বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ক্রাশ এর সাথে বিয়ে”

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Dipro(guest) (০ পয়েন্ট)

X Part3 পরে আর কিছুক্ষ্ণ আড্ডা দিয়ে বাড়ি চলে এলাম। পরের দিন গাড়ি নিয়ে ভার্সিটিতে গেলাম। দেখি কেম্পাসে বড় ভাইরা এলাকার গুন্ডা মাস্তান লইয়্যা খারাইয়্যা আছে। --ওই যে শালায় আইসা পরছে।।(বড় ভাই) --wait wait….. ওরে কাছে আসতে দে………(গুন্ডা ) আমি কাছে আসতেই ওরা আমাকে সাইড দিয়া দিলো। আর আমি ক্লাস এ চলে গেলাম।। --ভাই ওরে ছেরে দিলেন কেন?(বড় ভাই) --তুই হেরে চিনস? (গুন্ডা) --হেয় তো দুই দিন আগেও ক্ষেত আচিলার এহন ভাব ধরে।( বর ভাই) --আরে ধুর শালা আন্ডারগ্রাউন্ড এর Daniel Dino এর নাম শুনচ্ছ কোন দিন??(গুন্ডা) --হম্মম্ম নাম শুনছি বাট কোনদিন দেহি নাই।।(বড় ভাই) --আচ্ছা এই ছেলের নাম কী?(গুন্ডা) --এর নাম তো শুভ্র নীল।( বড় ভাই) --হম্মম্মম্ম এই সেই ছেলে Daniel Dino আর ওর নাম আসল নাম শুভ্র নীল।।ওকে মারা আমার কম্য নয়।ছাত্রলীগের প্রাক্তন সভাপতি কে চিনস?(গুন্ডা) --হম্মম্মম্ম আর ছাত্র লীগের প্রাক্তন সভাপতি ই তো বর্তমান ডিসি।।(বড় ভাই) --হম্মম্ম আর এই পোলা ওর ছেলে।।(গন্ডা) --তো এতদিন ও ক্ষেত সেজে ছিলো কেন?( বড় ভাই) --ও এরকম সহজ সরল থাকতে পছন্দ করে(গুন্ডা) যাই হওক ২-৩ ক্লাস করে মাঠে গিয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি। এমন সময় ইভা এসে ডাক দিলো... --তোমার সাথে কথা আছে( ইভা) --কি কথা এখানে বলতে পারো( আমি) --কিছু পার্সোনাল কথা ছিলো।(ইভা) --যা বলার এখনেই বলো। অন্য কোথাও যেতে পারব না(আমি) --আমাকে কি আমার ভুল শুধরে আর একবার ভালোবাসার অধিকার দেবে??(ইভা) --তোর মতো কয়েকশ মেয়ে আমার পকেটে থাকে যারা টাকার প্রেমি মনের নয় (আমি) { কষিয়ে থাপ্পর দিয়ে} --আমি তোমাকে সত্যি ভালোবাসি(ইভা) --কিন্তু আমি ভালোবাসি না।।(আমি) ও কান্না করতে করতে চলে গেল। আমি জানি ও সত্য কথা বলছে। আমি যে ওকে মেরেছি তা ওর বান্ধবি দেখে ওর বাবার কাছে গিয়ে নালিশ করলো। পরেরদিন ভার্সিটিতে গিয়ে দেখি ওর বাবা আর কিছু পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। বুঝতে পারলাম খেলা হবে। --তুই আমার মেয়ে কে মেরেছিস কেন?(ইভার বাবা) --মন চাইছে তাই মারছি।(আমি) --wait wait…. তুমি Daniel Dino না, আর ডিসি সাহেবতোমার বাবা না ?(ইভার বাবা) --হম্মম্মম্মম্মম্ম(আ­মি) {গর্ব নিয়ে} --ওহ সরি আমার মেয়ে তো তোমাকে খুব পছন্দ করে।(ইভার বাবা) --বাট আমি করি,না(আমি) --কেন তুমি তো ওকে খুব ভালোবাসতে।(ইভার বাবা) --বাসতাম কিন্তু এহন আর বাসি না।(আমি) ইভার বাবা বিষণ্ণ মখে ফিরে গেল --বাবা এলাকার গুন্ডা মাস্তান সবাই ওরে এত ভয় পায় কেন? আর তুমি ও তো আজকে ওরে ভয় পাইলা(ইভা) --আরে আন্ডারগ্রাউন্ড এর ডন। ডিসির পোলা।(ইভার বাবা) --কি ও ডন???ছি………ছি………ছি……(­ইভা) --আগে শোন… ও ডন ঠিক আছে বাট ও গরিব হতদরিদ্র দের জন্য কাজ করে।যারা এই সব হতদরিদ্র ও গরিব দের ওপর অত্যাচার করে তাদের জন্য ও খুবই কঠিন আর তাদের জন্যই সে ডন যারা গরিবদের মাথার উপর শেষ ছাদ টুকু ও কেরে নেয়।(ইভার বাবা) --ওকে ছাড়া আমি বাচব না (ইভা) --দেখি কী করা যায়!!!(ইভার বাবা) যাই হোক ইভা কিছুদিন ধরে আমার পিছনে ঘুরছে। বাট আমি পাত্তা দিচ্ছি না। কিন্তু আমি ও তো ওকে খুব ভালোবাসি।ওকে রাগানোর জন্য আমি অন্য মেয়ের সাথে হাসতে হাসতে কথা বলি।হঠাৎ একদিন দেহি ইভা আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি হাসছে।তাই আজ আমার নিজের কাছে খুব আজব লাগছে।তাই ক্লাস শেষ করে তারা তারি বাড়ি ফিরে এলাম। বাড়ি আইসা দেহি বাড়ি ভর্তি লুকজন।আর সবাই আমাকে দেখে হাসছে।দেখলাম বাবা ও হাসছে --আরে ধুর আমি কি কমেদিয়ান ? সবাই আমারে দেইখা হাসতাছ কেন?(আমি) --আরে চেতস ক্যান আমি বুঝায়া বলতাছি।।আজ তর গায়ে হলুদ কাল তোর বিয়ে।।(বাবা) --মানে কি? আমি তো কাউকে ভালোবাসি।(আমি) --হুম্মম্ম জানি ইভার সাথেই তোর বিয়ে হচ্ছে।।(বাবা) --কিন্তু আমি তো ওকে আরো পুড়িয়ে সোনা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।।আর ভালো কথা তোমরা এ ব্যাপারে জানো কিভাবে?(আমি) --বিয়ের পরে সোনার মতো গরে তুলিস বৌমাকে।। আর ইভার বাবা এসে সব খুলে বলেছে।আর ইভার বাবা আর আমার সম্পর্ক খুব ভালো।।(বাবা) --বাহ... দুই বেয়াই মিল্লা ঠিক কইরা লাইছে...তলে তলে এত।কিন্তু আমি ওকে আর একটু কাঁদাতে চাই। তাই তুমি এহন অর বাবারে ফোন দিয়া কইবা যে আমি বিয়া করতাম না কইয়া বারিত্তে গেচিগা।(আমি) --ওকে তুই যা চাস। কিন্তু এবার বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে না?(বাবা) --আমি যা বলেছি তা কর প্লিজ।(আমি) বাবা আমার কথা মতো যা বললাম তাই করলো কিন্তু কিছুক্ষণ পর.................. --ইভা সুইসাইড করতে গিয়ে আনেক টুকু হাত কেটে ফেলেছে তাই ওরে এহন ঢাকা মেডিকেল এ নিয়ে যাচ্ছি।।(ইভার বাবা) আমি তো এই কথা শুইনা টাস্কি খাইয়্যা বইয়া রইলাম পরে দৌড়াইয়্যা গেলাম মেডিকেল এ। গিয়া হুনি O-(O নেগেটিভ) রক্ত লাগবো।তাও আবার ৩ ব্যাগ।বাট এ রক্ত খুবি দুর্লভ। কয়েকটা ব্লাড ব্যাংক এ ফোন দেওয়া হয়েছে বাট কোথাও রক্ত নেই।।তখনি মনে পরল আমার রক্ত o-।। --আমি রক্ত দেব আমার রক্তের গ্রপ ০-(আমি) --কিন্তু আমরা তো একজনের থেকে কেবল ২ ব্যাগ রক্ত নিতে পারব এর বেশি আমরা নিতে পারব না(ডাক্তার) --তোরে যা কইছি তা কর রক্ত কী তোর বাপে দিবো????????????????­????--ওকে আপনি এখানে একটা সাইন করেন।(ডাক্তার) রক্ত দিতে গিয়া দেহি ইভা আমার পাশের বেডে শুইয়া আছে।।নিজেরে অপরাধি অপ্রাধি লাগছে।অকে দেখে আমার অঝোরে কান্না চলে আস্ল।।রক্ত দেওয়ার পর আমি অজ্ঞান হলাম। আর জ্ঞান ফিরল ৭ দিন পর।দেখি ইভা আমার সামনে বসে কান্না করছে।। --এই পাগলি কাদছিস ক্যান এই তো আমি (আমি) --আমাকে বাচাতে গেলি ক্যান কুত্তা(ইভা) {আমার বুকে মাথা রেখে} --তুই যে আমার জীবন তই ছাড়া আমাকে পাগ্ল বানাবে কে?????( আমি) --হুম্মম্মম আর বলতে হবে না (ইভা) --এই পাগলটার বুকে সারা জীবন মাথা রাখবি??? প্লিজ!!!! (আমি) ---না তোর ঘারে চেপে বসে থাকব ( ইভা) --তাহলে ও চলবে।। (আমি) ও আমাকে কয়েকটা কিস করে বাইরে চলে গেল। আর আমি ও ২ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উথলাম।অবশেষে ২ পরিবারের সম্মতিতে আমাদের বিয়ে টা হয়ে গেল।বিয়ের দিন রাতে ইভার ২ ফ্রেন্ড মানে আমার আগের ২ ক্রাশ এর সাথে দেকা সাথে ইভা ও ছিল। --কিরে তই তো আমারে স্কুল লাইফের প্রথম দিন ই প্রপোজ করলি।আমারেও বিয়া করতে হইব।(নীলাঞ্জনা) --আর আমারে ফাইভে প্রপোজ করছিলি তো আমারে বিয়া করতে হইব (রিহানা) --তোদের দুইটার চোখ তুইলা ফেল্মু যদি আমার বরের দিকে আরেকবার তাকাস(ইভা) --আর ইভা রাগ কর ক্যান ওদের ওতো অধিকার আছে। যা তোদের ও বিয়ে করব (আমি) --এই তুমি কি বললা?(ইভা) --ক্যান ওদের ও বিয়ে করব --হইছে আর বিয়া করতে হইব না। (নীলাঞ্জনা) --ইভা চল তোরে সাজায়া বাসর ঘরে দিয়া আসি।(রিহানা) --দেহিস ভালো কইরা সাজাছ। তদের সতিন বইলা আবার খারাপ কইরা সাজাইস না (আমি) --এক্কেবারে ভূতের মতো সাজায়া দিমু( নীলাঞ্জনা) ১২ টা বাজে এহন ও বাস্র ঘরে যাওয়ার সাহস পাইলাম না। তাই দুলাভাই আর কিছু বন্ধু মিলে ঘ্রে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো......... --এতক্ষণে আসার সময় হইল??? --সরি(আমি) --ওকে আহ্ন ওযু কইরা আস দুই রাকাত নফল নামাজ পইরা আমরা জীবন শুরু করমু।।(ইভা) নামাজ শেষ কইরা অরে কোলে কইরা নিয়া বসায় দিলাম খাটে । আমি ওঠতেই আমার উপর ওইঠা বসল।। --বলছি না সারা জীবন তোমার ওপর বইসা থাকব(ইভা) --হুম্মম্মম্মম(আমি) এর পর দুইজন ঠোত মিলায়া নিলাম...............­....................­....................­....................­....................­....................­....................­....................­. হইছে তো বিনা টিকেটে অনেক্কিছু দেখছেন এইবার টিকেট কাইট্টা আয়েন………………………………………।­।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ক্রাশ এর সাথে বিয়ে”
→ ক্রাশ এর সাথে বিয়ে”

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now