বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

চোখে চোখে চেয়ে রইল

"ওয়েস্টার্ন গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X রায়ান জানে, তাকে মোকাবিলা করার জন্যে মন্ট বেলার একা আসবে না। ওর সঙ্গে যারা থাকবে, তাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই তার ওপর নির্যাতন চালানো বাকি তিনজনও থাকবে। তাদের নিয়ে অবশ্য খুব বেশি মাথা ঘামাচ্ছে না সে। ওরা বন্দুকবাজ নয়। স্রেফ উত্তেজনার আশাতেই বেলারের বিভিন্ন অপকর্মে অংশগ্রহণ করে। তবে তাদের সে উত্তেজনা চিরতরে মিটিয়ে দেবে রায়ান। আর কখনো যাতে নিরীহ মানুষের ওপর চড়াও হতে না-পারে সে-ব্যবস্থা করবে। রাতের অন্ধকারে ছোট একটা ঝোপে ঢুকে গেল রায়ান। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে জটলা পাকানো কিছু গাছের ঘন ছায়ায় লুকিয়ে ফেলল ঘোড়াসহ নিজেকে। তারপর অপো করতে লাগল। প্রায় এক ঘণ্টা পরে ঘোড়ার খুরের শব্দ কানে এল ওর। জোর কদমে ঘোড়া ছুটিয়ে আসছে ওরা। ঘোড়ার খুরের শব্দেই যেন ফুটে উঠছে তাদের উদ্দেশের গুরুত্ব। রাগে ও আতঙ্কে অন্ধ বেলার ও তার সঙ্গীরা পারলে ঘোড়াগুলোকে উড়িয়েই নিয়ে আসত। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গলা বাড়িয়ে লোকগুলোকে দেখার চেষ্টা করল রায়ান। কিন্তু নিকষ অন্ধকারে তাদের আবছা অবয়ব দেখা গেল শুধু, ক’জন লোক সেটা বোঝা গেল না। ব্যস্ত সমস্ত দলটার নেতৃত্ব দিচ্ছে মন্ট বেলার। ওর লুকিয়ে থাকার জায়গাটা পেরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপো করল রায়ান। তারপর বেরিয়ে এসে তাদের পেছনে ঘোড়া ছোটাল। শহরে ঢুকে সেলুনের সামনে ঘোড়া থামাল বেলার ও তার সঙ্গীরা। তিনজন বাদে বাকিরা সেলুনের ভেতরে ঢুকল। যারা ঢুকল না, তাদের দু’জন সেলুনের সামনে পাহারায় রইল। মিনিট দশেক পরে সেলুনের কাছাকাছি এক জায়গায় নিজের ঘোড়াটা বাঁধল রায়ান। ব্যাটউয়িং দরজার সামনে দু’জনকে পাহারা দিতে দেখল। একজন উঁঁকি দিয়ে দেখতে চাইছে ভেতরে কী ঘটছে, আরেকজন নার্ভাস ভঙ্গিতে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে। আরো কিছুণ অপো করল রায়ান। দরজায় দাঁড়ানো লোক দু’জন একটু থিতু হয়ে দাঁড়াতে অন্ধকার থেকে বেরিয়ে পা টিপে টিপে ওদের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। আচমকা শটগানের হ্যামারের কিক করার কর্কশ আওয়াজে চমকে উঠল দু’জনেই। রায়ানকে দেখে জায়গায় জমে গেল যেন। ‘বাঁচতে চাও নাকি মরতে চাও?’ ফিসফিস করে জানতে চাইল রায়ান। বিশালদেহী লোকটার হাতে শটগান। জবাব দিতে এক সেকেন্ড সময়ও নিল না দুই পাহারাদার। মাথা নেড়ে নিজেদের আকাক্সার কথা জানাল। দেখা গেল অকালে মরে যাওয়ার ইচ্ছে দু’জনের কারোরই নেই। শটগানের ব্যারেল দিয়ে ঠেলে দু’জনকে পেছনে নিয়ে গেল রায়ান। একপাশে দাঁড় করাল। তারপর শান্তস্বরে বলল, ‘এরা আমাকে মারধর করেছিল। তোমাদের দু’জনের কেউই সে-দলে ছিলে না। তাই তোমাদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। তবে আমার হুকুম মতো যদি এুনি নিজ নিজ ঘোড়া নিয়ে শহর ছেড়ে চলে না-যাও, তাহলে সেটাকে আমার সঙ্গে শত্র“তা হিসেবে দেখব।’ এক মুহূর্ত চুপ রইল দুই কাউবয়। তারপর বলল, ‘ঠিক আছে। আমরা চলে যাচ্ছি।’ একটু হাসার শব্দ করল। ‘সাতজনে মিলে একজনকে মারলে সেখানে অ্যাডভেঞ্চার থাকে না। কিন্তু একজন যখন সাতজনের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেটা দুঃসাহসের পর্যায়ে গিয়ে পড়ে। তাকে সাহায্য করতে না-পারলেও সম্মান করা উচিত। বেলার লোক ভালো নয়।’ ‘খাঁটি পুরুষের কথা বলেছ, ব্রাদার। কাজ শেষ হলে সেলুনে তোমাদের নিয়ে বসে মদ খাব। অফারটা দিয়ে রাখলাম। ভালো কথা, তোমাদের আরেকজন সঙ্গী আছে। ওকেও বুঝিয়ে নিয়ে যাও।’ ওখান থেকেই বিদায় হয়ে গেল দু’জন। একটু পরে তিনজনের ঘোড়ার খুরের শব্দ শুনল রায়ান। আরো মিনিট দুয়েক অপো করল রায়ান। তারপর সেলুনের সামনের দরজা দিকে এগোল সন্তর্পণে। দরজার সামনে গিয়ে আস্তে করে ঠেলা দিয়ে ভেতরে তাকাল। বারের কাছে গ্লাস হাতে দাঁড়ানো বেলারকে দেখল। বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে লোকটাকে। ওর পাশে আরো দু’জন। কথা বলছে ওদের সাথে। আরো দু’জনকে দেখা গেল ওর কাছাকাছি। তবে লিডারের মতো অতটা বেপরোয়া ভঙ্গি নেই ওদের চেহারায়। বারবার দরজার দিকে চাইছে লোকগুলো। দরজার দু’পাশে দু’জন। হাতে উদ্যত পিস্তল। যে সাতজন ওকে মারধর করেছিল, তাদের একজনকে দেখল একজনের সঙ্গে বসে কথা বলতে। যার সাথে কথা বলছে, তাকে চিনল না। দরজার দিকটা একটু অন্ধকার। সুযোগটা কাজে লাগাল রায়ান। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে অন্ধকারে দাঁড়াল। দীর্ঘ এক মুহূর্ত পুরো ঘরটায় নজর বুলাল। তারপর আচমকা অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আলোতে দাঁড়াল। ওর এক হাতে শটগান, দরজার দিকে লোকদুটেকে কাভার করেছে। আরেক হাতে পিস্তল। বেলার আর তার দু’পাশের দু’জন ওটার আওতায়। টেবিলের কাছে বসা লোকটাকে অবশ্য কাভার করা গেল না। তবে বেচাল দেখালে শটগানের গুলিতে উড়িয়ে দেয়া যাবে। ‘সবাই উঠে দাঁড়াও! কোনো চালাকির চেষ্টা করবে না। তাহলে রক্তের বান ডাকবে এখানে।’ ওর কথাগুলো এত আচমকা, স্পষ্ট ও নিশ্চিত শোনাল যে, হঠাৎ নিñিদ্র নীরবতা নেমে এল সেলুনে। দরজার দু’পাশ দাঁড়ানো দু’জনের দিকে ইঙ্গিত করল ও। ‘তোমাদের অস্ত্র দরজার বাইরে ফেলে দাও।’ ইতস্তত করতে লাগল দুই অস্ত্রধারী। ‘এুণি!’ গর্জে উঠল রায়ান। শটগানের ট্রিগারে শক্ত হয়ে গেল ওর আঙুল। আদেশ পালনে আর গড়িমসি করল না দুই পাহারাদার। দরজা খুলে দু’জনেই বাইরে ছুঁড়ে দিল নিজ নিজ অস্ত্র। তারপর ভদ্রলোকের মতো মুখ করে গিয়ে দাঁড়াল নিজের নিজের আগের জায়গায়। রায়ান টেবিলের কাছে বসা লোক দু’জনের দিকে ফিরল। ‘তোমাদের একজনের হাত কিন্তু ধীরে ধীরে পায়ের দিকে এগোচ্ছে। আধা সেকেন্ডের মধ্যে যদি তোমাদের চারটে হাতই টেবিলের ওপর না দেখি, বাকি আধা সেকেন্ডেই দু’জনের লাশ পড়বে।’ উদ্যমী লোকটার হাতটা যেন আগুনের ছ্যাঁকা খেয়েছে, এভাবে ছিটকে উঠে এল ওপরে। দু’জনের চারটা হাতই এখন টেবিলের ওপর বিছানো। সন্তুষ্টি বোধ করল রায়ান। অন্য লোকটি টেবিলের ওপর রাখা নিজের হাতদুটো উল্টে দিল। তারপর বলল, ‘দেখো মিস্টার, আমি তোমাদের ঝামেলায় নেই। আমি স্রেফ ওর সাথে কথা বলছি।’ ‘তুমি যদি এসবের বাইরে হও, তাহলে সেভাবে আচরণ করো। হাতদুটো যেখানে আছে, সেখানে থাকে যেন।’ লোকটার দিকে তাকানোর দরকার মনে করল না রায়ান। আগের জায়গা থেকে সরে ঘরের মাঝখানে চলে গেল ও। এভাবে দাঁড়াল যেন পেছন দরজা দিয়েও কেউ ওর চোখ এড়িয়ে ঢুকতে না-পারে। শটগানটা এভাবে ধরে রাখল যেন মুহূর্তের নোটিশে দরজার লোকটা ও বেলারের পাশের দু’জনকে কভার করা যায়। ‘আস্তে আস্তে জানালার দিকে সরে যাও জেন্টলমেন,’ বলল সে। ‘কিন্তু খবরদার, একদম তেড়িবেড়ি করবে না বলে দিচ্ছি।’ টেবিলের কাছে বসা লোকটার দিকে তাকাল। ওঠার কোনো লণ দেখাচ্ছিল না লোকটা। ‘এই যে, তুমিও। তুমিও ওঠো।’ বাকি লোকেরা পাথরের মতো জায়গায় জমে রইল যেন। টেবিলের পাশের লোকটা উঠে অন্যদের সাথে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। রায়ান হুকুম দিল, ‘তোমাদের দু’জনের কাছে এখনো এখনো পিস্তল। ওগুলো মেঝের ওপর ছুঁড়ে দাও। আমার হাতের শটগানটার কথা মাথায় রেখো কিন্তু।’ হুকুম তামিল হতে বেলারের দিকে চাইল। ‘নড়াচড়া কোরো না, বেলার। তাহলে শটগানের গুলিতে স্রেফ দু’ভাগ হয়ে যাবে।’ বেলারকে দেখে মনে হচ্ছে না, সে খুব বিচলিত। চোখে কৌতুকের ভাব ফুটিয়ে তুলে বিশালদেহী লোকটার কাজ-কর্ম দেখছে। আসলে সে অপো করছে। প্রতিপরে সামান্য একটু ভুল চোখে পড়লেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। ছিন্নভিন্ন করে দেবে লোকটাকে। তবে হতাশার সাথে দেখছে, এত বড় কাণ্ড ঘটিয়েছে লোকটা, অথচ একটু ভুলও ধরা পড়েনি ওর চোখে। বিশালদেহী লোকটার শরীরে চিতার প্রিতা, প্রত্যেকটি নড়াচড়াই যেন হিসেব করা। বেলারের এখন একজন লোকের কথা মনে পড়ছে। বছর কয়েক আগে হিলটাউন নামের ছোট্ট একটি শহরে পাঁচজন দুর্ধর্ষ মস্তানকে স্রেফ খালিহাতে পিটিয়ে শায়েস্তা করেছিল ওই লোক। লোকটার চেহারা এখন আর মনে নেই । তবে এই লোক ওকে সে-লোকটার কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওর ীণ সন্দেহ হচ্ছে নাকি এটাই সে-লোক? লোকটাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে থামানোর চেষ্টা করল সে। ‘শোনো,’ কেশে গলা পরিষ্কার করল। ‘আসলে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। তোমার ঘোড়াটা আমরা বার্নে রেখে দিয়েছি। স্যাডলটাও ওখানে পাবে। আর, স্বীকার করছি, তোমাকে অন্যায়ভাবে মারধর করা হয়েছে। ঠিক আছে, সেজন্যে আমি তোমাকে তিপূরণ হিসেবে কিছু স্বর্ণমুদ্রা দিচ্ছি।’ একটা হাত ভেস্টের পকেটে ঢোকাল সে। একটা ছোট চামড়ার তৈরি পাউচ বের করে আনল। তারপর ওটা বারের ওপর রেখে ঠেলে দিল রায়ানের দিকে। টাকাটার দিকে তাকালও না রায়ান। গম্ভীর গলায় বলল, ‘বেলার, তোমাদের অপকর্মের শেষ নেই। জীবনে তোমরা বহু লোককে নিগৃহীত করেছ। সেটা তোমাদের স্বভাব। কিন্তু এবার তোমাদর হিসেবে ভুল হয়ে গেছে। তোমরা বাহাদুরি দেখাবার জন্যে ভুল লোককে বেছে নিয়েছিলে। সে-ভুলের মাশুল না-গুনে পার পাবে না। আমি এমন ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি, যাতে তুমি আর কাউকে কখনো আঘাত করতে না-পার।’ ‘না না, ঠিক আছে।’ আন্তরিকতা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করল বেলার গলায়। ‘আমি তো সে-ভুলটা শোধরানোর কথাই বলছি…আসলে..মানে, মানুষেই তো ভুল করে, তাই না!’ হাসির ভঙ্গি করল বেলার। ‘কী বলো?’ কঠিন চোখদুটো ফেরাল রায়ান লোকটার দিকে। সে-চোখে তীব্র ঘৃণা ছাড়া আর কিছু দেখল না বেলার। ‘তুমি কি মানুষ?’ চাবুক ফোটানো গলায় বলল রায়ান। ‘তুমি খুব চালাক. তাই না বেলার? দিনের পর দিন কিছু লোককে বোকা বানিয়ে আসছ। কিন্তু আমি ভুলছি না। আমি হোয়াইট মাউন্টিনসের জন রায়ান। এরা বলেনি তোমাকে?’ ‘না,’ মাথা নাড়ল বেলার। ‘কিন্তু আমি তোমাকে এখন চিনতে পেরেছি। ভুল হয়ে গেছে। সেদিনই চেনা উচিত ছিল। তাহলে মরুভূমিতে নিজ হাতে খুন করতাম তোমাকে।…কিন্তু…নিকুৃচি করছি তোর।’ আচমকা হুইস্কিভরা গ্লাসটা ছুঁড়ে দিল রায়ানের মুখে। পিস্তলের দিকে হাত বাড়াল। একই সাথে তিনটা কাজ করল রায়ান। শটগানটা ফেলে দিল হাত থেকে, পেছনে চিৎ হয়ে ঝাঁপ দিল এবং কোমরের দিকে হাত বাড়াল। গ্লাসটা ওর মাথার পেছনে মেঝেয় পড়ে ভাঙল ঝন ঝন করে। বেলারের গুলিটা দেয়ালে গিয়ে বিঁধল। আর ওর কপালে সৃষ্টি হলো আরেকটা চোখ। * * * সকাল বেলা। সিম বায়েকের দোকানের সামনে এসে থামল বে। কাউন্টার থেকে সরু চোখে তাকাল নিগ্রো দোকানদার। তারপর কালো মুখে বিজলীর মতো ঝিকিয়ে উঠল শাদা দাঁত। বেরিয়ে এল ও। ‘সাহ্!’ ‘আমি আইরিনকে আমার সাথে নিয়ে যাব, বায়েক। তোমার আপত্তি আছে?’ হাসি বন্ধ হয়ে গেল দোকানদারের। কপাল কুঁচকে নিচের দিকে তাকাল। যেন রায়ান কী বলছে, তা বোঝার চেষ্টা করল। যখন চোখ তুলল, তখন নির্মল কৌতুকে ঝক ঝক করছে ওগুলো। ‘আমার একটা প্রস্তাব আছে,’ আমুদে গলায় বলল। ‘তুমিই বরং এখানে থেকে যাও না। আইরিন আমার মেয়ের মতো। আমি ওকে সারাণ চোখে চোখে রাখতে চাই।’ পাঁচ সেকেন্ড লোকটার চোখে চোখে চেয়ে রইল রায়ান। তারপর মৃদু হেসে বলল, ‘সেটা তোমার চেয়ে আইরিনের মুখে শুনতেই আমার ভালো লাগবে, বুড়ো।’ ‘নিশ্চয়, নিশ্চয়, সাহ্! অবশ্যই। আমি খুব ধুমধাম করে গির্জায় গিয়ে তোমাদের…’ পেছনের পর্দা দুলে উঠতে থেমে গেল। নিরীহ মুখ করে বলল, ‘ওই তো আইরিন। তুমি দুপুরে কী খেতে চাও ওকে বলে দাও, সাহ।’


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now