বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দারিদ্রতা,ক্ষুধার্ত্বতা,ভালোবাসার তৃষ্ণা, মানুষকে বাঁচার অনুপ্রেরণা অনেক পরে দেয় আগে তাকে ভোগ করতে হয় বুক ফাটা কষ্ট।মধ্যবৃত্ত ধরে বাস করে একদিন মাছ খেতে না পারা বা কোনো বস্তু চাওয়ার সাথে সাথে না পাওয়াটা ঠিক আমার কাছে দরিদ্রতা না। দারিদ্রতার সঙ্গা দরিদ্ররাই দিতে পারে কারণ তারা ছোট ছোট অভাবে আমাদের মতো কাঁদে না।
নদীর পাড়ে ছোট ঘর তিন বছর হলো এসেছে হরিকাকা তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিতে বাড়ির অবস্থা খুব একটা ভালো না ।বরণকারী জাল বোনার কাজ করে। খুব বেশী বুনতে পারে না বয়স হয়েছে।।
মেয়েরা দুজনই বাড়ির কাজ করে বড় মেয়ে জাল বুনতে পারে বোনে কিন্তু এখনো পটুতা আসেনি তবে বুনত রাত জেগে।স্কুলে পরানো ক্ষমতা তার নেই ।সমার্থ যেমন নেই সাহসও নেই কারণ স্কুল বাড়ি থেকে দূরে এবং তার মেয়েদের দুর্ভাগ্য তারা দরিদ্র পরিবারে অমানানসই মানে সুন্দরী হয়ে জন্ম নিয়েছিল। ছোট তনু মেলার থেকে দেখতে সুন্দর।
মেধা তার বাবা কষ্টগুলো বুঝতো তাই জামাকাপড়সহ অনান্য জিনিসগুলো খুব যত্নের সাথে ব্যবহার করত যেন তারাতারি নষ্ট না হয়। তার বাবা তাকে ভালোবাসে কিন্তু তার ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম তিনি খুঁজে পেতেন না কারণ তাঁর নিজের সামর্থ্য নেই।
রাতে সবাই ঘুমানোর পর মেঘা তার মা বাবার কষ্টের কথাগুলো শুনতে আর তার মনকে শক্ত করতো।
নদীর পাড়ে বাড়ি হওয়ায় নৌকাবাহি নানা লোকের নজর পড়ত তাদের উপর মেঘা লক্ষ্য করেছে দুজন ছেলে প্রায় প্রতিদিন আসত নদী পাড়ে কোনোদিন অনেকসময় থাকত কখনো না ।
ভালোবাসার তৃষ্ণা তো তাই হয়তো সাধারণ বিষয়কেই বড় করে দেখছে মেধা হয়তো তারা ঘুরতে আসে কিন্তু তাহলে মেঘার দিকে তাকিয়ে থাকে কেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now