বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি তখন ক্লাস ৭ এ পড়ি। আমরা নতুন বাসায় ভাড়া নিয়েছি।ঠাকুরগাঁও থেকে নওগাঁ য় এসেছি। প্রথম কয়েক মাস ভালই যাচ্চিল।আমাদের বাসার পাশে আবার একজন পীরের মাজার ছিল।পীর অনেক আগেই গত হয়েছিলেন।সেখানে তার মুরীদ রা তার জন্ম ও মৃত্যু দিনে বিভিন্ন ভজন গাওয়ার মাধ্যমে তা পালন করত।তা প্রায় ভোর রাত পর্যন্ত চলত। এটা সেই সমস্যা না যেটা আমি বলব।"""""""""-----------.তা একদিন রাতে ছাদের উপর হুট করে শব্দ হল।মনে করলাম ছেলেপেলে ফাযলামি করছে।খোয়া ইট গুলো ছোড়ার শব্দ হচ্ছে।কিছুকাল যাবার পর তা থামল।পরের দিনা আবার একই সমস্যা।এবার বাইরে আসলাম চুপি চুপি তাদের কে ধরার জন্য।কিন্ত কেউ নেই।আম্মু বলল তখন ও শব্দ হচ্ছিল।আমি আম্মু কে বললাম কই বাইরে তো কেউ নেই।।তার ঘরে আসে আবার সেই শব্দ শুনি।এবার আমি আর আমার বাবা ছাদে ঊঠালাম দেখলাম কেঊ অন্য ছাদ থেকে কিছু করছিলল নাকি????কিন্ত কই কেউ নেই তো।আম্মু কে বল্লাম কেউ নেই।আম্মু বলল শব্দ এখনো আসতিছে।শব্দ হচ্ছিল ঠিক ঘরের কোনাকার ছাদের উপরে। আজব ব্যাপার আমি সেখান টাই দাড়িয়ে আছি,, কিন্ত কিছুই নেই।এমন কি ছাদ পরিষ্কার।তার পর প্রতিদিন মাগরিবের পর থেকে শুরু হত আর ফযর পর্যন্ত চলত।আস্তে আস্তে শব্দের পরিমাণ বাড়তে থাকল।আমরা খুব ভয়ে ছিলাম।তার পর আমরা আমাদের এক হাফেয কে বাসায় আসতে বললাম,এবং তাকে এই সমস্যার কথা বললাম। তিনি বুঝতে পারলেন এটি জিনের সমস্যা।তিনি কিছু কাগজ দিলেন তাতে কিছু আরবি লেখা ছিল,তা তিনি ঘরের জানালায় ও দরজায় লাগাতে বললেন। লাগানোর পর থেকে ৭ থেকে ৮ মাস ভাল ছিলাম।তিনি বললেন এই গুলো খারাপ জিন।এই জিনেরা আগে অন্য জায়গায় থাকত।সেখান থেকে বিতাড়িত হয়েছে।তার পর এই পীরের মাজারের পাশে একটি গাছে থাকত। ভালই আছি আবার হঠাত করে এই সমস্যা শুরু হল।তার পর আমার দাদা বাড়ির এক হুযুর কে বলা হল।সে তার পোষা জিনকে পাঠাল সব দেখার জন্য। পরে সেই হুযুর আমদের বলল সেখানে ৭ টা খারাপ জিন আছে। তাড়াতাড়ি বাসা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন।তিনি আমার চাচা কে দিয়ে কিছু তাবিজ কৌটায় ভরে পাঠালেন।এবং তা ছাদের চারকোণা য় লাগাতে বললেন।তিনি আমাদের আর্থিক অবস্থা জেনে কিছুদিন সময় দিয়েছিলেন বাসা ছাড়ার জন্য।তারপর এক মাসের মধ্যে আবার আমরা বদলি হলাম আল্লাহ র অশেষ রহমতে।এখন এই ঘটনার কথা মনে পড়লে ভয়ে গা শির শির করে উঠে।তাই আমি আর আমার পরিবার কেউ এই বিষয়ে আর কথা বলেননা।এবং এটি তাড়াতাড়ি ভুলে যাবার চেষ্টা করি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now