বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"ভালোবাসা" ২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)

X আসসালামু আলাইকুম।সকলে কেমন আছেন।আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। লেখকঃমফিজুল ১ম পর্বের পর- রিনাঃ আপনি রবিন না রহিমুদ্দিন সেটা আমার কি। আমিঃ ইয়ে মানে আমি এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলাম। রিনাঃ তো যাচ্ছিলেন বেশ করছিলেন আবার থামলেন কেন? আমিঃ আপনাকে দেখে!!! রিনাঃ কি?? আমিঃ না মানে আপনার মতো একলা অসহায় মেয়েকে দেখে। রিনাঃ আমি অসহায় বা একলা না আমার বন্ধু রা আছে আমরা এখানে পিকনিক এ এসেছি। তখনই রিনার বন্ধু লাবণ্য তাকে ডাক দেয়। আর সে চলে যায়। আমিও চলে যাই তারপর পিকনিক স্পট এ ওর সাথে আমার দেখা হয়। কিন্তু ও কিছুই বলেনি।আমিও তেমন গুরুত্ব দেইনা।এরপর রাতে খেয়ে বন্ধদের সাথে আড্ডা দেই আর গান শুনে ঘুমিয়ে পড়ি।এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে গিটারটা নিয়ে বের হই।এখানের পরিবেশ আবহাওয়া অনেক সুন্দর।তাই খোলা মনে গান গাওয়া যাবে।তারপর একটি শান্ত স্থানে আসি আর গান গাওয়া শুরু করি। অনেকখন গান গাওয়ার পর আমি অনুভব করি কেউ যেন আমার সাথে বসে আছে আর আমার গান শুনছে।ঘাড়টা ঘুরাতেই দেখি রিনা বসে আছে। রিনাঃ কি হলো থামলেন কেন? আমিঃ আপনি এখানে....... রিনাঃ হে আরকি হাঁটতে হাঁটতে এখানে এসে পড়ি।আর কালকের দিনের জন্য সরি আমি জানতাম না যে আপনি আমাদের কলেজে পড়েন। আমিঃ আরে সরি কেন বলছেন।আমি কিছু মনে করিনি। রিনাঃ আপনি নিশ্চই 3rd year এর ছাত্র। আমিঃ হুম।আর আপনি 2nd year এর ছাএি। রিনাঃ হুম চলেন একটু ওদিকে যাই। আমিঃচলেন। আমরা হাঁটতে থাকি আর কথাও বলি আমিঃ আপনার কি করতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে? রিনাঃ বই পড়তে আর গান শুনতে বেশি ভালো লাগে। আর আপনার? আমিঃ আমার গান গাইতে ভালো লাগে। রিনাঃ হুম আপনার গানের গলা অনেক সুন্দর। আমিঃ ধন্যবাদ। রিনাঃ আপনার বাসায় কে কে আছে আমিঃ মা,বাবা আর আমি রিনাঃ আপনার ভাই বোন নাই আমিঃ না! আমি একা আর আপনার রিনাঃ আমার ভাই আছে ওনার বিয়ে হইছে। আমিঃ ওও এইভাবে কথাবার্তা চলে দেখতে দেখতে পিকনিক এর দিন শেষ হয়। যাওয়ার সময় ওর সাথে আমার দেখা হয় নি।রাতে ঢাকায় চলে আসি। অনেক ক্লান্ত ছিলাম।বাসায় যেয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পরি। কলেজ দুই দিন এর জন্য ছুটি ছিল। তো আমি একদিন বিকেলে একটু বের হই।মাকে বলেছিলাম সন্ধার আগে ফিরে আসব।কিন্তু আর সেটা হল না পথে রিনার সাথে দেখা হয়। আমিঃ আরে আপনি এখানে রিনাঃ ফুসকা খাওয়ার জন্য বন্ধুদের সাথে বের হয়েছিলাম।তো আপনি কেন এখানে আমিঃ ঘরে একা একা ভাল লাগছিল না তাই.... রিনাঃ ও বুঝেছি হাঁটতে বের হয়েছেন। আমিঃ হুম। তো আপনার বন্ধু রা কোথায়? রিনাঃ ওই তো ওরা ওখানে ফুসকা কিনছে।আপনিও আসুন না একসাথে খাব। আমিঃ আরে না না আমি ফুসকা খাই না আপনারা খান। রিনাঃ আরে আসুন না মজাই লাগবে ফুসকা তো সবাই খায়। আর কি করি অন্তত ৩ টা ফুসকা খেয়েছি।জানিনা মেয়েরা এত ফুসকা প্রেমি কেন।মনে করেছিলাম এই তিনটার জন্য ৫ টাকা যাবে।কিন্তু ওমা এত দেখি ৫০ টাকা গেল।রিনার বন্ধু রা আমাকে তেল মেরে ফুসকার বিলটাও দেওয়াইল।সন্ধা নামতে চলল।তাই ওদের থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। বাড়িতে আসতে আসতে সন্ধা নেমে গেছে।যখনই ভিতরে যাই ঠিক তখনি মা আমার কানটা ধরে টানতে শুরু করল। মাঃ তোকে কি বলেছিলাম সন্ধার আগে আসতে আর তুই... আমিঃ আরে মা রিনার সাথে ছিলাম( মুখ ফসকে) মাঃ কি রিনা সে আবার কে আমিঃ না মানে মা মাঃ সত্যি করে বল রিনা কে নাহলে তোর বাপরে বলতাছি আমিঃ আরে বাবা কেন টানছ রিনা তো আমার বন্ধু।। মাঃ কি তোর তো কখন মেয়ে বন্ধু ছিলনা।।।।। #চলবে# Next Part coming বিদ্রঃ এই গল্প এ কোন ভুল হলে আমাকে নিঃসন্দেহে বলবেন।আমি ঠিক করব। #gj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "ভালোবাসা" ৩ বা শেষ পর্ব
→ "ভালোবাসা" নাকি "মায়াজাল"
→ "ভালোবাসা" ১
→ "ভালোবাসা"
→ "ভালোবাসা"-হেরে গেল,বন্ধুত্বের কাছে=॥

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now