বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
----তিনদিন হলো হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে নেই।কেউজানেনা নবীজি কোথায়। ওমর ফারুক (রাযিঃ) মুক্ততরবারি হাতে ঘোষণা দিলেন, “যদি নবীজির কোনকিছুহয়তবে আমি ওমর বলছি মক্কার একটা মুনাফিকওআস্তশরীরে থাকবে না।“ এদিকে আবু বকর (রাযিঃ)বললেনথাম ভাই চল নবীজির তালাস করি। দুই জনে মদিনাথেকে মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মরুভূমিপেরিয়েপাহাড়ের এলাকাতে আসলেন। একটু দূরেদেখলেন একরাখাল দাড়িয়ে আছে। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক(রাযিঃ) রাখালকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি মুহাম্মদ(সা.) কে দেখেছ? রাখাল উত্তরে বলল আমিমুহাম্মদ(সা.) কে চিনি না এবং আপনাদেরও চিনি না। তবে ঐপাহাড়ের উপরে একজন লোক ইয়া উম্মাতি, ইয়াউম্মাতিবলে কাঁদছেন। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ)বুঝতে বাকি ছিলনা ঐ লোক আর কেউ না দয়ালনবীজিহযরত মুহাম্মদ (সা.)। রাখাল আবার বলল লোকটিরসাথেসাথে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলোও কাঁদতেছেআর খাওয়াবন্ধ করে দিছে। আপনারা উনাকে নিয়ে যান তা নাহলে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলো কাঁদতে কাঁদতেমরেযাবে। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ) পাহাড়েগিয়ে দেখলেন দয়াল নবীজি সেজদা-রতঅবস্থায় ইয়াউম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন। নবীজির কষ্টেআবু বকর (রাযিঃ) বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি আবু বকরইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে যত আমল করেছিসব আপনার উম্মাতকে দিয়ে দিলাম, আপনি দয়া করেমাথা উঠান।নবীজি মাথা উঠায় না। এবার ওমর ফারুক (রাযিঃ)বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি ওমর যে আপনার মাথানিতেগিয়ে নিজের মাথা দিয়ে দিয়েছি সে আপনারউম্মাতের জন্য সব আমল দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথাউঠায় না। আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ওমর কাজ হবে নারসুলুল্লাহকে একমাত্র ফাতিমা শান্ত করতে পারবে।তারা দুই জনে মদিনা দিকে ছুটছেন, পথে হযরতআলী(রাযিঃ) এর সাথে দেখা। আবু বকর ও ওমর (রাযিঃ)বললেন সামনে গিয়ে লাভ নেই, রসুলুল্লাহকেশান্তকরতে ফাতিমাকে লাগবে। এবার তিন জনে ফাতিমারবাড়ির সামনে আসলেন আলী (রাযিঃ) ফাতিমাকে ডাকদিলেন, ফাতিমা বাইরে আসে স্বামীর চেহারাদেখেবললেন, আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেন, তবেকি মক্কারমুনাফিকরা আমার আব্বাজানকে মেরে ফেলছে?আলী(রাযিঃ) বললেন তুমি তাড়াতাড়ি চলো নবীজি ইয়াউম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন, মাথা উঠাচ্ছেননা। ফাতিমা দৌরে গেলেন। নবীজির কাছেগিয়েবলছেন আব্বাজান আপনি সফরে যাবার আগেএবংসফরথেকে ফিরে প্রথমে আমাকে দেখতেন,আমার সাথেকথা বলতেন। কিন্তু আজ তিন দিন হল আপনার কোনখোঁজ নেই, আপনি কি আমাকে ভুলে গেছেন?নবীজিতাও মাথা উঠায় না। ফাতিমা (রাযিঃ) বললেনআব্বাজান আমি আপনার ফাতিমার সব নেকীআপনারউম্মাতকে দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা উঠায় না।নবীজির দুই পাশে হাসান, হুছাইন দাড়িয়েবলতেছেননানাজান উঠেন, নানাজান উঠেন। নবীজি মাথা উঠায়না। হঠাৎ ফাতিমা (রাযিঃ) বলে উঠলেন ►►►“আব্বাজান আপনি উঠেন আমি আপনার উম্মাতির জন্যআমি হাসান, হুছাইনকে কুরবানি করে দিলাম।“ ◄◄◄আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার।এবার নবীজি মাথা উঠালেন আর বললেন ফাতিমা তুমিকি দোয়া করলা আমার আল্লাহ্ তোমার দোয়া কবুলকরে ফেলছেন।নবী-রসূল, সাহাবিদের রক্ত ঝরানোর করনেইসেই দ্বীনআজ আপনার, আমার কাছে আসতে পেরেছে।আসুনআল্লাহ্ হুকুমগুলো নবীর তরীকায় পালন করারচেষ্টাকরি।আমিন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now