বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর প্রতি আপনাদের আগ্রহ আছে? মুহম্মদ জাফর ইকবালের শিশুতোষ ও কিশোর সাইন্স ফিকশন গল্পগুলো পড়ে আমাদের অনেকের ছেলেবেলা কেটেছে। কেটেছে বলি-ই বা কেমন করে? এখনো প্রতি বছর বইমেলা এলে জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশন সবাই সমান আগ্রহ নিয়ে কিনে থাকে। তবে আজ জাফর ইকবালের কথা বলছি না। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে যাদের আগ্রহ আছে তারা কেউ “ফাউন্ডেশন” সিরিজের নাম শুনেছেন কি? কিংবা “রোবট” সিরিজ? সাড়া জাগানো এসব গল্প যার হাত ধরে এসেছে তার কথাই আজকে বলব। এতক্ষণে অনেকেই চিনে গিয়েছেন তিনি কে। জ্বী, তার নাম আইজাক আসিমভ। অনেকে তাকে সাইন্স ফিকশন গল্পের জনকও বলে থাকেন। মূলত, সাইন্স ফিকশন গল্পকে তিনি একটি বিশেষ ধারায় নিয়ে গিয়েছেন। “বিগ থ্রি” এর মধ্যে তিনি একজন অন্যতম সাইন্স ফিকশন লেখক। বাকী দুজন হচ্ছেন আর্থার সি ক্লার্ক ও রবার্ট হেইনলেইন। বিজ্ঞানের ভাষাকে কি করে গল্পের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলা যায় তার অন্যতম একটি নিদর্শন হল তার “গ্যালাকটিক এম্পায়ার” সিরিজ। আইজাক আসিমভ আইজাক আসিমভ অনেকের কাছেই আইজাকের বই সাইন্স ফিকশন গল্পের দুনিয়ায় বাইবেলের মত। তার সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য দেই আজ আপনাদের। ১) তিনি ছোট, বদ্ধ জায়গায় থাকতে পছন্দ করতেন। যে ঘরে তিনি লেখালেখি করতেন, সে ঘরে কোন জানালা ছিল না। ২) তিনি মহাকাশ ভ্রমণ সম্পর্কে অনেক বই লিখেছেন কিন্তু আশ্চর্যের কথা হচ্ছে, তিনি তার সারা জীবনে উড়োজাহাজে উঠেছেন মাত্র ২বার! ৩) তার বিখ্যাত বই “I,Robot” থেকে চলচ্চিত্র তৈরি হয় এবং সেখানে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন হলিউড তারকা উইল স্মিথ। ৪) তিনি পড়াশোনায় এতই ভালো ছিলেন যে তার ওপর বিরক্ত হয়ে ক্লাসের মারদাঙ্গা ছেলেরা মাঝে মাঝে তাকে পেটাত। এই অবস্থা থেকে পরিত্রান পাবার জন্য তিনি একটি বুদ্ধি বের করেন। ক্লাসের অপেক্ষাকৃত দূর্বল ছাত্রদের তিনি গণিত ও বিজ্ঞান সহজভাবে বুঝিয়ে দিতে লাগলেন ও শীঘ্রই তাদের আস্থাভাজন হয়ে উঠলেন। এরপর থেকে তাকে কেউ পেটাতে আসলে ঐ বন্ধুরাই তাকে সাহায্য করত। ৫) আসিমভ মাঝে মাঝে কবিতা লিখতেন। বেশিরভাগ সময়ই তা হত খুব দূর্বোধ্য। তবে তিনি তার কবিতা নিয়ে গর্বিত ছিলেন। ৬) আসিমভ ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন না। তিনি ভাবতেন মানুষের উপকার করবার মাঝেই সকল শান্তি নিহিত। আসিমভ ১৯২০ সালের ২ জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন এবং তার মৃত্যু ঘটে ১৯৯২ সালের ৬ এপ্রিল। আজো সাইন্স ফিকশন লেখকরা তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে, ভবিষ্যতেও করবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now