বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপ্রত্যাশিত

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X : আফনান উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত একটি ছেলে। বর্তমানে একটি মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করছে । প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় বাড়ির লোকজন খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তার বিয়ে দিবে বলে। মেয়েও ঠিক হয়ে গেছে তার দূর সম্পর্কের চাচাত বোন আদ্রিতা। অসম্ভব সুন্দর একটি মেয়ে,এ ববছরই পড়াশুনা শেষ করেছে। পড়াশুনা শেষ করার কারনে আদ্রিতার বাবা মাও চাইছেন মেয়ের তারাতাড়ি বিয়ে দিয়ে দিতে।কথায় আছে না, শুভ কাজে দেরি করতে নেই। তাই আদ্রিতার বাসাতেও বিয়ের খুব ব্যস্ততা চলছে। ধুমধামের সাথে বিয়ে হয়ে গেল আফনান আর আদ্রিতার। শুরু হল সুখের সংসার। আফনানের সকালে অফিস যাওয়া। দুপুরে রান্না শেষে আদ্রিতা আফনানের জন্য অপেক্ষা করা কখন আসবে সে। একসাথে খাওয়া- দাওয়া করবে। আফনানের, প্রতিদিন বাসায় ফেরার সময় আদ্রিতার জন্য ফুল আনা,আর আদ্রিতাার শাড়ি পরে আফনান এর জন্য অপেক্ষা করা । তার ধারণা, শাড়ি না পরলে নাকি বাঙালি মেয়েদের সুন্দর লাগে না।এভাবেই চলছিল তাদের সুখের সংসার প্রতিদিনের মতো সে দিনও আদ্রিতা আফনের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছে, হঠাৎ কলিং বেল বাজল। আদ্রিতা দরজা খুলে দেখে একটা চিঠি আসছে, সে খুব অবাক হল, এ যুগে তো চিঠি আসার কথা না। আদ্রিতা চিঠি খুলল। চিঠিতে শুধু লেখা... {বিয়ে করেছো খবর পেলাম। একবার জানাতে পারতে। বিয়েতে আসতাম। সংসার জীবন কেমন চলছে? } চিঠিতে আর কিছু লেখা নেই। চিঠির নাম, ঠিকানাও কেমন যেন অদ্ভুত। আদ্রিতা খুব চিন্তায় পড়ে গেল। চিঠিটা কি আফনান কে দেখাবে নাকি, দেখাবে না। হঠাৎ বেল বাজল। আদ্রিতা তাড়াতাড়ি চিঠিটা লুকিয়ে ফেলল। দরজা খুলে দেখে আফনান । খাবার টেবিলে আফনান আর আদ্রিতা খাবার খাচ্ছে কিন্তু আদ্রিতা প্রতিদিনের মত স্বাভাবিক না। আফনান ব্যাপারটা তত খেয়াল করল না। অফিসে অনেক কাজের চাপ। আফনান খাওয়া শেষে ঘরে গেল আর আদ্রিতা গেল রান্নাঘরে। সে চিঠিটা পুড়িয়ে ফেলল। ৭ দিন পরে... রাতে খাওয়ার টেবিলে আফনান আর আদ্রিতা বসে আসে। - আফনান আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই। - বল কি বলবে? কোন সমস্যা? - না, আসলে আর কি... - কি ব্যাপারে? - আমি যখন ক্লাস টেন এ পড়ি তখন আমার একটা ছেলেকে খুব ভাল লাগল। - তাতে সমস্যা কি? - না, মানে ছেলেটাও আমাকে পছন্দ করত। আমাদের মাঝে ৩ মাসের একটা রিলেশনও হয়। একদিন ছেলেটা খুব অসুস্থ ছিল। আমি ছেলেকে দেখতে তার বাসায় যায়। ছেলের বাসায় কেউ ছিল না .......। হঠাৎ...... আদ্রিতা হাউমাউ করে কাঁদছে...... - কিন্তু তুমি আজ কেন এগুলো আমাকে বলছো? - কারণ ৭ দিন আগে একটা চিঠি আসছিল। আমার মনে হয় সে চিঠিটা পাঠিয়েছে। প্রথমে ভেবেছিলাম বলব না কিন্তু পরে অনেক ভেবে দেখেছি তোমাকে ঠকানো উচিত না। এখন সবকিছু তোমার ব্যাপার। - কিন্তু চিঠিটা তো তোমাকে আমি পাঠিয়েছিলাম আদ্রিতা তোমার সাংসারিক জীবন কেমন চলে জানতে, মজা করে। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেছে, আফনান আর আদ্রিতা মুখোমুখি বসে আছে, কিন্তু কারোর মুখে কোন কথা নেই। - আফনান তোমার কোন কথা...? - আদ্রিতা, তোমার প্রতি আমার দায়িত্বের কোন কমতি হবে না কিন্তু তোমার প্রতি আমার কোন ভালবাসা থাকবে না। যদি কখনও আবার ভালবাসা তৈরী হয় তাহলে ভালবাসা পাবে কিন্তু কবে তৈরী হবে আমি নিজেও জানি না। যদি পারো অপেক্ষা করতে থাক।মনে রাখবে, জীবনে কিছু জিনিস জোর করে হয় না। কিছু জিনিস আছে যা মানুষের কাছ থেকে অর্জন করে নিতে হয়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপ্রত্যাশিত আনন্দ
→ "অপ্রত্যাশিত"
→ অপ্রত্যাশিত বাসর---০৩
→ অপ্রত্যাশিত বাসর---০২
→ অপ্রত্যাশিত বাসর--০১
→ অপ্রত্যাশিত বাসর--০৪
→ অপ্রত্যাশিত বাসর---০৫
→ অপ্রত্যাশিত পাওয়া
→ অপ্রত্যাশিত অতিথি
→ অপ্রত্যাশিত অতিথি
→ অপ্রত্যাশিত অতিথি
→ অপ্রত্যাশিত
→ অপ্রত্যাশিত
→ অপ্রত্যাশিত

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now