বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শিশিরের বাড়ি সফিকের বাড়ি থেকে মিনিট দশেকের পথ। একটু সামনে যেতেই সে সফিককে সব বুঝিয়ে বলল। এই প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও সফিকের হাসতে হাসতে যেন টলে পড়ার মত অবস্থা হল। শিশির সফিকের বাল্যবন্ধু।
এসএসসি পরীক্ষার পর সফিক পড়াশোনা বাদ দিলেও শিশির বাদ দেয় নি। বর্তমানে সে একটি নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়ছে। অবস্থান ও সময়ের পরিবর্তন ঘটলেও তাদের বন্ধুত্বের কোন হেরফের ঘটে নি।
মিনিট বিশেক পরে ওরা একটি কালো ব্যাগ হাতে নিয়ে রান্না ঘরে ঢুকলো। কনে পক্ষের লোকেরা নানা কাজে ব্যস্ত থাকলেও বিশেষ করে তরুণীদের তা দৃষ্টি এড়ায় নি। কোন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার পর মানুষ যেমন স্বস্থির নিঃশ্বাস ছাড়ে তেমনি সফিকের
পিতার ক্ষেত্রেও ঘটল। রান্না ঘরে ওরা কী ব্যস্থা করছে তা দেখার জন্য তরুণীরাসহ বয়োজ্যেষ্ঠরাও ভীড় করার চেষ্টা করতে লাগলো। কিন্তু বাবুর্চি বেটা খুবই রাগী মানুষ। দাড়োয়ানের মত কুচকুচে কালো গোঁফ। ভিতরে রসকস নেই বললেই চলে। কাজের সময় কেউ রসিকতা করুক এটা তার মোটেও পছন্দ নয়। এই কারণে সে রান্না ঘরে শিশির ও সফিক ছাড়া অন্য কাউকে থাকতে দিল না।
বৃষ্টিও তখন অনেকটাই থেমে গেছে। বাবুর্চি ময়নাল আগে থেকেই তরকারী রান্নার জন্য যাবতীয় মসলা এবং বড় হাড়ি-পাতিল প্রস্তুত রেখেছিল। পনের মিনিটের মধ্যে ওদের রান্নার কাজ শেষ হল। এর মধ্যে তরুণীরা শিশিরকে দেখার জন্য
বেশ কয়েকবার রান্না ঘরে ঢুকার চেষ্টা করেছিল; কিন্তু ঐ ব্যাটা বাবুর্চি ময়নালের জন্যই ওদের চেষ্টা সফল হয়ে ওঠে নি। তার সেরা অবদানের জন্যই বর থেকেও যেন শিশির সবার কাছে প্রধান আকর্ষণ হয়ে পড়েছে!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now