বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে পড়া শুরু করুন
জিজেসরা সবাই সিদ্ধান্ত নিল যে ৪০ জনের মধ্যে ৫ জন যাবে মিঃইউরেকার এআই আনতে , ২৫জন বারমুডা দ্বীপে ও বাকি ১৫জন দেশে থাকবে । দেশের থাকার কারণ , যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে তাদের আনবে । যারা দেশে থাকবে তারা মানতেই চাইলো না যে তারা যাবে পরে ।
যারা মিঃইউরেকার এয়াই ও মেশিন আনতে যাবে তারা হলঃ আমি ,ইফতি,সাইমন ব্র,লুমিভাই এবং দ্যা বিদ্দু
আর যারা বারমুডা যাবে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ তানিম্বাই,হাসনাইন ব্র,শাহারিয়ার,বিজয় ভাই,তুষার ভাই,হৃদয় ব্র,ইকবাল,রিদা,তারিন,পিচ্ছি গোয়েন্দা (ফারহান),সাইম ভ্র,রেহনুমা আপি, আরিজা এবং রিধি,তুবা আপু ,জান্নাত আপু , মুস্তাফিজ ব্র ।
মিটিং করতে করতে ২টা বেজে গেল ।
A গ্রুপের লিডার(এআই আনতে যাবে যারা)-আমি ।
B গ্রুপের লিডার(যারা বারমুডা যাবে তারা)-মিঃA
C গ্রুপের লিডার(যারা দেশে থাকবে)-সিয়াম ভাই
সবার আগে গ্রুপ বি বেরিয়ে পড়েছে বারমুডার জন্য । বিজয় ভাই সবার জন্য ফ্রেশ ভিসা দিয়ে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে । সবাই নিজের পাসপোর্ট চেক করিয়ে প্লেনে উঠল । এদিকে মুস্তাফিজ আসতে দেরি করে দিছে । সবাই জানালার সিটের জন্য পারা-পারি করতেছে । এইদিকে বি গ্রুপের আগে ইন্ডিয়ার মুম্বাইয়ে ল্যান্ড করে আবার ইউরোপের ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করে মিয়ামিতে আবার প্লেনে যেতে হবে । সেখান থেকে বারমুডা যেতে হবে জাহাজে । কন অবস্থাতেই বারমুডা ট্রাইএঙ্গেলের বিতরে দোকা যাবে না ঢোকলেই বিপদ ।
গ্রুপ A এর দিকে দৃশ্য পরিবর্তন ।
আমিঃ আমরা এখন কোথায় যেন যাচ্ছি ভুলেই গেলাম ।
ইফতিঃ কই আবার মেশিনটা আনতে আমি ঐটা হাতে পাইলেই জিজ্ঞেস করব তানিম ভাইয়ের বিয়ে কবে হবে ।
আমিঃ তুমি কি জিজ্ঞেস করবা লুমি ভাই ?
লুমিঃ আমিতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফটওয়্যারকে ব্যবচ্ছেদ করে ফেলতাম ।
বিদ্দুঃ আমিতো পুরা সোর্স কোডই কপি করতাম ।
এভাবে কিছুক্ষণ কথা বলতে বলতে আমরা পৌছে গেলাম আমাদের গন্তব্যে কেউ টেরই পাইনি । আসলে গল্প করতে করতে কখন সময় কেটে যায় বলাই যায় না । বাসাটা সাইমন ভাইয়ের ও তার চাচার । চাচা মারা যাওয়ার পর তিনি একাই থাকেন । বাসায় ঢোকা মাত্রই লাইট জ্বলে উঠল ; সেন্সর আছে তাহলে । ঘরে ঢোকা পর-পরই আমরা সিআইডির মত সার্চিং শুরু । প্রায় ১ঘন্টা খুঁজা-খুঁজির পর আমাদের উদ্দেশ্যর অবসান ঘটিয়ে দিল ইফতি । স্টোর রুমের মধ্যে রাখা ছিল বাক্সটি । দেখতে বেশ পুরনো মনে হলেও আসলে নয় । খুলতে একটু অসুবিধা হল পাসওয়ার্ড ছিল তাই । কিন্তু দাঁড়ান নো প্রবলেম আমাদের সাথে আছে দুজন হ্যাকার আর তাদের পাসওয়ার্ড ক্রেকার টুলস । আধা ঘণ্টা পর যখন বাক্সটা খুলল উৎসাহী ইফতি । তখন ঘটল বিপত্তি ; খুলা মাত্রই কোন একটা পাঞ্ছিং বা বক্সিং গ্লাভস টাইপের কিছু তার মুখে মারল ঘুষি । তবে নাকটা একটু বাঁকা হয়ে গেছে ।
ইফতিঃ ওরে মাগোওওওও! কে মারছে তারে আমি ছাড়ব না ।
আমিঃ বক্সিং গ্লাভস আর স্প্রিং দিয়ে ট্র্যাপ ছিল ।
ইফতিঃ দাঁড়া ব্যাটা মজা দেখাই মোরে মাইরা নাচতাছে । ওওওওওওউউউউউ!
(যেই টান মারার চেষ্টা করল স্প্রিং ধরে তখন ১০০ বোল্টের শক খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল)
লুমিঃ আরে!তাড়াতাড়ি ধর ওরে !
সাইমনঃ কি হল ওর কে জানে কি রকম নেচে পড়ে গেল ! দাঁড়াও আমি দেখি সমস্যা কোথায় ?
আমিঃ স্টপ !
সাইমনঃ কি হল?
আমিঃ মেবি ওখানে কারেন্ট এর সংযোগ আছে
লুমিঃ হুম হতে পারে ! একটা রাবারের শক্ত গ্লাবস দাও তো ?
বিদ্দুঃ আমার কাছে তো নরম আছে শক্ততো নাই
লুমিঃ তাহলে কি করি নরম গ্লাভস পড়ে গেলে তারে ছিঁড়ে যাবে আর আমিও শক খাব
আমিঃ আমার জুতা তো রাবারের এক কিক মেরে শেষ করে দেব !
সাইমনঃ তাহলে তাই কর!
আমিঃ হাইয়া-হু ; নেন শেষ !
আর কোন ট্র্যাপ আছে কিনা তা চেক করে আমি বক্স এর উপর থেকে ট্র্যাপ খুললাম । খুলার পর পেলাম একটা ছোট বক্স এরপর আর একটা এরপর আরও একটা তারপর নাই । সেখানে ছিল ২টা পেনড্রাইব আর একটা কাগজ । কাগজটা পকেটে ঢুকিয়ে রাখলাম যাতে কোন কাজে লাগলে বের করতে পারি সহজে । দ্যা বিদ্দু আর লুমিব্র তো ল্যাপটপ নিয়ে রেডি । দ্যা বিদ্দু নিল প্রথম পেনড্রাইব ও লুমিব্র দ্বিতীয়টা । বিদ্দুর ভাগ্য খারাপ তাই তার পেনড্রাইবে ছিল ভাইরাস । আর হল পুরা ল্যাপটপ নষ্ট । কিন্তু , ২টা ছিল আসল । কিন্তু পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড আছে খুলার কত ট্রাই করছি পাসকোড পাইই নাই । পরে আমি বের করলাম কাগজটা (যেটা পকেটে আছে) । সেখানে লেখা যেকোনো একটা পেনড্রাইবে ভাইরাস আছে যেটা আক্রান্ত পিসিকে ১৫মিনিটের মধ্যে পুড়িয়ে ফেলবে । আমরা সেটা শুনা মাত্রই পেনিক হয়ে পড়ি । তাড়াতাড়ি খুঁজি ঘড়ি কই পাই-ই না অথচ ঘড়ি আমার হাতেই আছে । এখনও ৫ মিনিট আছে তাই আবার চেক করি কাগজ । সেখানে পরের পাতায় লেখা সবই ফেক।
আমিঃ হুহ ফেক ছিলও
লুমিঃ ও বেটা আমাদের মেন্টাল শক দিলও
ইফতিঃ(অজ্ঞান হওয়ার পর তাকে পানির ছিটা দিয়ে জাগিয়ে ছিলাম) আমি ভাবলাম মরেই যাব বোধহয় ।
আমি ক্রসচেক করলাম যে আর কিছু আছে নাকি । দেখলাম নিচে মোটা কালি দিয়ে লেখা উপরের লেখা মিথ্যা পিসি বোমে পরিণত হয়েছে । হেপি এন্ডিং বাই বাই ।
আমিঃ ওরে বাবা! বোমা থুক্কু পিসিতো ফুটবেই একে বলে ডবল মেন্টাল শক ।
লুমিঃ আর কত সময় আছে???
বিদ্দুঃ ৪৭সেকেন্ড পালাও !!!
আমিঃ নো এই বাড়ির পাশেই জঙ্গল মানে বড় জঙ্গল আছে সেখানে ফালাই বোম রেঞ্জ বেশি না ।
লুমিঃ কত?
আমিঃ ১৫মিটার
লুমিঃ তাহলে তাড়াতাড়ি কর!!
আমিঃ আচ্ছাআআআ!
তারপর কি হল জানার জন্য চোখ রাখুন পরের পর্বে । ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন । গল্প বোরিং লাগলে দুঃখিত আসলে লেখতে ইচ্ছা করে না সবসময় । গল্প দিয়েছি ২৫ সেপ্টেম্বরে দেখি পাবলিশ হয় কখন ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now