বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজকে সকালে ঘুম ভাঙলো
আমার মায়ের ডাকে।
মহাসিন তাড়াতাড়ি ওঠ বাবা(মা)
আর একটু ঘুমাই না মা(আমি)
না তাড়াতাড়ি ওঠ তোর বাবা
কিন্তু তোকে ডাকছে(মা)
।।
আমি বাবাকে এবং মাকে
খুব শ্রদ্ধা করি তায় তারাতারি
উঠে পরলাম।
বাবা কি জন্য ডাকছে
মা? (আমি)
জানিনা তুই গিয়ে শোন (মা)
ফ্রেস হয়ে নিচে গেলাম।
নাস্তার টেবিলে বাবা মা
বসে আছে আমার জন্য।
আমি যাওয়ার পর সবাই
একসাথে নাস্তা করলাম।
নাস্তা শেষে বাবা বললেন
মহাসিন আমার তো বয়স
হয়েছে আর আমার
চাকরীটাও এখন নেই
পেনশনের টাকা দিয়েই
চলছে আমাদের সংস্যার।
আমি চাই তুই এখন
একটা চাকরী কর।
।।
চাকরী তো বললেই পাওয়া
যাবে না বাবা। আর আমার
পড়ালেখা তো এখনো
শেষ হয়নি। এইটুকু পড়ালেখায়
কি কেউ চাকরী দিবে
আমাকে।(আমি)
ও নিয়ে তুই ভাবিস না(বাবা)
তাহলে(আমি)
তুই যদি রাজী থাকিস
তাহলে তোকে আমার
এক বন্ধুর ঠিকানা দিচ্ছি
ওর সাথে দেখাকরে
আমার কথা বললেই
ও কিছুএকটা করবে
তোর জন্য।(বাবা)
কিন্তু বাবা তোমাদের
ছেড়ে আমি কোথাও
যেতে পারব না(আমি)
এমন কথা বলিসনা
বাবা।তুই তো দেখছিস
আমাদের সংস্যারের
কি হাল এখন।(বাবা)
তোকে ছেড়েও আমাদের
থাকতে যে অনেক কষ্ট
হবে বাবা।(মা)
আচ্ছা ঠিক আছে
আমি যাব।কিন্তু তোমার
বন্ধুর বাসা কোথায়
বাবা?(আমি)
আগে আমাদের গ্রামে
ছিল।তবে এখন ঢাকায়
থাকে।(বাবা)
তুই কিছু ভালো জামা
কাপড় কিনে নিয়ে আয়
আজকে। কালকেই তুই
ওদের ওখানে রওনা দিবি(মা)
আমি ওকে সবকিছু ফোনে
বলেছি ও তোকে কালই
যেতে বলেছে।(বাবা)
।।
পরেরদিন সকালে বাবার
বন্ধু হাসান সাহেবের বাড়ির
উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময়
আমার বাবা আমাকে বললেন
বাবা ও কিন্তু আমার খুব প্রিয়
বন্ধু এমন কোন কিছু তুই
করিসনা যাতে তোর বাবার
সম্মান চলে যাবে।আমি
এবার বাবা আর মাকে
জড়িয়ে কেদে ফেলেছি
আর উনারা ও কাদছেন।
আমি বললাম মা, বাবা,
তোমরা ভালো থেকো
আর আমার জন্য দোয়া করো।
।।
এখন আমি গাড়ির মধ্যে
বসে ভাবছি। আমরা গরীব
বলে আজ ভাগ্য আমাকে
এই নির্মম জায়গায় এনে
দাড় করিয়েছে।আজ যদি
আমাদের টাকা পয়সা
থাকত তাহলে আমার
বাবা মা কে ছেড়ে আজ
অজানা শহরে পাড়ি দিতে
হতো না।এমনো হাজার
কথা ভাবতে ভাবতে কখন
যে ঘুমিয়ে পড়েছি তা আমি
জানিনা।তবে গাড়িটা গন্তব্যে
এসে থামল সবাই নেমে
গেছে আমি ছাড়া। গাড়ির
লোকেরা আমাকে ডেকে
দিল আমি দেখলাম
ঢাকায় পৌছে গেছি।
আমি গাড়ি থেকে নেমে
দেখি প্রায় সন্ধ্যা হয়ে
গেছে।আমি তো পথঘাট
চিনিনা তাই হাসান
কাকু কে ফোন দিলাম।
তার কিছু সময় পর
উনি নিজে এসে আমাকে
নিয়ে তার বাসায় গেলো।
গাড়িতে আসার সময়
কাকুর সাথে আনার বেশ
অনেকটা আলাপ হয়েছে।
আমি বুঝে গেছি হাসান
কাকু অনেক ভালে মনের
মানুষ।এখন তার বাসায়
এসে কাকির সাথে আলাপ
হলো তো উনি আরও ভালো
একজন মানুষ।আমাকে
একটা রুমে নিয়ে গেলো
তারপর রেস্ট নিতে বলল।
আমি শুয়ে পড়ে ভাবছি
হাসান কাকু আর তার
বউ মানে কাকি খুব ভালো।
পরের ছেলেকে কেউ এমন
আপন করে নিতে পারে
তা এনাদের এখানে না আসলে
বুঝতে পারতাম না।
।।
কিছুখন পর কাকি এসে
ডিনার করার জন্য ডেকে
গেলেন।আমি ফ্রেস হয়ে নিচে
গেলাম।আমি যেখানে বসেছি
তার পাসেই কিছুখন পরে
একটা মেয়ে এসে বসল।
তখন কাকু আমাকে তার
সাথে পরিচয় করিয়ে দিল।
বলল মহাসিন এই আমার
একমাত্র মেয়ে মোহনা।
আর মোহনা ও আমার
বন্ধর ছেলে মহাসিন
তোমার দুই বছরের ছিনিয়র
আজ থেকে আমাদের
বাসায় থাকবে।তারপর
মোহনা বলল ভাইয়া
আপনি গ্রাম থেকে এসেছেন?
আমি বললাম জি হ্যা।
।।
ও অনেক ক্লান্ত এখন
কোন কথা না বলে ডিনারটা
করে নাও অনেক জার্নি
করে এসেছে ছেলেটা(কাকি)
তারপর রুমে এসে ভাবছি
কত সহজে এবাড়ির সবাই
আমাকে মেনে নিয়েছে।
তারপর ঘুমিয়ে পড়লাম।
সকালে কাকি এসে আমাকে
ডাকছে।
মহাসিন তাড়াতাড়ি উঠ।
আমি উঠে ফ্রেস হয়ে
নিচে গেলাম দেখলাম
সবাই নাস্তা সামনে নিয়ে
বসে আছে। আমি গিয়ে
বললাম আপনারা বসে
আছেন কেন? তখন
কাকা বলল মহাসিন
তুমি এবাড়ির নতুন
অতিথী তোমাকে ছাড়া
কীভাবে খায় বলো।
তারপর সবাই মিলে
নাস্তা করে নিলাম।
।।
মহাসিন তোমার বাবাকে
ফোন করেছো। (কাকু)
না মানে আমার কোন
ফোন নেই(আমি)
আচ্ছা আমার ফোন
থেকে কথা বলো।
তারপর কাকুর ফোন
থেকে বাবা-মার সাথে
কথা বললাম।
মহাসিন আমার
সাথে চলো(কাকু)
হ্য চলেন(আমি)
তারপর তার গাড়িতে
করে একটা কলেজে
নিয়ে গেলো।আমি
বললাম এখানে কি
কাকু? কাকু বলল
তেমাকে ভর্তি করতে
এসেছি। আমি বললাম
কিন্তু আমার বাবা
তো বলল আপনি
আমাকে আপনার
অফিসে একটা কাজ
দিবেন।
কাকু বলল দেখ বাবা
তুমি আমার ছেলের
মতো এখন তোমার
কাজ করার বয়স নয়
পড়ার বয়স তাই আমি
চাই তুমি লেখা পড়া
করো। আর প্রতি মাসে
আমি তোমাকে 10000
টাকা করে দিব যা তুমি
তুমার বাবাকে দিবে।
কিন্তু কাকু কাজ
নাকরে টাকা নিব কেন।
।।
আমার আর কাকুর
সব কথা মোহনা যেন
কীভাবে শুনতে পেয়েছে।
তাই মোহনা এখানে
এসে বলল ভাইয়া আপনি
কাজের কথা বলছেন
তো আমি আপনাকে
একটা কাজ দিব।
আর কাজটা হলো বাসায়
আপনী আমাকে প্রাইভেট
পড়াবেন আর এখন থেকে
আমাকে সাথে করে নিয়ে
কলেজে আসবেন। পাশ
থেকে কাকু বলল আচ্ছা
তাহলে তাই করো। আমি
বললাম ঠিক আছে।
তারপর কলেজে ভর্তি
হয়ে কাকুর সাথে বাসায়
আসলাম।
wait for next part
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now