বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বন্ধুদের সাথে কফি হাউজের আড্ডা টার জুড়ি মেলা ভার। এর কারণটা এভাবে বলা যেতে পারে।
একটা কাপ কফি,হাজার সমস্যার,
সমাধান কোথায়?
আলোচনা আর সমালোচনার
কফি হাউজের আড্ডায়।
তবে কলেজের পরীক্ষা শুরু হওয়ায় আড্ডাটা বন্ধুই হয়ে যায় ।
তার কিছুদিন পরে বন্ধুর ফোন আসে।তারা বলে কফি হাউজের আড্ডা
দিতে। বাঃ কী মজা।
পরদিন আমি গেলাম।অনেক দেরি হয়েগেছে।ওরা কী অপেক্ষা করবে? কফিহাউজে ঢুকে দেখলাম,ওরা কেও নেই।ব্যাপার কী?হতাশ হয়ে মনে মনে ভাবলাম হয়তো চলে গেছে।হঠাৎ পেছন থেকে কোর্ট-প্যান্ট পরা একজন ডাকল,শুভ্র! কাছে যেতেই বলে উঠলো,
-কেমন আছ,শুভ্র সেন? কত বছর পরে দেখা।
-এসব কী বলছেন?আপনি আমার নাম জানলেন কীভাবে?
-তুমি আমাকে চিনতে পারছ না।আমি তোমার বন্ধু নিরুপম।
-নিরুপম!কী বলছেন আপনি?
-হ্যাঁ।
-২৫ বছরের ছেলেকে আপনি আপনার বন্ধু বলছেন?
-না।নিজের দিকে চেয়ে দেখ তুমি এখন বোধহয় ৪৫ এ পরেছ।দীপন আমাকে ফোন করে জানিয়েছিল তুমি প্রফেসরের চাকরি পেয়েছ।আমাকে বিশ্বাস না করলে ঐ আয়নায় গিয়ে দেখ নাম।
-অবিশ্বাস্য।আমাকে বয়স্ক লাগছে।মনে হচ্ছে ৪৫ বা তারও বেশি।হঠাৎ চারপাশে চোখ দিতেই দেখলাম সবাই বৃদ্ধ। তরুণ -যুবক কেও নেই।আমার কেমন সব অদ্ভুত মনে হলো।যাইহোক কেমন আছে নিরুপম?
-আছিই বেশ।কিন্তু দীপেনের-
-কী হয়েছে ওর।ও আমার প্রিয় বন্ধু।
-প্রিয় বন্ধু! ওতো তোমাকে তোমারি বানানো ঔষুধ দিয়ে মারতে চেয়েছিল।ওকে এখনো প্রিয় বন্ধু বলছেন?
-ও আমাকে মারতে চেয়েছিল কখন?আমার তো কিছু -
-তুমি ভেবো নাম,ওআর বেঁচে নেই।
-কী বলছ তুমি?
-বলছি শোন।১৯৯৫ সাল।আমরা একসাথে একটা জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে ফিরে ঘরে ঢুকতে না ঢুকতে একটা কল আসল।একজন খুব রাগান্বিত স্বরে বলল, No man exemptimg of betrayal.আরও কিছু জিজ্ঞেস করতেই ফোন দিল কেটে।সেদিনতো ভেবেছিলাম কোন বন্ধুর মজা।কিন্তু এখন বুঝছি।
-কেন?
-দীপেন আর বাকী বিশ্বাসঘাতকরা কেও নেই। তাদের মৃত্যু ঘটেছে নৃশংস ভাবে।কিন্তু সবাই নাকী আত্মহত্যা করেছে।
-আশ্চর্য!
-শুভ্র, আমরা যদি কারো সাথে betrayal করি তো আমাদেরও পালা আসবে
-ধুর!আমি ভাবছি কফি হাউজের সবাই শাস্তি পাবে বাকীরা পাবে না?
-এখানের সবাই নেয়।যারা অন্যের বিশ্বাস নিয়ে খেলবে শুধু তারাই।
-উফঃ,তুমি বার বার এককথা আনছ কেন?আামার মনে হয় কোন রহস্য আছে।তুমি কিছু জান?
-লোকমুখে কিছু শুনেছি।১৯৪৭সালে দেশভাগের পরও গিলর্বাট স্টোন নামের এক লোক ৯০ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেছে।এই কফিহাউজে।শুধুমাত্র এক বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায়।
-কী?এটা করার ছিল কিছুদিন পরতো এমনিতেই মরতো।
তুমি বলতে চাও গিলবাট তার জন্য এখানে বিশ্বাসঘাতদের মেরেছে?
হা-হা-হা তুমিও না।
তারপর দুজনে বেরুলাম। নিরুপম আমাকে গিলবাটের যত সব আজগুবি গল্প শোনাতে লাগল।কখন যেন আমাকে কবর স্থানে নিয়ে এলো বুঝলাম না।হঠাৎ সেই কোথায় হারিয়ে গেল।তারপর হঠাৎ নিরুপমের কফিন। তারপর বুঝলাম ওটা, গিলবটের আত্মা। না না। তারপর দেখলাম এটি কফিন। এবার বঝোলাম নিরুপমে কথা সত্য।কফিন
ওপর লেখা আছে।
Here sleep a person,who killed by his friend Betrayal.
Year(1965-1995)
Name- Shubro Sen.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now