বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সেই তুমি/এই আমি

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X দুজনে নিভৃতে মনের আনন্দে ক্যাকটাস গাছের পাশে বসে লিখতাম কতো কথা,কতো কবিতা। আমার চেয়ে তোমার লেখার ধাপ অনেক উর্ধ্বে, তোমার লেখা যতই পড়তাম ততই অবাক হতাম। এত অল্প বয়সে লেখালেখিতে তুমি কতো পারদর্শী ক্লাসেও সর্বদা প্রথম স্তান,আর আমি ফেলু দলের সভাপতি শেষ বেঞ্চেই আমার প্রস্থান। সত্যিই সার্থক বিধাতা, জ্ঞানে গুনে কোন বিদ্যায়ই কমতি নেই তোমার। আচ্ছা মনে আছে তোমার সেইদিনের কথা? লঞ্চ ঘাটে নান্টু মিয়ার চায়ের দোকানে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির দিনে গোধূলি বিকালে কবিতার আসর বসেছিল। বন্ধুরা সবাই মিলে আমাদের দুজনকে প্রেমের কবিতা লিখতে বলেছিল! আমি তো প্রেম ট্রেম বিষয়ে পুরাই অনবিজ্ঞ দাঁতে কলমের খোঁচাখুচি বেক্কলের মত মিছামিছি কলমের আঁকাজোঁকা কি লিখবো ভাবছি! আমার অবস্থা দেখে বন্ধুরা সবে খিলখিলিয়ে হাসে, আর তুমি ঘটঘট করে লিখে দিলে বুনোহাঁস নিয়ে সদ্য প্রেমের রোমান্টিক কবিতা। তোমার কবিতায় সবাই নির্বাক আমিও জানতাম তুমি পারবে,আমি না পারার দলেই রয়ে গেলাম। আজও সেই কবিতাখানি রেখে দিয়েছি ডায়েরির বুকে সযত্নে। যখন সেইদিনগুলো মনে পড়ে তোমার কবিতাখানি চোখে স্মৃতি নাড়ে। তোমার লেখার তুলনায় আমার লেখা হিজিবিজি তারপর আমার এক চিলতে খুশির লক্ষ্যে প্রশংসার জাল ছড়াতে উৎসাহ দিতে বনিতা তুমিই হবে একদিন বড় কবি,তোমার চালাকি আমি ঢের বুঝতাম সময় কতনা বেঈমান তাইনা? কালক্রমে দুটি পথ দুদিকে, জানিনা তুমি কেমন আছ,আজও কি তুমি আমায় নিয়ে লিখো কবিতা? নাকি আমার নামে অন্যজনার হানা। কিছুদিন আগে নান্টু চাচার সাথে দেখা, সে বলেছে তুমি আজ সংসার সংস্কৃতি পেশা নিয়ে কত সুখী ছোট্ট পুতুলের মত লাল টুকটুকে কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছো! শুনে মনটা খুশিতে ভরে উঠলো,কেন যেন চোখের জল এমনি এমনি গড়াগড়ি নিজেকে মনে হলো কোটি গোলাপের বাগিচায় আমি এক ঘাস ফুল। তোমার আর কি দোষ দিব বলো! প্রেমের রং তো আমিই চিনিনি হয়তো চিনলেও তখন করার কিছুই থাকতোনা। বিশ্বাস করো তোমার প্রতি আমার কোন রাগ অভিমান ক্ষোভ কিছুই নেই তুমি তোমরা সবাইর মঙ্গলার্থে এটুকু মোর কামনা। আর আমি সেই পুরোনোই রয়ে গেলাম সাহিত্যের মাঝে আজও তোমাকে খুঁজি, প্রেমের কবিতা লিখতেই ভেসে উঠে তোমার পবিত্র মুখখানি। জানতে ইচ্ছে করে তোমার কি ভুল করে মনে পরে সেই কবিতা লেখা দিনগুলো কথা?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now