বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কে খুনী? ৩য় পর্ব

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X মামা তাকে বললেন, রাত বারোটায় রান্নার কাজ? আবরার বললেন, ডিনার শেষ করে বাকি খাবারগুলো তাপ দিয়ে রেখে দিচ্ছিলেন। "আচ্ছা, আপনার বয়স কতো?" "পঁচিশ চলছে।" "আপনার বাবার বয়স কতো হয়েছিল?" আবরার কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন মামা আর ইন্সপেক্টর সাহেবের দিকে। তারপর বললেন,পঞ্চাশ কিংবা সামান্য বেশি হবে। "আপনার ভাইকে দেখছিনা যে?" "ও কিছুক্ষণ আগেই বেড়িয়েছে।" "আপনাদের সবাইকে বাসায় থাকতে বলা হয়েছিল।" এতক্ষণ পর কথা বললেন ইন্সপেক্টর। আবরার বললেন, সরি।ওকে জানানো হয়নি। ইন্সপেক্টর সাহেব কিছু বলতে যাচ্ছিলেন।মামা তাকে থামিয়ে হাতের ইশারায় একটা তাকের উপর রাখা ট্রফি দেখিয়ে আবরারকে বললেন, ট্রফিটা কার? "আমার ভাই সরোয়ারের। কলেজের শ্যুটারদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।" "উনাকে দেখা হয়নি।বয়স কতো তার?" আমি ইউসুফ মামার এভাবে সবার বয়স জিজ্ঞাসা করাতে বেশ অবাক হলাম। আবরার বললেন,১৯ বছর। এরপর একে একে দারোয়ান, কাজের বুয়া শেষে মিসেস সাজ্জাদকে ডাকলেন। তেমন কোনো তথ্য জানা গেল না। দারোয়ানের মতে গেট দিয়ে কেউ আসেনি।তবে অন্য কোনো পথ দিয়ে বিশেষ করে প্রাচীর টপকে যদি কেউ এসে থাকে তা সে জানেনা। বুয়াও তেমন কোনো তথ্য দিতে পারল না। মিসেস সাজ্জাদও না।তবে তাকে মামা একটি প্রশ্ন করলেন।তার বয়স।তিনি উত্তরে বলেছিলেন, আটচল্লিশ বছর। আমরা বেরিয়ে যাওয়ার জন্য উঠে দাড়ালাম। ঠিক তখনই ঢুলতে ঢুলতে ঘরে প্রবেশ করল এক তরুণ।সারাঘর ভরে গেল বিশ্রী একটা গন্ধে। মামা তাকে বললেন,মিস্টার সরোয়ার,ড্রাগ নিতে গিয়েছিলেন বুঝি? মামার দিকে না তাকিয়েই সে বলল,কে রে তুই? আবরার তাকে বলে উঠলেন, ইন্সপেক্টর সাহেব এসেছেন। কথাটা শুনেই সচকিত হয়ে উঠল সে।মুখ তুলে একবার তাকিয়ে বলল, সরি। তারপরই পরে গেল মেঝেতে। ইন্সপেক্টর সাহেব এবং মামা অযথা সময় নষ্ট করলেন না। সেখান থেকে বের হয়ে আসছিলেন।সাথে আমি ও খানিকটা পেছনে ছিলেন আবরার। মামা আর ইন্সপেক্টর সাহেব বাড়ির বাইরের দিকটা দেখছেন এবার।তাদের বাড়িটা আদতেই অনেক বড়। এক রুম থেকে কিছুতেই বোঝা যাবেনা আরেক রুমে কি হচ্ছে।বাইরের দিকটাও অনেক বড়। তাদের বাড়ির পাশাপাশি আরেকটা দু'তলা বাড়ি।এটি সম্ভবত ভাড়া দেওয়া হয়েছে। মামা লক্ষ্য করলেন দু'তলার একটা ঘরে একজন মধ্য বয়স্ক লোক পত্রিকা পড়ছিলেন।সেখান থেকে লতিফ সাজ্জাদের রুমটা বেশ ভালোভাবেই দেখা যাবে। আবরারের কাছ থেকে জানা গেল বাসাটাতে রফিক নামে এক ভদ্রলোক ভাড়া থাকেন। .............চলবে...........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কে খুনী? ২য় পর্ব
→ কে খুনী? ১ম পর্ব
→ কে খুনী? ৪র্থ পর্ব
→ কে খুনী? ৫ম পর্ব
→ কে খুনী? ৭ম ও শেষ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now