বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writing by #md sumon al hasan.Part-1
(এটা প্রথম পর্ব রিপোস্ট করা
হলো।
প্রথমে এটা পোস্ট করার পর
ডিলেট হয়েয়াই তাই আবার
পোস্ট করলাম)
.
ক্লিক, ক্লিক,
এক ট্রাক রাগ নিয়ে এগিয়ে
গেলাম ছেলেটার দিকে...
-এইযে মিস্টার কি শুরু করছেন
অাপনি?
কান থেকে ইয়ারফোনটা
খুলে বল্লাম এক্সকিউজমি
অাপনি কি অামাকে
বলছেন?
-অাপনার সামনে যেহেতু
অামি দাঁড়িয়ে অাছি সো
অাপনাকে বলছি।
=জ্বি বলেন?
-ছবি তুলছেন কেনো?
=অামার ইচ্ছে হয়েছে তাই।
বলতে না বলতেই গালের
মধ্যে ঠাস
মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে
অাছি।
মেয়েটা বল্লো চুপ করে
অাছেন কেনো? জিজ্ঞেস
করবেননা থাপ্পড় কেনো
মেরেছি?
=ভাবছি
-কি ভাবছেন?
=থাপ্পড় কেনো মেরেছেন?
-অাপনাকে পিটানোর
দরকার, দেখে তো ভদ্র
পরিবারের ছেলে মনে
হচ্ছে। অভদ্রের মত কাজ
করছেন কেনো?
=অামি এখনো বুঝতে
পারছিনা দোষটা কি
অামার?
-অাপনার দোষ হলো অাপনি
অনুমতি ছাড়া অামার ছবি
উঠিয়েছেন?
ঠাস করে অারেকটা শব্দ
হলো। এবার ছেলেটার
গালেনা মেয়েটার গালে
হাত।
ছেলেটা বল্লো জিজ্ঞেস
করেন কেনো অাপনাকে
থাপ্পড় দিলাম?
মেয়েটা কাঁদতে কাদঁতে
বল্লো কেনো?
=কারন অামি অাপনার কোন
ছবি উঠাইনি।
ক্যামেরাটা এগিয়ে
দিলাম, মেয়েটা একটার পর
একটা ছবি দেখতে লাগলো।
ছবি গুলো দেখার পর অামি
অবাক হয়ে গেলাম, একটা
বিড়ালের বাচ্চার ছবি,
অামি যেখানে বসেছিলাম
তার ঠিক পেছনে ছিলো
বিড়ালের বাচ্চাটি। অার
অামি না বুঝে ছেলেটাকে
কতকিছু বলে ফেলেছি।
ছেলেটা অামার হাত থেকে
ক্যামেরাটা নিয়ে
সামনের দিকে হাটতে শুরু
করলো। সরি বলার জন্য
ছেলেটাকে ডাক দেয়ার
মতো সাহসও পাচ্ছিলামনা।
এমন সময় মিম এসে বল্লো সরি
সরি সরি দোস্ত লেইট করে
ফেল্লাম।
-ইটস্ ওকে।
>এই তোর গালে এটা কিসের
দাগ?
-কিছুনা। তুই কি বসবি
এখানে?
>হুম।
-তাহলে তুই থাক অামি
বাসায় চলে যাচ্ছি।
>অাজিব! কি হয়েছে বলবি
তো? না বল্লে বুঝবো
কিভাবে?
ভালো লাগছেনা অামি
যাচ্ছি বলে সামনের দিকে
হাটতে শুরু করলাম।
বাসায় ফেরার পর কারোর
সাথে কথা না বলে সোজা
রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে
বসে রইলাম। নিজের উপর
প্রচন্ড রাগ হচ্ছে, একটু পর
বাথরুমে গিয়ে ঠান্ডা এবং
গরম পানির কল দুটো ছেড়ে
বাথটাবে শুয়ে পড়লাম।
বাথটাব পানিতে পূর্ণ হয়ে
পাশদিয়ে পানি গড়িয়ে
পড়ছে সেদিকে অামার
কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, বার বার
শুধু ছেলেটার কথা মনে
পড়ছে।
------
বাসায় ফিরে ক্যামেরাটা
টেবিলের উপর রেখে
ডিভানের উপর হেলান
দিয়ে শুয়ে একটা সিগারেট
জ্বালালাম এমন সময় নাঈম
বাথরুম থেকে গোসল শেষ
করে বেরিয়ে এসে
অামাকে দেখে বল্লো
কিরে তুই না বল্লি অাজ
দেরি করে বাসায় ফিরবি?
ফটো এক্সিভিশনের জন্য
অনেক ছবি তুলবি তো এতো
তাড়াতাড়ি চলে অাসলি
যে?
=মেজাজ খারাপ হয়ে
অাছে।
~কেনো কি হয়েছে?
=কিছুনা বাদ দে। বুয়া
এসেছিলো?
~নারে সন্ধ্যায় এসে রান্না
করে দিয়ে যাবে বলেছে।
তুই খেয়ে অাসিসনি?
=না। সিগারেটটা নাঈমের
হাতে ধরিয়ে দিয়ে বল্লাম
অামি গোসল করে অাসছি
একসাথে লাঞ্চ করতে
বেরুবো।
~ওকে।
নাঈমের কাঁধ থেকে
তোয়ালেটা নিয়ে বাথরুমে
ঢুকে পড়লাম।
.
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now