বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অসাধারণ প্রেমের গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মানসূর আহমাদ (০ পয়েন্ট)

X আজকের সকালের ঘুমটাও প্রতিদিনের মত বোরিংভাবে ভাঙল। তবু মেসের মধ্যে এমন ঘুম থেকে আরও ভাল ঘুম আশা করা যায়। আমার রুমটা মোটামুটি বড়ই আছে। তবে রুমে ২টা পোলাপাইন থাকে। রাত ৩-৪ টা পর্যন্ত বকবক, কম্পিউটিং, গার্লফ্রেন্ডের সাথে রোমান্টিক কথাবার্তা সবই করে। আমি যে একটা বড় ভাই রুমে আছি সেটা তাদের মনেই হয় না। যদিও ওদের সাথে আমার এজ তেমন ডিফারেন্স না। তবু নিজের কাছেই এদের কথা শুনে কেমন যেন লাগে। . ভার্সিটি যেতে হবে। সকালে উঠেই এদের বকবক শুনে ঘুমটা ভেঙে গেছে। মেজাজটা যদিও খারাপ হচ্ছিল তবুও কিছুই করার নেই। কারণ তারা যত টাকা দেয় আমিও সেম টাকা দেই। সো ওরা আমার কথা শুনতে বাধ্য না। ব্রাশ করতে বাথরুমে ঢুকব। দরজায় ধাক্কা দিয়ে দেখি দরজা লকড। দরজায় কান পেতে শুনি ভিতরে দাড়িয়ে কে যেন রোমান্টিক কথাবার্তা বলতেছে। ওহহহহ গডডডড!!! বাথরুমটারেও রেহাই দিল না। তোরা তো ছেলেই নাকি। এত্ত প্রাইভেসির কি আছে যে বাথরুমে গিয়ে কথা বলতে হবে। বাড়িওয়ালাকে বলে এদের জন্য রুমে সেপারেট পার্ট তৈরী করতে হবে যাতে এদের প্রাইভেসির কোন প্রবলেম না হয়। দরজায় জোরে নক করলাম। . - ঐ কোন ফইনির পুতরে। দেখস না বিজি আছি । (শাওন) - ভাইয়া আমি প্রিয়াস। তা ভিতরে কি কাজে বিজি আপনি?? (আমি) - ওহহহহ সরি ভাইয়া। আপনি এত্ত সকাল সকাল উঠে গেছেন ভাবি নাই। - বের হ আগে তুই। . বের হয়ে এল বাথরুম থেকে। রুমে আরেকজন কথা বলছিল ফিসফিস করে। দুইটারে নিয়া একসাথে বসাইলাম। . - ঐ তোদের প্রবলেম কি। (আমি) - কোন প্রবলেম নাই ভাই। (শাওন) - তুই বাথরুমে ঢুকে কি করতেছিলি?? (আমি) - বাথরুম করতেছিলাম। (শাওন) - কি চাপা মারছ রে তুই। (রাফি) - ঐ চুপ। বাথরুম করলে ভেতর থেকে রোমান্টিক কথাবার্তা শোনা যায়?? তোর পাছা কি সাউন্ডবক্স নাকি?? (আমি) - সরি ভাইয়া আর করব না। (শাওন) - ঐ বেটা রাফি তুই কি করছ হ্যা?? (আমি) - কি করি ভাইয়া?? (রাফি) - তোদের দুইটার বাসায় কিন্তু বিচার দিব। (আমি) - সরি ভাইয়া আর করব না। (রাফি) - এখন থেকে কথা বলার হলে বেলকনিতে গিয়ে বলবি। একজন বেলকনির এইসাইডে আরেকজন অন্যসাইডে। রুমে যদি কথা বলতে শুনছি দুইটারই হাড্ডি মাংস এক করে ফেলব। (আমি) - ওখে ভাইয়া। (শাওন) . চুপচাপ বাথরুমে ঢুকে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে বাথরুম থেকে বেরোতেই দেখি একটাও রুমে নেই। কাহিনী কি!!! গেল কই!!! বেলকনির দরজা দিয়ে উকি দিয়ে দেখি দুইটা দুইসাইডে বসে আবার প্রেমালাপ করতেছে। ওহহহ গডডড!! এদের এত্ত বেহায়া কেমনে বানাইছ। . রেডি হয়ে সিড়ি দিয়ে নামছিলাম। আজও সবসময়ের মত সিমপল ড্রেসই পড়ছি। একটা ঢোলা প্যান্ট আর একটা শার্ট। যদিও আতেল টাইপ দেখা যায়। তবে মাঝে মাঝে আতেল হওয়াতেও মজা আছে। কয়েকটা সিড়ি নামতেই মনে হলো কে যেন দৌড়ে আসল। পিছনে তাকিয়ে দেখি স্নিগ্ধা। বাড়িওয়ালার মেয়ে। সবসময় পিছনে পড়ে আছে। বাচ্চা বাচ্চা ভাব একটা মুখে। এজন্য ধমকও দিতে পারিনা। . - কি চাই? (আমি) - না মানে ভাইয়া কোথায় যাচ্ছেন?? (স্নিগ্ধা) - ক্যাম্পাসে। - আসলে শপিং এ যাইতাম। একটু সাথে নিয়ে যাবেন? - আমার গাড়ি নেই। তোমার বাপের তো গাড়ি আছে ওটা দিয়ে যাও। - নিয়ে যান না ভাইয়া। প্লিজ প্লিজ.... - ওখে। - থ্যাংক ইউ। আমি এখনি রেডি হয়ে আসছি। - আবার রেডি কেন? এটাই তো ঠিক আছে। অনেক সুন্দর লাগছে। - সত্যি ভাইয়া?? তাহলে চলেন। (মেয়েরা পাম পছন্দ করে জানতাম। কিন্তু এতটা পছন্দ করে জানতাম না) . আমার আর আজ ভার্সিটি যাওয়া হলো না। রিক্সায় উঠলাম। একটা শপিং সেন্টারের নাম বলল। শুনেছি অবশ্য কিন্তু যাওয়ার সাহস পাইনি। আসলে এত্ত টাকা নাইতো। শপিং সেন্টারে ঢুকতেছি। ঢুকার সময় কেন জানি পাটা কাপছে। আসলে আমার কোন বড়লোক বন্ধু নেই যে তাদের সাথে এসব শপিং মলে আসব। যদিও কয়েকটা সেই মাপের বড়লোক বন্ধু আছে তবে আমি তাদের সাথে কখনো শপিং এ যাইনা। হয়তবা এরা আমার স্টেটাসটা লাইক করেনা। এজন্য কেউ বলেও না শপিং এ আসার জন্য। আমিও মনে মনে হেসে ফেলি। . যাই হোক স্নিগ্ধা অনেক শপিং করল। এবার খাওয়ার পালা। একটা রেষ্টুরেন্টে গিয়ে বসল। যতই হোক আমি ওর বড়। সো বিলটা আমারই দেয়ার কর্তব্য। অনেক খাওয়াদাওয়া শেষে যখন বিল শোনলাম তখন নিজের কাছে খুব খারাপ লাগল। কারণ এত টাকা আমার কাছে নেই। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে স্নিগ্ধা বিলটা দিয়ে দিল। মনে মনে কষ্ট পেলাম কারণ একটা সাধারন রেষ্টুরেন্টেল বিল দেয়ার টাকা আমার কাছে নেই। . বাসায় এসে পড়লাম স্নিগ্ধার সাথে। আজ আর ভার্সিটি যাওয়া হলোনা। পরদিন সকালে আবার সেম অবস্থা। একটা রুমে আরেকটা বাথরুমে। এই পুলাগুলা এমন বেহায়া কেন। আজ আর নক টক কিছুই করলাম না। চুপচাপ বসে রইলাম। শাওন বের হতেই বাথরুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। সকালে খাওয়া হয়না। কারণ তিন বেলা খাওয়ার মত এত্ত টাকা নেই আমার কাছে। তাই দুপুর আর রাত দিয়েই চালিয়ে দেই। . ভার্সিটি যাচ্ছি। আজও পিছন থেকে স্নিগ্ধার ডাক। . - ভাইয়া কলেজে পৌছে দিবেন??(স্নিগ্ধা) - সরি আপু আজ পারবোনা। (আমি) - ঐ ছেলে আমি কি তোর বোন নাকি যে আপু ডাকস। আর কখনো আমাকে আপু ডাকবিনা। ডাকলে তোর খবর আছে কিন্তু। (বলেই রুমে চলে গেল) - আজিব!!!! কি এমন বললাম। . ভার্সিটিতে পৌছলাম। একটা নির্দিষ্ট জায়গা আছে। সেখানে সবসময় আমার বন্ধুরা থাকে। সেখানে গিয়ে দেখি সবাই আছে। কিন্তু আমাকে দেখে কেউ কোন রিএক্ট করল না। হয়তবা গরিব বলে ওরা আমাকে বন্ধু হিসেবে স্বীকার করে না। তবে কয়েকজন স্বীকার করে। কিন্তু তারাও বড়লোকদের পীড়াপিড়িতে আমাকে পাত্তা দেয় না। আমি আমার মত একটু দূরে বসে পড়ছি। নিজের ১২০০ মডেলের নকিয়াটা দিয়ে সাপ গেম খেলছিলাম। হঠাৎ মনে হলো কেউ পাশে এসে বসল। পাশে তাকিয়ে দেখি মেঘা। এই মেয়েটাই ভার্সিটিতে সবচেয়ে বেশি বুঝতে পারে আমাকে। একমনে তাকিয়ে রইল আমার দিকে। . - কিছু বলবে?? (আমি) - কাল কোথায় ছিলে?? (মেঘা) - বাড়িওয়ালার মেয়েকে নিয়ে শপিং এ গেছিলাম। - ওহহহ তাই বলি। আমি শপিং এ যেতে বললে সময় হয় না। আর বাড়িওয়ালার মেয়ে বললেই সময় হয়। - এমন করে বলছ কেন?? - বলব না?? তা বাড়িওয়ালার মেয়েটা কিন্তু সেই সুন্দর। - তো?? - তো মানে?? পটাই ফেল। ফ্রি ফ্রি বাড়িতে থাকতে পারবা। তোমাদের স্টেটাসের ছেলেরা তো এইসবই খুজে। - বলছ কি এসব? - ঠিকই বলছি। আমাকেও কিন্তু পটাতে পারতে। আমার বাপেরও কম টাকা নেই। তোমার তো দরকার খালি টাকা। - কি হচ্ছে এসব?? (হাত ধরে বললাম) - হাউ ডেয়ার ইউ টু টাচ মি? - কি হয়েছে বলবা তো। - তোমার টাকা লাগলে বলতা আমি দিতাম। তুমি ঐ মেয়ের কাছে গেছ কেন?? আমার থেকে বেশি টাকা দিবে তোমাকে?? এই নাও চেক। যত লাগবে বসিয়ে নিও। . এসব বলেই মেঘা সেই বড়লোক বন্ধুদের এখানে চলে গেল। নিজের মনে মনেই হেসে ফেললাম। এতদিন তো একটা মানুষ ছিল যে আমাকে বুঝত। এখন তাও রইল না। নিজের সকালের খাবারের টাকা বাচিয়ে কথা বলেছি মেঘার সাথে । অথচ মেঘা বলল আমি নাকি টাকার জন্য মেয়েদের পিছনে পড়ে থাকি । ভাল বলেছে। হাসতে হাসতে ক্লাসে চলে এলাম। ক্লাসের সবাই কেমনভাবে যেন দেখছে আমাকে। আমার সমস্যা নেই। গরীবদের এত্ত ইজ্জত থাকতে নেই। . প্রতিদিন ভার্সিটি আসি। মেঘাকেও দেখি কিন্তু মেঘার ভুল ভাঙানোর ক্ষমতা আমার হাতে নেই। একদিন গেছিলাম ভুল ভাঙাতে। ও ওর ফ্রেন্ডদের সাথে বসে ছিল। . - কি ব্যাপার ছেচড়া টাকা শেষ হয়ে গেছে?? (মেঘা) - মেঘা তুমি ভুল বুঝছ। (আমি) - আমার যা বুঝার আমি বুঝছি। দয়া করে তুমি আর আমাকে ডিস্টার্ব কর না। - মেঘা প্লিজ বুঝার চেষ্টা কর। . হঠাৎ একটা ছেলে উঠে এসে আমার কলারে ধরে বলল - . - ঐ তোরে যদি মেঘার আশেপাশে আর কোনদিন দেখছি তোর খবর করে ছাড়ব। (ছেলে) . আমি আর কোন কথা না বলে চলে আসলাম। তবে একটা বিষয় ছিল। ছেলেটা যখন আমার কলারে ধরছিল তখন মেঘার মুখটা বিষন্ন হয়ে গেছিল। হয়তবা আমাকে ভালবাসে তাই। যাই হোক ওকে আর ডিস্টার্ব করা যাবেনা। ও বিরক্ত বোধ করুক তা আমি চাই না। . এর মধ্যে আমি অনেক নিশ্চুপ হয়ে গেছি।রুমের ছোট ভাই গুলোকেও আর বকা হয় না। ওরা মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করে . - ভাইয়া আপনার কি হইছে?? হঠাৎ করে এমন হয়ে গেছেন কেন। (শাওন) - আমি নিশ্চুপই থাকি। . প্রতিদিনের মত আজও ভার্সিটি আসছি। এর মধ্যে মেঘার সাথে কথা বলা হয়নি। তবে মেঘাকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতাম। কেন যেন মেঘাকে বিষন্ন দেখাত। . ভার্সিটি শেষ করে বাসায় আসছিলাম। হঠাৎ মনে হলো কে যেন পিছন থেকে হাতে টান দিয়ে ধরল। পিছনে ফিরে দেখি মেঘা। . - আমার আর টাকা লাগবেনা আপু। আমি গরীব হলেও ভিক্ষুক নই কিন্তু। আর এই যে আপনার চেক। একটা পাতাও খরচ হয়নি। (আমি) - প্রিয়াস শোন। (মেঘা) - না থাক। আপনারা তো আবার আমার স্টেটাসের লোক পছন্দ করেন না। আমরা তো ছোটলোক। খালি টাকার জন্য প্রেম করি। - প্রিয়াস আমি সরি। - আরে না না। কি বলে।আপনার মত লোক আমাকে সরি বললে আপনার স্টেটাসের অবমাননা করা হবে। আপনার ফ্রেন্ডদের অবমাননা করা হবে। - প্রিয়াস প্লিজ স্টপ। - আরে না। স্টপ করব কেন। আর হ্যা শুনেন আমি গরীর হলেও এতটা লোভী নই যে টাকার জন্য ভালবাসা নিয়ে খেলব। ভাল থাকবেন আপু। . পেছনে ঘুরে চলে আসছি । মেঘার চোখে স্পষ্ট পানি দেখতে পেয়েছি । কিন্তু আমার মাঝে আজ নিষ্ঠুরতা জেগে উঠেছে। আনমনে হাটছিলাম। নিজের কাছেই খারাপ লাগছে। হঠাৎ কে যেন আবার হাতে টান দিয়ে ধরল। পেছনে ঘুরতেই.... . - ঠাসসসসসসস...... . গালে হাত দিয়ে হা করে তাকিয়ে আছি। মেঘা কাদছে। . - খুব কথা শিখে গেছ না?? (মেঘা) - হুম। শিখতে বাধ্য করেছ। (আমি) - তো কি হয়েছে?? নিজের গার্লফ্রেন্ডকে কেউ এভাবে সবার সামনে অপমান করে?? - তুমিও তো করেছ। - কুকুর কামড় দিলে কি কুকুরকে কামড় দিতে হয়। - তার মানে তুমি কুকুর?? - কি বলছ?? - আরে না এমনি বললামম . হঠাৎ এসে বুকে ঝাপিয়ে পড়ল। আমিও জড়িয়ে ধরলাম। . - একটা কথা বলব মেঘা?? (আমি) - বল। (মেঘা) - আমার সাথে তোমার যায় না আমি গরীব। তারপর লোভী। যদি তোমার সাথে চিট করি?? - লজ্জা দিচ্ছ?? - না। সত্যি বলছি। - আমি জানি আমার প্রিয়াস কখনো আমার সাথে চিট করবে না। - এটা আগে জানতে না?? - জানতাম। কিন্তু ঐদিন ঐ মেয়েটার সাথে তোমাকে দেখে রেগে গিয়েছিলাম। - রাগ থেকে এত্ত কিছু?? - হুম। অনেক কষ্ট দিয়েছি না?? - হুম। - এখন ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দেব। চলবে না?? - চলবে মানে দৌড়াবে। - ভালবাসি। - আমিও। - পুরোটা বল। - ভালবাসি তোমাকে অনেক মেরা স্বপ্নকা রাণী। . মেঘা আবার জড়িয়ে ধরল। একটু দূরে তাকিয়ে দেখি আমাদের ক্লাসের সবাই দাড়িয়ে আছে। এদের মধ্যে ঐ বড়লোকগুলাও আছে। হঠাৎ সবাই একসাথে দৌড়ে এসে আমাদের দুইজনকে ঘিরে ধরল। আজ নিজেকে গরীব বা তুচ্ছ মনে হচ্ছে না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৪৭৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অসাধারণ প্রেমের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now