বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

যাও বাবা,,, যাও,,একদিন এর ফল পাবে

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান EvA AhMED (০ পয়েন্ট)

X আরাফা একজন ভালো ছাএী!..সে ছোট একটা গ্রামে বাস করে!...তার মা, বাবা,ছোট দুই ভাই,চাচা, চাচি,চাচাতো ভাইবোনদের সাথে সে বাস করে!... তাদের চাচা সৌদি আরব নামক দেশে কাজ করেন।আরাফার বাবা ছিল বেকার,,,, কিন্তু তিনি বাড়ীর সব কাজ করতেন,,, ফসল উৎপাদন করতেন।যেমন:-লালশাক,পুইশাক,লাউ,শীম,বরবটি, টমেটো,মরিচ আরো অনেক কিছু উৎপাদন করতেন।তিনি তার ভাইয়কে খুবই শ্রদ্ধা করতেন।কিন্তু আরাফার চাচা প্রতিমাসে তাদের খাবার খাওয়ার বা জীবনযাপন করার জন্য মাএ পনেরো হাজার টাকা দিতেন। আরাফার বাবা এ সম্পকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলে উঠতেন..... জমির উদ্দিন (আরাফার বাবা):-হ্যালো,ভাই, কেমন আছেন?? কবির (আরাফার চাচা):-হ্যালো,ভালো আছি!....তুই কেমন আছিস?তো এই মাসের টাকা পেয়েছিস?? জমির উদ্দিন:-হ্যাঁ পাইছি!.. কিন্তু..... কবির:-কিন্তু কি?... জমির:-মানে এত কম টাকা কেন?মাএ বারোহাজার টাকা......আর আমরা এত জন মানুষ!...একটা চালের বস্তা কেনলেই তো দুইহাজার টাকা শেষ তারপর লবণ,মরিচ,চিনি,গুড়ো দুধ,হলুদের গুড়ো, তেল আরে অনেক প্রণালি আছে ভাই এগুলা তেও চলে যায় অনেক টাকা তারপর কারেন্ট বিল!..আরো দোকানদার ভাইয়ের ধার নেওয়া টাকা এগুলা কোথা থেকে দেবো ভাই?...gj কবির:-ধূর,,,তুর এই সব কথা আর ভাল লাগে না....তো ফোন কাট,, পরে কথা বলবো!... জমির:-আইচ্ছা!...টুট টুট এভাবে প্রতিদিন জমিরকে এড়িয়ে চলে!..আবার কিছুদিন যাওয়ার পর কবিরের বউ মারা যায়!.... জমির ফোন দিয়ে কবিরকে সব বলে কবির বললো সে দেশে আসছে আর এসে সে জানাযা পড়া দেখতে চায় তো সবাই তার কথা মানলো!....তার ছিল এক ছেলে এক মেয়ে...সাদি ও সাদিয়া...! সাদি ছিল চার বছরের ছিল তাই সে মা মারা গেছে তা বুঝেনি কিন্তু সাদিয়া ছিল নবম শ্রেণীর ছাএী তো সে খুব কাদলো। তারপর জানাযা শেষে সবাই বাড়ী ফিরলো।সাদিয়া কাঁদতে কাঁদতে বেহুশ!... তো তারপর সাদিয়ার মা মারা যাওয়ার মাএ যখন এিশ দিন তখন কবিরের আরেকটি বিয়ে করবার সাধ জাগলো মনে।সে তার ছোট বোন পারভিনকে বললো একটি বধূ দেখতে তার জন্য। সো সে তার গ্রামের এক বিধবা মহিলাকে তার ভাইয়ের জন্য ঠিক করলো, শুভ দিন দেখে সেই বিধবার বাড়ী যান কবির,পারভিন,সাদি,সাদিয়া,আরাফা,ও জমির!...তারপর তাদের পছন্দ হয় এই বিধবা মহিলাকে!.. বিধবা মহিলারও একটি ছেলে ছিল সে আরাফার সঙ্গেই পড়তো ক্লাস ফোর এ। তো দিন তারিখ ঠিক করে তার বাড়ী চলে আসলেন...আস্তে আস্তে বিয়ে কাছে চলে আসলো,,,,কবির এখন বাসরঘরে,,, কি রোমান্স করছে বউয়ের সাথে যা আগে কখনো করেনি সাদিয়ার মার সাথে,,,এখন দিন দিন কবিরের পরিবর্তন ঘটছে,, সে এখন বাইরে বের হয় না শুধু বউয়ের কাছে থাকে!...সাদিয়া ও সাদিকে সহ্য করতে পারতো সেই মহিলা। তো কয়েকদিন পর কবির বিদেশ চলে গেল!...তার কয়েকমাস পর তার জমজ দুই মেয়ে হয় তানভি ও তনিমা!... আরাফা ওদের খুব ভালোবাসতো।তো জমজ দুই বোন যখন ওয়ানে পড়ে তখন তাদের বাবা মানে কবির আসেন। তিনি সারাক্ষণ ওদের সাথে খেলতেন কিন্তু সাদি বা সাদিয়া কারো সাথে কথা বলতেন না।সাদিয়া অনেক সময় এসব নিয়ে কান্না করতো।কিন্তু জমির সবসময় সাদি ও সাদিয়াকে ভালোবাসতো!.. ওদের আবদার পূরণ করতো!... সাদি এখন ক্লাস ফাইভে ওঠেছে! আরাফা নাইনে আর সাদিয়া বি.এ। তো কবিরের এরকম আচরণ কারো পছন্দ হতো না। তো দিন চলতে থাকলো আর সেই মহিলা কবিরকে শুধু মিথ্যা বাজে কথা বলতো লাগললো সাদিয়া ও সাদির সম্পেকে!...সাদি এখনো জানে তার মা নেই সে আরাফার মাকে "মা"ডাকে।আরাফার কাছে ঘুমোও,,, তো একসময় মহিললার এসব কথা শুনে কবির রেগে ফেটে পড়ে সাদি ও সাদিয়ার ওপর।তো একদিন.............. চলবে.......... gjgjgj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now