বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাত দশটা, বাহিরে থেকে এসে ফ্রেশ
হয়ে এক মগ কফি হাতে নিয়ে
বেলকুনিতে গিয়ে দাড়ালাম! তখও
হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল , ইদানিং দু তিন
যাবত ঢাকা শহরে ভালোই বৃষ্টি হচ্ছে!
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সাথে বাহিরের
আবহাওয়া টা আজকে দারুণ লাগছে,!
মনের অজান্তেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে
এলো রবীন্দ্রনাথের সেই মন মাতানো
গান """এমনো দিনে তারে .........এমনো
ঘন ঘোর বরোষায় """""
.
ভ্রুমমমমভ্রুমমমমমমম....... ফোনের
ভাইব্রেশনে গানের ছেদ পরে গেলো!
ট্রাউজারের পকেট থেকে ফোন টা
বের করে দেখি একটা অপরিচিত
নাম্বার! একটু আশ্চর্য ই হলাম, এই রাতে
অপরিচিত নাম্বার থেকে রিং
আসাতে! যা হোক কফির মগ টা বাম
হাতে নিয়ে ডান হাত দিয়ে রিসিভ
বাটনে চাপ নিয়ে ফোনটা কানে
ধরলাম ......
.
:- সালামুআলাইকুম, কে বলছেন (আমি)
:-...........(ওপার)
:- কি হলো কথা বলছেন না কেনো
(আমি)
:-...........(ওপার)
:- হ্যালো, হ্যালো, শুনতে পাচ্ছেন?
হ্যালো (আমি)
:-..........(ওপার)
ধ্যাত্তেরিকা, যত্তসব, ফোনট কেটে
দিয়ে কফি মগে একটা চুমু দিয়ে আবারও
প্রকৃতি.দেখায় মন দিলাম! এভাবে 5-7
মিনিট কেটে গেলো! আবারও
ভ্রুমমমমমমভ্রুমমমম. ফোনের ভাইব্রেশন,
বের করে দেখি সেই অপরিচিত
নাম্বার, মনের ভিতরে এবার একটু
কৌতুহল চাপলো, সেই সাথে একটু রাগও
হলো, যা হোক ফোনটা রিসিভ করলাম
...
.
:-হ্যা.......(আমি) আমাকে এবার কথা
শেষ করতে না দিয়েই ওপার থেকে
ভেসে এলো,
:-স্যরি, তখন একটু সমস্যা হয়েছিল, তাই
কথা বলতে পারি নাই (ওপার)
কন্ঠ টা শুনে আমি যেনো আকাশ থেকে
পরলাম, হাতের কফি মগটা অজান্তেই
হাত থেকে পড়ে গিয়ে স্বশব্দে ভেঙে
গেলো! মুখ দিয়ে কোনো আওয়াজ বের
করতে পারছি না! দীর্ঘ ৫ বছর পর
আবারো সেই পরিচিত কন্ঠস্বর, যে স্বর
টা একদিন না শুনলে আমার কিচ্ছু
ভালো লাগতো না, সবকিছুই uneasy
ফিল হতো! আজ এতোদিন পর সেই কন্ঠ টা
শুনে সবকিছু কেমন যেনো এলোমেলো
হয়ে যাচ্ছে, কল্পনাও করতে পারি নাই,
এতোদিন পর কন্ঠ টা আবার শুনবো!
.
:-কি হলো? কথা বলছেন না কেনো?
(ওপার) এবার সমম্বিত ফিরে পেলাম!
কিন্তুু যেই না কথা বলতে যাবো, তখনই
দেখি যে আমার কন্ঠস্বর টা ভারী হয়ে
গেছে,! কোনো উপায় না দেখে
ফোনের লাল বাটন টায় চাপ দিয়ে কল
টা কেটে দিলাম! কারণ আমি চাইনা
ফোনের ওপাশে যিনি আছেন, তার
কাছে আমার আবেগ টা প্রকাশিত
হোক! সেই ৫ বছর আগেই আমার সব আবেগ
গুলোকে ডাস্টবিনে ছুড়ে
ফেলেদিয়েছিলাম, আজ আর নতুন করে
আবেগাপ্লুত হতে চাইনা! ফোন টা
সাইলেন্ট মুড করে পকেটে রাখলাম!
ভেঙে যাওয়া মগের কাচের টুকরো
গুলো এক পাশে জড়ো করে রাখলাম! ,
কিছুক্ষণ আগেই মন টা ভালো ছিলো,
কিন্তুু একটা ফোন কলই মন টাকে খারাপ
করে দিয়ে গেলো! ধিরে ধিরে
এগিয়ে গিয়ে বেলকুনির ইজি
চেয়ারটাতে বসলাম! দু চোখ বন্ধ করতেই
অবাধ্য মন টা সেই ফেলে আশা
অতীতে চলে
গেলো,!
.
আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি, বাবা
মার একমাত্র ছেলে, আদরের কোনো
কমতি ছিলো না, যা চাইতাম তাই
পেতাম! এক কথায় বিন্দাস লাইফ, আর
তখনই এই বিন্দাস life. এ এন্ট্রি ঘটে
আরেকটা life. যে আমাকে জীবন
সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পাল্টে
দিয়েছিল! জীবন টা যে একটা
প্রতিযোগিতার অংশ, সেটা একমাত্র
সেই বুঝিয়েছিল! আমাদের সম্পর্ক টা
ছিলো বেস্ট ফ্রেন্ড এর মতো! কিন্তুু
গুরুজনেরা আগেই বলেছিলেন ""একটা
ছেলে আর একটা মেয়ে কখনোই বন্ধু হয়ে
থাকতে পারেনা, একটা সময় তারা
প্রেমে পড়বেই "" আমাদের বন্ধুত্বেও এর
ব্যাতিক্রম ঘটে নি, একসময় আমিই ওর
প্রেমে পড়ে যাই! কিন্তুু বন্ধুত্ব ভেঙে
যাবার ভয়ে বলতে সাহস পাচ্ছিলাম
না! তবে একদিন সাহস করে বলে
দিয়েছিলাম, আর সেই সাহসিকতা ই
আমার জীবনের বড় একটা ভুল হয়ে যায়!
আমি যখন ওকে ""ভালোবাসার ""
কথাটা বলেছিলাম, ও তখন বলেছিল
""এটা সম্ভব নয়, আমাকে নাকি ওর
ভালোবাসা সম্ভব নয় "" সেদিন আমি
ওকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা
করেছিলাম, কিন্তুু বরাবরই ওর একটাই
কথা ছিলো ....""তোকে শুধু আমি বন্ধু
ভাবি, এর বেশি কিছু ভাবা সম্ভব নয় """
তারপরও অনেক সময় আমি ওকে
বোঝানোর চেষ্টা করেছি আর সবসময়
প্রত্যাখ্যান হয়েছি! এভাবেই
দোটানায় চলছিল আমাদের সম্পর্ক, !
একদিন হঠাৎ করে ও আমাকে ফোন
দিয়ে বলল :
:-কই এখন তুই? (ও)
:-কেনো বাসায় (আমি)
:-তোর সাথে কিছু কথা আছে,
বিকেলে দেখা কর (ও)
:-ওকে, কোথায় দেখা করবো? (আমি)
:-স্টার রেস্টুরেন্টে আসিস (ও)
:-ওকে, আমি বিকেল ৫ টায় ওখানে
থাকবো (আমি)
:-ওকে বাই (ও)
:-বাই (আমি)
.
সেদিন আমি সঠিক সময়েই রেস্টুরেন্টে
পৌছেছিলাম! কিন্তুু সে সেদিন
আসেনি , আমি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার
পর ""ওয়েটার বয় "" এসে জিজ্ঞেস
করলো,
:-আপনি কি ""নবীন "" (ওয়েটার)
:-হুম, কেনো? (আমি)
:-আপনার জন্য একটা পার্সেল আছে,
(ওয়েটার)
:- ও তাই, কোথায় সেই পার্সেল? আর
কেই বা দিলো? (আমি)
:- আজ দুপুরে একটা আপু এসে এইটা দিয়ে
গেছে, আর বলেছে, ঠিক বিকেল ৫ টায়
নীল সার্ট পরিহিত একজন আসবে, তার
নাম ""নবীন "" তাকে এই পার্সেল টা
দিও, আর বলিও আমার জন্য যেনো ওয়েট
না করে। (ওয়েটার) একথা বলে আমার
হাতে পার্সেল টা দিয়ে ওয়েটার
চলে গেলো,! আমি কিছুক্ষণ চুপ করে
থাকলাম, তারপর পার্সেল টা নিয়ে
বাসায় চলে আসলাম, পথিমধ্যে ওকে
কয়েকবার ফোন দিয়েছিলাম কিন্তুু
বরাবরই সুইচ অফ বলতেছিল! যা হোক,
বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে পার্সেল টা
খুলে ফেললাম, ভিতরে তেমন কিছু
পেলাম না শুধু একটা চিরকুট আর একটা
নীল ব্রেসলেট ... ও জানতো নীল রং
আমার পছন্দের শুধু আমার নয় ওরও পছন্দের
ছিলো! আমি ব্রেসলেট টা পাশে
রেখে চিরকুট টা খুললাম__
_____
.
নবীন,
কোনো কিছু সম্বোধন ছাড়াই শুরু করলাম!
তুই তো জানিস তোর আর আমার পরিচয়
টা স্বাভাবিক ভাবেই হয়েছিল, আর
অল্প সময়ের মধ্যে তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড
এর জায়গা টা দখল করে নিয়েছিলি!
কিন্তুু একসময় জানতে পারলাম তুই
আমাকে শুধু বন্ধু ভাবিস না, বরং
আমাকে ভালো ও বাসিস! কিন্তুু আমি
তোকে শুধু বন্ধু ই ভাবতাম,! আর তোর
ভালোবাসা আমার পক্ষে একসেপ্ট
করা সম্ভব নয়! কারণ তোর সাথে পরিচয়
হবার আগে থেকেই আমি একজন কে
ভালোবাসি, ওকে ছেড়ে তোকে
ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব নয়!
আমি ওকে অসম্ভব ভালোবাসি, আর
আমি এই কথা গুলো তোর সামনে বলতে
পারতাম না, তাই চিরকুটে লিখে
জানালাম! কারণ আমি লক্ষ করতেছি,
ইদানিং তুই খুব বেশীই আমার প্রতি
এডিকটেড হয়ে যাচ্ছিস! বিষয় টা আর
বেশি দূর যাতে না গড়ায়, তাই তোকে
আজ সব খুলে বললাম! আর হ্যাঁ এরপর
থেকে তোর সাথে আমার বন্ধুত্বের
সম্পর্কও রাখা সম্ভব নয়! আমার সাথে
কোনো প্রকার যোগাযোগ রাখবি না,!
আর হ্যাঁ আমরা আগামী ১ তারিখে
এখান থেকে স্বপরিবারে চলে যাচ্ছি!
তোর সাথে আর হয়তো কখনোই দেখা
হবেনা, ভালো থাকিস, আর ব্রেসলেট
টা আমাদের বন্ধুত্বের স্মারক ...........!
ইতি, ""ও ""
.
চিঠিটা পড়তে পড়তে কখন যে দু গাল
বেয়ে অশ্রু পড়া শুরু করেছে টেরই
পাইনি! কতোক্ষন যে একই জায়গায় বসে
ছিলাম মনে নাই, মসজিদের আজানের
শব্দে বাস্তবে ফিরে এসেছিলাম!
চারিদিকে কেমন যেনো একটা শূন্যতা
বিরাজ করছিলো তখন আমার
চারিপাশে! তারপর আস্তে আস্তে
সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে
নিলাম, ! বাসায় সবাই আমার অবস্থা
দেখে চিন্তিত হয়ে পড়ে! একদিন আব্বু
আমার রুমে এসে বলল,
:- বাবা তুই ইদানিং এমন হয়ে গেছিস
কেনো? (আব্বু)
:-কিছু না আব্বু (আমি) আব্বু আর কিছু বলল
না, চুপচাপ উঠে চলে গেলো! তবে
যাবার সময় আমি একবার ওনার চোখের
দিকে তাকিয়ে দেখি উনি কাঁদছে!
আমার জন্য আজ আব্বু চোখে পানি!
পরিবার তো আমাকে কোনো কষ্ট
দেয়নি, তারা তো আমার সব চাহিদা
পূর্ণ করতেছে, তাহলে আমি কেনো
ওনাদের কাঁদাচ্ছি?? নিজেকে
কয়েকবার প্রশ্ন করলাম, কিন্তুু কোনো
উত্তর খুজে পেলাম না! অবশেষে মন কে
স্থির করলাম, না আর না, অনেক হয়েছে,
আমার জন্য আর আমি আব্বুর চোখে পানি
দেখতে চাই না! পরেরদিন সকালে ঘুম
থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে সবার সাথে
টেবিলে গিয়ে বসলাম,! সেই কতদিন পর
যে টেবিলে আসলাম মনেই নাই,!
আমাকে টেবিলে দেখে সবাই কেমন
যেনো আশ্চর্য হয়ে গেলো, আমি সবার
মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম
:- ও কি! সবাই এমন ভাবে তাকিয়ে
আছো ক্যান? আমি কি এলিয়েন
নাকি? প্রচুর ক্ষুধা লাগছে জলদি
খাবার নিয়ে আসো (আমি) আমার
কথায় প্রায় সবাই হো হো করে হেসে
উঠল, আব্বু তখন এক দৃষ্টি তে আমার দিকে
তাকিয়ে আছে, হয়তো আমাকে নতুন
করে দেখছে! আমি আব্বুর দিকে
তাকিয়ে শুধু ছোট্ট করে বললাম """স্যরি
আব্বু """! কথাটা বলার সাথে সাথেই
দেখি আব্বু চেয়ার ছেড়ে উঠে আমার
দিকে আসছে, আমিও তখন চেয়ার
ছেড়ে উঠে দাড়ালাম, টেবিলে বসা
পরিবারের সবাই আমাদের দিকে
তাকিয়ে আছে, আব্বু কাছে আসতেই
আমাকে দু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে
ছোট বাচ্চাদের মতো কাঁদতে
লাগলো, আমিও আব্বুকে জড়িয়ে
ধরলাম, কখন যে আমার চোখেও পানি
চলে এসেছে বুঝতে ই পারি নাই! তবে
শুধু এতোটুকুইই জানি এই কান্না কষ্টের
নয়, এটা আনন্দের কান্না! এরপর থেকে
আমি টোটালিই পরিবর্তন হয়ে যাই,
নিয়মিত পড়াশোনা শুরু করি, এবং
ভালো একটা রেজাল্ট নিয়ে
ভার্সিটি থেকে বেরিয়ে আসি,
তারপর মোটামুটি একটা ভালো জব ও
পেয়ে যাই! এতোকিছু করেছি শুধু
পরিবারের দিকে তাকিয়ে! আজ
আমার সবই. আছে শুধু নেই সেই একজন, যার
জন্য আমি আজো অপেক্ষায় আছি! ......
.
বাবা নবীন, এতো রাতে বেলকুনিতে
বসে কি করছিস বাবা? আব্বুর ডাকে
আমি আমার অতীত থেকে ফিরে আসি!
চোখ খুলে দেখি আব্বু দাড়িয়ে আছে,
:- না আব্বু তেমন কিছু না, এমনিতেই
বসে আছি (আমি)
:- এমনি বললে কি আর হবে? সেই ছোট
থেকে তোকে দেখছি! তোর সবকিছুই
আমার চেনা, (আব্বু) আব্বুর কথা শুনে
আমি চেয়ার থেকে উঠে দাড়ালাম,
তারপর আব্বুর পাশে গিয়ে দাড়িয়ে
একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললাম
:- সব কিছু যেহেতু জানো, তাহলে
জিঞ্জেস করছো কেনো? (আমি) আব্বু
আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বলল
:- বাবা, এখন বড় হয়ে গেছো, সবকিছুই
বোঝার বয়স হয়ে গেছে, তোর কাছে
এখন যেটা ভালো মনে হবে সেটাই
করবি, কে কি বলল শোনার দরকার নাই,
রাত হয়েছে ঘুমিয়ে যা বাবা (আব্বু)
একথা বলেই আব্বু বেরিয়ে গেলো!
আমি রুমে এসে সোফায় বসলাম, তখনো
মাথার ভিতরে ওর ফোন কলের বিষয়
টা ঘুরছে! পকেট থেকে ফোন টা বের
করলাম, স্ক্রিন অন করতেই ৫৫ টা মিস কল
আর ৭ টা মেসেজ দেখে মোটেও আশ্চর্য
হয়নি! আমি জানি এটাই হবার ছিলো, !
মেসেজ গুলো ওপেন করার সাহস
পেলাম না, হয়তো মেসেজ গুলোতে ওর
ভালো থাকার কথা লেখা ছিলো,
নয়তো sorry নামক জঘন্য কথাটা লেখা
ছিলো! যেটাই লেখা থাক, আমার
তাতে কি? ফোন টা হাতে নিয়ে
সিমের সব নাম্বার গুলো ফোনে কপি
করে নিলাম, তারপর ফোন টা অফ্ করে
সিম কার্ড. টা বের করে চোখ বন্ধ করে
দু টুকরো করে বেলকুনির গ্রিল দিয়ে
বিসর্জন দিলাম! বাহিরে তখনও বৃষ্টি
পড়তেছিল অঝোরে!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now