বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইসরাত বললো,"ওহ তার মানে সবকিছু তোদের প্লান্ট।এইযে সেদিন চশমা ভেঙে দেওয়া ,রেস্টুরেন্টে যাওয়া ,তোর থেকে ফেসবুক আইডি নেওয়া আবার শাড়ির দোকানে যাওয়া সবকিছু প্লান্ট!"
"না ইসরাত সবকিছু না।যেদিন ভাইয়া চশমা ভেঙে ফেলে সেদিন তোদের প্রথম দেখা।তারপর ভাইয়া ভাবছিল তোর আর কোনো চশমা নাই নিজেকে অপরাধী মনে করে চশমা কিনে দিয়েছিল আর সেদিনই তোকে ভালো লেগে যায় আর ভাইয়া আমাকে সবকিছু বলে।তারপর ভাইয়া বলে তোর আইডির লিংক দিতে।আমি দিলাম।"
"আর উনি বলেন যে ফেসবুকে দেখলাম যে আপনার আইডি আপনার পিক দেওয়া তাই বুঝে গেছি ঐটা আপনার আইডি।কিন্তু আমি তো জানিই না তুই আইডি দিয়েছিস।"
"ইসরাত রাগ করিস না।"
ইসরাত কিছু না বলে আবার সেই জায়গায় এলো যেখানে রনি আড্ডা দিচ্ছিল।রনি সেখানেই বন্ধুদের সাথে বসে আছে।ইসরাত রনির সামনে দাঁড়ালো।রনি ইসরাতের সামনে দাঁড়িয়ে গেল।রনি বললো,"কি আপনি এখানে?"
"রিফাহকে কি বলছেন?"
"রিফাহকে তো অনেক কিছুই বলি।কোনটার কথা বলছেন?"
"আমার কথা কি বলছেন?"
"বলছি আপনি কোন ক্লাসে পড়েন কি নিয়ে পড়েন।আপনারা ব্রেস্ট ফ্রেন্ড হয়েও এক সাবজেক্ট নেননি।তবে আপনার সাবজেক্ট কিন্তু দারুন!"
"আর কি বলছেন?আমাকে কি ভালোবাসেন?"
"না।"
ইসরাত ব্যাগ থেকে ছুরি বের করে আর এক হাত দিয়ে রনির শার্টের কলার চেপে ধরে বললো,"এটা কি দেখছেন?"
রনি মনে মনে ভাবতে লাগলো,"মেয়ে না কি মেরে ফেলবে নাকি!"
ইসরাত বললো,"কি হলো চুপ করে আছেন কেন?বলেন সব সত্যি কথা।"
রনি চুপ হয়ে আছে।ইসরাত ছুরি রেখে একটা পিস্তল বের করে বললো,"এখনও মিথ্যে বলবেন নাকি?"
"না।"
"বলুন সত্যি কথা।"
"হুমম ভালোবাসি অনেক।"
"আর কোনোদিন যদি এইভাবে সামনে দেখি তাহলে গুলি করে দেব।আর এই দুটোকেও যদি দেখি তাহলেও মেরে ফেলব।"
শান্ত একটু এগিয়ে এসে বলল,"আপু আমাকে মেরো না।আমি মরে গেলে আমার বউ বিধবা হয়ে যাবে।"
নীরব বললো,"শুধু কি তোর বউ বিধবা হবে আমার বউ তো বিধবা হয়ে যাবে।"
রনির গলা শুকিয়ে গেসে।চুপচাপ হয়ে আছে।ইসরাত তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে গেল।শান্ত আর নীরব কাছে আসলো।নীরব বললো,"ভাই কি এই মেয়েকে ছেড়ে দে।"
রনি কিছু না বলে বাসায় গেল।
৫ দিন পর
রনি মন আর মানছে না।কিছুই ভালো লাগছে না।শান্ত আর নীরবকে অনেক বলে রাজি করালো ইসরাতের কাছে যেতে।এক ঘন্টা পর ইসরাত আসলো।রনি ইসরাতের পথ আটকালো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now