। ভালোমন্দ খাবার যেমন পুলি পিঠা কিংবা পাটিসাপটার পায়েশ কিংবা আসটে পিঠার দুধেসেদ্ধ পায়েশও বাটিসুদ্ধ গায়েব হয়ে যাচ্ছে। কে খায়, কারা খায় দেখবে না!
বইটি হাতে ধরিয়ে দিলেই তিনি খুশি।
তাঁর আর কোথাও যাওয়ার কথা মনে থাকত না।
তিনি আমাদের খাতা-কলম নিয়ে টেবিলে বসে পড়তেন।
স্যার আমাদের তক্তপোশে বসে বলতেন, কী হলো তোরা পড়ছিস না কেন!
আর তখনই আমরা উচ্চৈঃস্বরে পড়তে শুরু করতাম।
আমরা উচ্চৈঃস্বরে না পড়লে আমার মা-জেঠিরা মনে করতেন, আমরা পড়ছি না।
খুব বেশি উচ্চৈঃস্বরে পড়লে আমাদের মা-জেঠিরা ভাবতেন, তাদের ছেলেরা ঠিকঠাক পড়াশোনা করছে। তাদের ছেলেরা খুব মনোযোগী ছাত্র।
আমরা পাঁচ ভাই একসঙ্গে উচ্চৈঃস্বরে পড়লে মাস্টারমশাইয়ের কান ঝালাপালা হয়ে যেত।
তিনি ম্রিয়মাণ গলায় বলতেন, আর একটু আসেত্ম পড়লে হয় না! এটা তো হাটবাজার নয়।
স্যার একদিন সোজাসুজি জেঠিমাকে বললেন, বউঠান জোরে-জোরে পড়লেই পড়া হয় না।
জেঠিমা বললেন, তা হলে কীভাবে পড়াশোনা হয়!
আসেত্ম পড়লেও পড়াশোনা হয়।
আসেত্ম পড়লে পড়া মনে থাকে না।
আমার দুদুকাকার এক কথা - তোমাদের পুত্ররা পড়ছে কি না মাস্টারই ভালো বুঝবে। তোমাদের খবরদারি করতে হবে না।
দুদুকাকা সোজা বলে দিলেন, সবাই খবরদারি করলে চলে! যার যা কাজ। মাস্টার বুঝবে তারা পড়ছে কি পড়ছে না। পরীক্ষা তোমরা দেবে না - ছেলেরা দেবে। মনে-মনে পড়লেও পাশ করা যায় সেটা কি বোঝ!
জেঠিমা রেগে বলতেন, আমরা কিছুই বুঝি না। সব বোঝো তোমরা।
বাড়িটায় মেলা ঘর। ছোটকাকা, মেজকাকা বহরমপুরে থাকেন। ছোটকাকার বিয়ে হয়নি। আমার ঠাকুরমার এটি একটি বড় দায়। তিনি বেঁচে আছেন। ছোটকাকার কোনো গতি হয়নি বলে ছোটকে বিয়ে দিতে পারলেই তিনি দায়মুক্ত।
আমার ঠাকুরমার পুত্রসন্তান, অর্থাৎ আমার কাকা-জেঠা মিলে তারা ছয় ভাই, দুই পিসি আমাদের। বড় পিসির বিয়ে হয়েছে বনদুর্গাপুরে।
জঙ্গলের দেশ।
জঙ্গলে বাঘ-ভালুকও দেখা যায়। আমার পিসতুতো দাদা সুধীর বলতেন, রাতেই বেশি ভয়।
সুধীরকে আমরা চিনিদাদা ডাকতাম। সুধীর মানে আমার চিনিদা সেই দুর্গম এলাকা থেকে উঠে এসেছে। পূবাইল ইস্টিশনে নেমে পাঁচ ক্রোশ হাঁটলে গ্রামটির খোঁজ পাওয়া যায়। আমাদের গ্রামে কোনো বাঘ-ভালুকের উপদ্রব ছিল না। তবে বর্ষাকালে অজগর সাপের উৎপাত হতো।
শীতের সময় কচুরিপানায় পুকুরগুলি ভরে থাকত। তার ভিতর অজগর সাপের বসবাসের সুবন্দোবস্ত ছিল। কবিরাজ দাদা অমূল্য সেনের একটি বন্দুক ছিল।
আমাদের অসুখে-বিসুখে কবিরাজ দাদাই সম্বল। কবিরাজ দাদার গলায় কণ্ঠি ছিল। তুলসির মালা গলায় জড়িয়ে রাখতেন। পরিবারটি পরম বৈষ্ণব।
আমাকে আর ঠাকুরভাইকে ছোট দাদু সঙ্গে করে নিয়ে আসেন।
তাঁর পুত্র রাসমোহন রেলে বড় চাকরি করেন। তিনি লোকো ফোরম্যান - তাঁকে সোজা চিঠি - পত্রপাঠ যেন আমার রাঙ্গাকাকা আরো একশ টাকা বেশি মনি-
অর্ডারে পাঠায়। কারণ রাইনাদির বাড়ি থেকে উমা আর ভোলাকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন, পানাম হাইস্কুলে ভর্তিও করে দিয়েছেন। আমার বাবা-জেঠাদের অভিভাবক তিনি। তাঁর কথার ওপর কথা নাই। আমার রাঙ্গাকাকা পিতার আদেশ শিরোধার্য করে প্রতিমাসে আরো একশ টাকা বেশি পাঠাতে শুরু করেন।
বাড়িঘর থাকলেও জমিজমা বেশি ছিল না। রনাদা, ধনাদা পুবের ঘরেই থাকতেন। তক্তপোশে আমি আর ঠাকুরভাই শুতাম। যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় দুলাল, রেখা এবং চিনিকাকিমা কলকাতায় কাকার কাছে রওনা হয়ে গেলেন।
বাড়িটা আরো খালি হয়ে গেল।
সম্মান্দির বাড়িতে তখন ধনঠাকুরমা থাকেন। আমি আর ঠাকুরভাই থাকি। সন্ধ্যা পিসি থাকে।
আমার উপনয়ন হয় ন-বছর বয়সে। দু-বেলা সন্ধ্যা আহ্নিকের সঙ্গে প্রয়োজনে, গৃহদেবতার পূজার দায়ও আমার থাকে। ঠাকুরভাই অর্থাৎ উমাশঙ্কর কোনো কারণে রাইনাদির বাড়ি গেলে, গৃহদেবতার পূজার ভার পড়ত আমার ওপরে। আমার বাবা, অথবা সোনা-জেঠামশাই কেউ না কেউ বাড়িতে এসে হাজির হতো।
ঠাকুরের নিত্যপূজা আছে।
তার সন্ধ্যারতি আছে। পেনা কাকার ওপরে পূজার ভার বর্তাল। কিন্তু বেশিদিন এই ভার বহন করতে হয়নি তাঁকে। আমার রাঙ্গাকাকার চিঠি এসে হাজির।
চিঠিটি লেখা হয়েছে সোনা জেঠামশাইকে -
পূজনীয়েষু, সোনাভাই আপনি শতকোটি প্রণাম নেবেন। রেলে পেনার জন্য একটি চাকরি ঠিক করেছি।
তাকে পত্রপাঠ লামডিং চলে আসতে বলেছি - রেলে লোক নিয়োগ হচ্ছে, এই সুযোগ, সবই আপনার অনুমতিসাপেক্ষি।
এক দুপুরে মুড়াপাড়া থেকে আমার সোনা জেঠামশাই এসে হাজির। রাত থাকতেই বোধহয় মুড়াপাড়া থেকে তিনি রওনা হয়েছিলেন - পেনা চাকরি নিয়ে চলে গেলে বাড়ির গৃহদেবতার কী উপায়! তার পূজা-আর্চা কে করে! ঠাকুরভাই উমাশঙ্কর ক্লাস এইটে পড়ে, আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি, আর আছে গঙ্গাদা, একমাত্র রনাদা-ধনাদাকে এ-বাড়িতে নিয়ে আসা যেতে পারে। তাদের কোনো একজন থাকলেও হয়।
অবশ্য আমার ধনঠাকুরমার কাছে এটা কোনো সমস্যাই নয়। উমা-ভোলা আছে - ওদের উপনয়ন হয়ে গেছে। ওরা ঠিক পারবে।
প্রথম দিকে আমার খুব অসুবিধা হতো। মন্ত্রপাঠ ঠিকঠাক হতো না, গণেশের পূজা দিয়ে মন্ত্রপাঠ শুরু হতো। ঠাকুরের সিংহাসনে পূজা পাঠের একটি বই থাকত।
ঠাকুরঘর আমার ঠাকুরভাই সামলাতেন - তবে মাঝে-মাঝে আমাকেও ঠেকা কাজ চালিয়ে দিতে হতো, আমার সোনা জেঠামশাই বলে গেছেন, সর্বাগ্রে গণেশের পূজা দেবে, তারপর পঞ্চদেবতার পূজা শেষ করে পূজা-পাঠের কাজ শেষ করবে।
কোথাও ঠেকে গেলে দশবার গায়িত্রী জপ করলেই পূজার ত্রুটি খ-ন হয়ে যাবে।
আমি সবই পারতাম। ফুল, বেলপাতা ঠিকঠাক দেবতাদের মন্ত্রপাঠ শেষে দিতেও পারতাম, যেখানে অসুবিধা হতো ঠাকুরের সিংহাসন থেকে পূজাবিধি বইটির সাহায্য নিতাম।
সাধারণভাবে ঠাকুরপূজা আমার বড়দা অর্থাৎ উমাশঙ্করই করতেন। পেনাকাকা যদ্দিন ছিলেন তিনি করতেন, পেনাকাকার রেলে চাকরি হয়ে যাওয়ায় এবং পা-ু নামে কোনো এক সুদূর অঞ্চলে চলে যাওয়ায় আমার বড়দার ওপর গৃহদেবতার পূজার ভার বর্তাল।
ঠাকুরভাইয়ের জ্বরজ্বালা হলে আমার ওপর গৃহদেবতার পূজার ভার পড়ত।
আমার বাবা পূজাপাঠের কিছু শর্টকাট বিধির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় আমার পক্ষেও গৃহদেবতার পূজার কোনো আর অসুবিধা থাকল না।
যদি মনে হয় মন্ত্রপাঠে কোথাও গোলমাল হয়ে গেছে, দশবার গায়িত্রী মন্ত্র জপ করে তার সংশোধন হতে পারে।
এভাবে আমি এবং বড়দা ঠাকুর পূজা থেকে গরুর গোয়াল সামলাতাম। গঙ্গাদা জমিজমার তদারকি করতেন। গরু সনাতনিকে জাবনা দেওয়া থেকে গোয়ালের সব কাজ করার দায়িত্ব তাঁর। আমার ধনঠাকুরমা নিরামিষ ঘর সামলাতেন - সন্ধ্যাপিসির বিয়ে হয়ে গেলে আমরা দু-ভাই আমি এবং উমাশঙ্করের জলে পড়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায়ও নেই। রাইনাদির বাড়ি চলে যেতে পারি, সেখানে মা, জেঠিমা-কাকিমারা আছেন, তবে সেখান থেকে হাইস্কুলের দূরত্ব তিন ক্রোশের মতো। পড়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
আমাদের বাড়িতে ঠাকুর-দেবতার উপদ্রব এমনিতেই একটু বেশিমাত্রায়। নিত্যপূজার সঙ্গে ষষ্ঠী সংক্রান্তি, কার্তিক পূজা, লক্ষ্মীপূজা, সরস্বতী পূজা এসব তো আছেই, তার ওপর দোল উপলক্ষে ছোটখাটো একটি মচ্ছবের আয়োজন থাকত।
আমাদের বাড়িটা তো যে সে বাড়ি নয়, ঠাকুরবাড়ি বললে এক ডাকে সবাই বুঝত কোন বাড়ির কথা বলা হচ্ছে।
তুমি কেডারে বাবা।
আমি ঠাকুরবাড়ির ছেলে।
ঠাকুরবাড়ির ছেলে বললেই সব দোষ খ-ন।
স্কুলের পথে আস্তানা সাবের দরগা। দরগার চারপাশ বনজঙ্গলে ভর্তি। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় ঠাকুরঘরে মাথা ঠুকতে হয়। দরগার কাছে এলে সেখানেও মাথা ঠুকতে হয়। দরগার মাজারে পরীক্ষার আগে মোমবাতিও জ্বেলে দিই। পরীক্ষায় ফেল-পাশ সবই এসব দেবতার হাতে।
তাঁদের কৃপা হলে পাশ।
কৃপা না হলে ফেল।
এসব কারণেই মাথা ঠুকে না গেলে ফেল-পাশের খচখচানি থাকত।
কোনো কারণে আস্তানা সাবের দরগায় মাথা না ঠুকে যাওয়া যায় না। মাথা না ঠুকে গেলে পরীক্ষা খারাপ হতে পারে।
আমাদের ফেল-পাশের জন্য ঠাকুর দেবতার যেমন প্রয়োজন, তেমনি আস্তানা সাবের দরগায়ও মোমবাতি জ্বেলে দিতাম। পরীক্ষায় ফেল-পাশের এই গ্যারান্টি বাবা-কাকারাই স্থির করে দিয়েছেন। বাজার-সওদায় এক প্যাকেট মোমবাতির তালিকা থাকত।
আমাদের গাঁয়ে বিয়ে অন্নপ্রাশনে আস্তানা সাবের মাজারে সবাই সারি-সারি মোমবাতি জ্বেলে দিত সন্ধ্যায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now