বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিসমিল্লাহ্হির রাহমানির রাহিম
আসসালামুআলাইকুম। আজ আমি গল্পের ঝুড়িতে আমার জীবনের প্রথম গল্পটি শেয়ার করবো। so ভুল ত্রুটি মাফ করবেন
গল্পের নাম : অভিশাপ
লেখকের নাম: ফাহমিদা সুলতানা ( অবন্তি )
আলিজা এবং মুগ্ধ একই স্কুলে পড়ত।মুগ্ধ ছিল বখাটে।আলিজা ছিল গরীব ঘরের কালো মেয়ে।সে ছিল শক্ত মনের মানুষ।কোনো ছেলের প্রতি তার কোনো দুর্বলতা ছিলনা। but হঠাৎ করে আলিজা মুগ্ধের প্রতি দুর্বল হয়ে পরে।যদিও জানতো মুগ্ধ বখাটে ছেলে সে মেয়েদের মন নিয়ে খেলা করে।তবুও তাকে ভালোবেসে ফেলে। but কোনো দিন মুগ্ধকে বুঝতে দেয়নি। কিন্তু যখন আলিজার বান্ধবীরা জোড় করলো তখন তার জীবনের প্রথম প্রেম পত্রটি লেখলো।কিন্তু মুগ্ধ যখন প্রেমে পত্রটি পেল তখন আলিজাকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়।তবুও আলিজা তাকে ভুলেনি যদি মুগ্ধ ফিরে আসে এ আশায়।হঠাৎ একদিন মুগ্ধ আলিজাকে ফোন করে।আলিজাতো অবাক বলে তুমি আমার নম্বর কোথায় পেলে। মুগ্ধ হেসে বলে মনের টান থাকলে সব সম্ভব।আলিজাও তা বিশ্বাস করে।টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে মুগ্ধকে সিগারেট কিনে দিতো।কিছুদিন মুগ্ধ আলিজাকে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ মহূর্ত গুলো উপহার দেয়।একসাথে পার্কে যেতো।কিন্তু হঠাৎ করে মুগ্ধ আলিজাকে ignore করা শুরু করে। সব জায়গা থেকে আলিজাকে block করে দেয়। আলিজা অনেক চেষ্টা করে যোগাযোগ করার কিন্তু পারেনা।হঠাৎ তার মনে হলো মুগ্ধের সাথে যখন তার যোগাযোগ ছিল তখন মুগ্ধ একটি বখাটে ক্লাবের কথা বলেছিল যেখানে সে প্রায় যেতো। তাই আলিজা আর দেরী না করে সেখানে যায়। গিয়ে দেখে মুগ্ধ একটি মেয়ের সাথে বসে আছে। আলিজাকে দেখে মুগ্ধ অনেক অপমান করে। বলে তোমার মতো একটি কালো মেয়েকে আমি ভালোবাসবো ভাবো কিভাবাে আমিতো তোমার সাথে timepase করেছি।আমার সাথে ও হচ্ছে আমার g.f ওর সাথে তখন আমার ঝগড়া হয়েছিল এবং কিছুতেই সময় কাটছিল না । তাই borring life এ তোমার সাথে timepase করেছি।আলিজা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে আসে।এর কিছুদিন পর মুগ্ধেরর g.f মুগ্ধকে ছেড়ে আরেক জনকে বিয়ে করে।মুগ্ধ তখন খুব কষ্ট পায়।আর বারবার মনে পরে আলিজার কথা, ঐদিন আলিজার দেওয়া অভিশাপের কথা।মুগ্ধ ঠিক করে আলিজার কাছে যাবে।মুগ্ধ যখন আলিজার বাড়ি যায় তখন একটি ছেলে এসে তাকে একটি চিঠি দিয়ে বলে আলিজা আপু দিতে বলেছে। মুগ্ধ চিঠি পড়তে শুরু করে।
প্রিয় মুগ্ধ,
আশা করি ভালো আছো। জানি ভালো থাকবে। জানো সেদিন না খুব কষ্ট হয়েছিল যেদিন তুমি বলেছিলে আমার মাঝে কি প্রতিভা আছে যে তুমি আমাকে ভালোবাসবে।তোমার দেওয় কষ্টেগুলো আমি বহন করতে পারিনি। আমার বিশ্বাস ছিল তুমি একদিন আসবে।কারণ আমার ভালোবাসা ছিল প্রকৃত ভালোবাসা ততে কোন খাদ ছিল না।তাই তোমার দেওয়া কষ্ট গুলো তোমাকে দিয়ে গেলাম।আত্মহত্যা করতে বাধ্য হলাম।তুমি যখন চিঠি পড়ছো তখন আমি না ফেরার দেশে।আর বলার কিছু নেই। ভালো থেকো। সুখে থেকো।
ইতি
মৃত আলিজা
মুগ্ধ আজও আলিজার জন্য কাদেঁ তবে দিনে নয় রাতে যা কারো কান পর্যন্ত পৌছায় না সবার বালিশের মধ্যে শুধু তুলা থাকলেও মুগ্ধেরর বালিশ তুলা আর অশ্রুর মাখামাখি।মুগ্ধ ঘর খেকে বের হয় না।বের হলে তার দম বন্ধ হয়ে আসে। মুগ্ধ জানে এটা আলিজার অভিশাপ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now