বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শিশির রান্নাঘরে ঢুকে বাবুর্চির সাথে কানেকানে কী যেন ফিসফিস করে বলল। এরপর কনের পিতাকে আশ্বাস দিয়ে বলল- “আফনে কোন চিন্তা খরইন না যে, সব ঠিক অয়ি যাইব”। সফিকের দিকে তাকিয়ে সে কৌশলে দৃষ্টি বিনিময় করে।
তারপর আশান্বিত কণ্ঠে পুনরায় রিয়াজুল সরকারকে বলে- “আফনে খালি থোরা ভাত আর পোলাওয়ের ব্যবস্থা করুক্কা। আমি বিশ মিনিটের মধ্যে পোলট্রি মুরগির লইয়া আইরাম”। মুহূর্তেই রিয়াজুল সরকারের চোখ-মুখ আশার আলোতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। মুমূর্ষু রোগী নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে বেঁচে উঠলে যেমন আশান্বিত হয় তেমনি আর কি!
কিন্তু কীভাবে এই অল্প সময়ের মধ্যে করবে তা যেন তিনি ভেবেই পাচ্ছেন না। কেননা, এখান থেকে বাজার প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের পথ। যাওয়া আসাতে প্রায় ঘণ্টা তিনেকের মত লেগে যাবে। কিন্তু তারা বিশ মিনিটের মধ্যে কীভাবে আনবে! বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তিনি দ্বিধান্বিত কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন- “তোমরা করবা মানে, ক্যামনি করবা”?
-“চাছা ইতার লাগি আফনে কোন টেনশন খরবানা। আমি যেলান আফনার লগে মাতিছি আফনে অলান করুক্কা। আমরা খুব জলদি আইরাম। আয়রে সফিক”।
এতক্ষণ সফিক আশ্চর্য হয়ে ওর কথা শুনছিল; কিন্তু কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না। সফিকের মত কনে পক্ষের সবাই এতক্ষণ হা হয়ে শিশিরের কথা শুনছিল। তার আশ্বাসে সবার চোখেমুখেই দীপ্তির ছটা দেখা ঢেউ খেলে গেল। কথাটি গড়াতে গড়াতে রিয়ার কানেও গেল। শিশির দেরি না করে সফিকের হাত ধরে টেনে প্রচ- বৃষ্টির মধ্যে ছাতা ছাড়াই বেরিয়ে পড়ল।
কোন কোন শুভাকাঙ্খি গোছের নারী ছাতা নিতে বললেও তারা তা কর্ণপাত করে নি। শিশিরের এমন কর্মকা-ে কনে পক্ষের লোকেদের মধ্যে ধন্যধন্য পড়ে গেল। তরুণীদের কাছেও তখন সে রীতিমত নায়ক বনে গেল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now