বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
ছেলেধরা পর্ব২
"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান বাপ্পী (০ পয়েন্ট)
X
খুড়ী রান্নাঘরে
কাজে ছিলেন,
বেরিয়ে এসে
বললেন, তা হলে
যা তোর
বাবাকে ডেকে
আন্ গে।
হীরু বললে, আমার
বাবা স্বর্গে
গেছেন, তিনি
আসতে পারবেন
না,—আমি গিয়ে
তোমাদের
বাবাদের ডেকে
আনব। তাদের কেউ
হয়তো বেঁচে
আছে—তারা এসে
চুলচিরে আমার
বখ্রা ভাগ করে
দেবে।
তারপর মিনিট-
দুয়েক ধরে উভয়ে
পক্ষে যে-ভাষা
চলল তা লেখা
চলে না।
যাবার আগে হীরু
বলে গেল, আজই
এর একটা
হেস্তনেস্ত করে
তবে ছাড়ব। এই
তোমাদের বলে
গেলুম। সাবধান!
রান্নাঘর থেকে
খুড়ী বললেন, তোর
ভারী ক্ষমতা! যা
পারিস কর গে।
হীরু এসে হাজির
হলো রাইপুরে।
ঘর-কয়েক গরীব
মুসলমানদের
পল্লী। মহরমের
দিনে বড় বড়
লাঠি ঘুরিয়া
তারা তাজিয়া
বার করে। লাঠি
তেলে পাকানো,
গাঁটে গাঁটে
পেতল বাঁধানো।
এই থেকে
অনেকের ধারণা
তাদের মত
লাঠি-
খেলোয়াড় এ
অঞ্চলে মেলে
না। তারা পারে
না এমন কাজ
নেই। শুধু পুলিশের
ভয়ে শান্ত হয়ে
থাকে।
হীরু বললে, বড়
মিঞা, এই নাও
দুটি টাকা
আগাম। তোমার
আর তোমার
ভায়ের। কাজ
উদ্ধার করে দাও
আরো বক্শিশ
পাবে।
টাকা দুটি
হাতে নিয়ে
লতিফ মিঞা
হেসে বললে, কি
কাজ বাবু?
হীরু বললে,
এদেশে কে না
জানে
তোমাদের দু-
ভায়ের কথা!
লাঠির জোরে
বিশ্বাসদের কত
জমিদারি
হাসিল করে
দিয়েছ—তোমরা
মনে করলে পার
না কি!
বড় মিঞা চোখ
টিপে বললে, চুপ্
চুপ্ বাবু, থানার
দারোগা শুনতে
পেলে আর রক্ষে
থাকবে না।
বীরনগর
গ্রামখানাই যে
দু-ভায়ে দখল করে
দিয়েছি, এ যে
তারা জানে।
কেউ চিনতে
পারেনি বলেই ত
সে-যাত্রা বেঁচে
গেছি।
হীরু আশ্চর্য হয়ে
বললে, কেউ
চিনতে পারেনি?
লতিফ বললে,
পারবে কি করে!
মাথায় ইয়া পাগ্
বাঁধা, গালে
গাল-পাট্টা,
কপালে কপাল-
জোড়া সিঁদুরের
ফোঁটা, হাতে ছ-
হাতি লাঠি,—
লোকে ভাবলে
হিঁদুর যমপুরী
থেকে যমদূত এসে
হাজির হলো।
চিনবে কি—
কোথায় পালাল
তার ঠিকানা
রইল না।
হীরু তার
হাতখানা ধরে
ফেলে বললে, বড়
মিঞা, এই
কাজটি আর
একবার তোমাকে
করতে হবে, দাদা।
আমার খুড়ো তবু
যা হোক দুটো
ভাগের ভাগ
দিতে চায়, কিন্তু
খুড়ীবেটী এমনি
শয়তান যে একটা
চুমকি ঘটিতে
পর্যন্ত হাত দিতে
দেয় না। ওই
পাগড়ি
গালপাট্টা, আর
সিঁদুর মেখে
লাঠি হাতে
একবার গিয়ে
উঠানে দাঁড়াবে,
তোমাদের
ডাকাতে-হুমকি
একবার ঝাড়বে,
তার পর দেখে
নেবো কিসে কি
হয়। আমার যা-
কিছু পাওনা
ফেঁড়ে বার করে
আনব। ঠিক
সন্ধ্যার আগে—
ব্যাস্।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now