বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হিংসা

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X ছেলেটির নাম আদিল। সে একজন খুব ভালো ছাএ। প্রতি ক্লাসে আদিল প্রথম স্থান অধিকার করে। আদিলের বাবা একজন সহজ সরল লোক। আদিলের বাবা ওনার ভাইয়ের ব্যবস্যা একটু আধটু দেখাশোনা করেন। ওনি ভাবতেন যে এইভাবে ওনার সারাটি জীবন যাবে। কখনো ভাই তাকে কটু কথা বলবেনা ও তাড়িয়ে দিবেনা। আদিলের বাবা , চাচ্চু দুজন। আদিলের চাচার মেয়েও পড়াশোনা করে। আদিলের সাথে সেইম ক্লাসে। আদিলের চাচাতো বোনও খুব ভালো ছাএী। এভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন কাটছে। হটাৎ করে একদিন আদিলের বাবাকে বলে আদিলের চাচা পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যায়। নিজের দৈনন্দিন জীবন নিজে চালাতে। আমি আর পারবোনা তোমার পরিবারের ভরন পোষন চালাতে। আদিলের বাবা যেন অসহায় হয়ে গেলেন। কোথায় যাবেন, কি করে সংসার চালাবেন। ওনার গ্রামের সবাই বললেন। আমরা যেভাবে দৈনন্দিন জীবন চালাচ্ছি, সেইভাবে চালাবে। কোনো চিন্তা করার দরকার নেই। সবার উৎসাহ ও সহযোগিতায় আদিলের বাবা ভালোই সংসার চালাচ্ছেন কাজ করে। আদিলও পড়ালেখা করছে। সব মিলিয়ে তাদের ভালোই কাটছে দৈনন্দিন জীবন। আদিলের চাচি একজন শিক্ষিকা। আদিল যে বিদ্যালয়ে পড়ে সেই বিদ্যালয়ে পড়ান তিনি। আদিল একটু বেশি পড়ালেখায় ভালো বলে তাকে খুব হিংসা করতেন। প্রতি ক্লাসে আদিল প্রথম ও ওনার মেয়ে দিত্বীয়। কি করে আদিলকে পিছনে ফালাবেন।সব সময় চিন্তায় থাকতেন। তবুও আদিলকে পিছনে ফেলতে পারেননা। এইভাবে পড়ালেখা করে আদিল এসএসসি পরিক্ষা দেয়। আদিলের চাচুর মেয়ের চেয়ে আদিল খুব ভালো রেজাল্ট করে। আদিলের চাচু একটু খুশি হলেও চাচি খুশি হননি। ওনি খুব হিংসা করতেন। এত ভালো রেজাল্ট করার জন্য।। তাদের মেয়েকে খুব ভালো নামীদামী কলেজে ভর্তি করে দেয়। আদিলও মনে মনে ভাবলো সেই কলেজে সে ভর্তি হবে। কিন্তু এই কলেজে ভর্তি করানো তার বাবার সামর্থ্য নেই। অনেক টাকা লাগবে সেই কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য। প্রতিদিন যাওয়া আসায়ও অনেক টাকা লাগবে। তাই আদিল মনে অনেক কস্ট নিয়ে ভর্তি হয়ে যায় একটি কলেজে। সেই কলেজ তেমন নামীদামী না। তবুও ভর্তি হতে হলো। যাওয়া আসায়ও টাকা লাগবেনা। হেটে যাওয়া আসা যাবে। এইভাবে পড়ালেখা করে আদিল যাচ্ছে। সেই বিদ্যালয়ে আদিল এইসএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করে। এইসএসসি পরিক্ষায় এই বিদ্যালয়ের সবচেয়ে ভালো ছাএ হয় আদিল। তাই সবাই আদিলকে সাহায্য করে। ভালো একটি বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেয়। আদিলের সব কিছুর দায়িত্ব নেন একজন দয়াবান ব্যক্তি। এভাবে আদিল পড়ালেখা করে। সে একটা খুব ভালো চাকরী পায়। আদিলের বাবার আর কষ্ট করা লাগেনা। আদিল পরিবারের ভরন পোষন সব চালায়। তার উন্নতি দেখে গ্রামের সবাই খুশি হন। কিন্তু আদিলের চাচী খুশি হননি। তার এইসব উন্নতি দেখে। আদিল আজ নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছে। এখন কারো সাহায্য লাগবেনা। বরং সে আজ তার চাচাকে সাহায্য করে। চাচার ব্যবসা আগের মত জমজমাট নেই। তাই সে অনেক সাহায্য করে। চাচাও মনে মনে ভাবেন। যাকে আমি এত হিংসা করলাম। আজ সে আমাকে কত সাহায্য করে। কাউকে হিংসা করতে নেই। একদিন সেই হিংসাকৃত ব্যাক্তি সফল হবে। তখন হতে পারে, সেই হিংসাকৃত ব্যাক্তির হিংসার পাএ তুমি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আল্লাহ কী আসলেই ক্ষমাশীল নাকি প্রতিহিংসাপরায়ণ?আল্লাহ কী এখানে বিতর্কিত?
→ হিংসা
→ হিংসা বিদ্বেষ
→ হিংসা এবং অন্ধ ভালোবাসা
→ হিংসা-বিদ্বেষ না করার ফল জান্নাত
→ হিংসার পরাজয়
→ হিংসা
→ কিরে মেয়ে বাবা কোলবালিসের উপরেও হিংসা করে!!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now