বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এলিয়েনের আক্রমণ (১ম খণ্ড)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X এলিয়েনের আক্রমণ (১ম খণ্ড) ____________♥♥♥♥♥_____________ পূর্বকথা চাঁদহীন অন্ধকার রাতে মেঘমুক্ত আকাশের দিকে তাকালে ( বিশেষ করে শরৎ কালে , কারন এ সময় রাতের আকাশ পরিস্কার থাকে) অসংখ্য তারার এক মনমুগ্ধকর সমাহার দেখা যায়। শহরের আকাশে ধুলাবালির পুরু স্তর থাকায় গ্রামে অথবা মফঃস্বলে গেলে ব্যপারটা ভাল করে বোঝা যায়।যাহোক , এরকম অন্ধকার রাতের তারাখচিত আকাশে লক্ষ করলে দেখা যাবে আকাশের মধ্য দিয়ে এক দিগন্ত থেকে আরেক দিগন্তে আলোর এক সুরু অস্পষ্ট কুয়াশার মত ধারা চলে গেছে। এটিই হল মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ। অন্ধকার বিশাল এই ছায়াপথ । আমাদের সৌরজগত এই ছায়াপথের একপ্রান্তে নিঃসঙ্গ অবস্থায় পরে আছে। আমাদের প্রাণের উৎস সূর্য। এই রকম অগণিত সূর্য ছড়িয়ে আছে আমাদের এই ছায়াপথে। এমনই এক তারার নাম এপসিলন এরিডানি। পৃথিবী থেকে ১০.৫ আলোকবর্ষ দূরে এই তারাটি অবস্থিত। এর চৌম্বকীয় অবস্থা আমাদের সূর্যের চেয়ে ৩ দশমিক ৭ গুণ বেশি। এই গল্প এই এপসিলন এরিডানিকে নিয়েই। (১ ) গ্রহটা একটি রুক্ষ প্রাণহীন জগত। পাথুরে মাটির উপর বাতাস খেলা করে। ভাঙ্গা গড়ার খেলা চলে প্রতিনিয়ত। সেই বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান অত্যন্ত বেশি। ফলে এইখানে প্রাণের বিকাশ ঘটেনি। এখানে নদী আছে তবে সেটা মিথেনের নদী। জলের দেখা মিলেনি এখানে। বেগুনি লালচে আকাশে ঝলে রয়েছে মাতৃতারা এপসিলন এরিডানি। পৃথিবীর সময় ১২৭ ঘণ্টায় তার এক দিন। আর পৃথিবীর সময় মাত্র ১৭৫ দিনে তার এক বছর। মানুষ এখানে প্রথম পা রাখে একবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে। এখানে একটি বসতি স্থাপন করে গবেষণা শুরু করে। (২ ) বেস কম্যান্ডার কর্নেল জুবায়ের তার সেকেন্ড ইন কম্যান্ড মেজর মেসবাহকে বলল , “ আর ভালো লাগে এখানে। কতদিন পৃথিবীকে দেখি না। ” মেজর মেসবাহ বলল , “ ঠিকই বলেছেন স্যার। এখানে শুধু শুধু পরে রয়েছি। এখানে জীবন নেই অনেক আগেই প্রমাণিত। কিন্তু স্পেস কাউন্সিল বলছে এখানকার খনিজের উপর গবেষণা করতে। ” “ খনিজ না ছাই। আর কতদিন পরে রইব এখানে ? বিয়ে সাদি করব ভেবেছিলাম পৃথিবীতে ফিরে। এই পেশায় এসে সংসার করা হল না। ” বলল জুবায়ের। “ স্যার পৃথিবীতে ফিরে কি হবে? ” জিজ্ঞাসা করল মেসবাহ। “ ঐ জায়গাটা তো একটা ভাগাড় ছারা কিছুই না। ” দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল জুবায়ের , “ নাড়ির টান কেউ উপেক্ষা করতে পারে ?” এমন সময় রুমে প্রবেশ করল জিওলজিস্ট ফায়জা। সুন্দরী মেয়ে। তাকে দেখে একটা হাসি দিল জুবায়ের। বলল , “ কি খবর ডক্টর ? এই অসময়ে? ” ফায়জা অল্প সময়ের মধ্যেই পিএইচডি শেষ করে ফেলছে। এখন এই গ্রহে খনিজের উপর গবেষণা করছে। বলল , “ স্যার আমার মনে হয় আমি এই গ্রহে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পেয়েছি। ” “ কি বল ?” চিৎকার করে উঠলো জুবায়ের , “ এত অনেক ভালো খবর।” “ আরও কিছু টেস্ট করে কনফার্ম করতে হবে। “ ফায়জা বলল। “ চিন্তা নেই। আগে কনফার্ম করো, এরপর স্পেস কাউন্সিলকে জানাব। ” (চলবে. ...)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now