বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

★★বোমান্টিক বাসর রাত★★

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সঙ্গীহীন আরাফাত (০ পয়েন্ট)

X আজ আমার বাসর রাত। বাসর রাত নাকি কেউ কখনো ভুলতে পারে না। এই রাত আমার জীবনে নিশ্চয় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ফুলদিয়ে সাজানো খাটে যে বসে আছে সে আমার সদ্যবিবাহিত বউ, নাম অঞ্জলি। কেমন দেখতে সেটা শুনতে ইচ্ছা করছে তাই তো ? তাহলে শোনো, আগেই বলি আমি কবি নই যে বউ সম্পর্কে রোমান্টিক কবিতা শোনাবো তোমাদের। আর কারো সম্পক্যে ভালো করে গুছিয়েও বলতে পারি না, শুধু এইটুকুই বলবো ভারি মৃষ্টি দেখতে তাকে আর চোখ দুটো যেনো কথা বলতে যানে। আমি প্রথম দেখাই ক্রাস খেয়েছিলাম। আমিও কমতি নই, এখনো অচেনা মেয়েরা আমাকে একবার দেখলে আসেপাসে তারা ঘুরাঘুরি করে। চান্স মারে কিন্তু আমি পাত্তা দিই না। নিজের সম্পক্যে বেসি না বলাই ভালো নইলে তোমরা আবার ভাববে আমি ঢপ দিচ্ছি। কিন্তু আমার একটা বদ গুন আছে সেটা হলো আমি নেসা করি। আল্লাহ আমার মতো মাতাল নেশাখোর ছেলের জীবনে এমন একটি সুন্দর মোমের পুতুলের মতো মেয়ে দিয়েছেন এটা আমার সৌভাগ্য। এখনো সে আমাকে চিনে উঠতে পারে নি কারন তার সাথে তো কথাই হয়নি এখনো। ঘরে প্রবেস করে তাকে শুয়ে পড়তে বললাম, জিরো আলোটা জালিয়ে বড় আলোটা নিভিয়ে দিয়ে ব্যালকোনিতে গেলাম। চাঁদটা তার সোনালি চাদরে সব কিছুকে জড়িয়ে রেখেছে। আমি সেখানে একটি সতরঞ্জি বিছিয়ে বসে ড্রিঙ্ক করতে লাগলাম। তোমরা ভাবছো এই দিনটা কি মদ না পান করলে হতো না। সে তো হয়তো চেস্টা করলে হতেই পারতো। কিন্তু এমন একটা পরিস্থিতিতে চলে এসেছি যেখানে একটি দিনও না পান করে থাকতে পারি না। যানো এমনটি ছিলাম না। একদিন আমার প্রিয়তমা তিথলিকে দেখেছিলাম অন্য একটি ছেলের হাত ধরে ঘুরতে সেদিন আমার মাথা গরম হয়ে গেছিলো। বন্ধুরা মিলে খুব মেরেছিলাম ঐ ছেলেটাকে কিন্তু তিথলি যখন বলেছিলো সে আমাকে না ওকে ভালোবাসে সেদিন থেকেই তিথলিকে ভুলতে এই পথ বেছে নিয়েছিলাম।এখন মদ আর আমাকে ছারতে চাই না। মিনিট কুড়ি বাদে রুমের আলোটা জ্বলে উঠলো তখনি অঞ্জলি আমার সামনে আসলো আমি তাকে বসতে বললাম সে বসলো, বোতলের দিকে আঙুল দেখিয়ে বললো কি এটা। আমি- মদ। অঞ্জলি- আজকের দিনে তুমি এইসব কেনো পান করছো ? আমি- জানি না। অঞ্জলি- তা হলে আমাকেউ দাও। আমি- না, তুমি সহ্য করতে পারবে না। অঞ্জলি- তা হলে তোমাকে কি করে সহ্য করবো বলো ? আমি- মানে ? অঞ্জলি- আমি এসব গন্ধ সহ্য করতে পারি না। আমি- তোমাকে সহ্য করতে হবে না। তুমি খাটে শোবে আমি সোফাই শোবো ব্যাস। অঞ্জলি- না, তা কেনো হবে? আমি তোমার বউ, এখন থেকে তোমার আমার বিছানা একটাই। আর আজ তো আমাদের বাসর রাত তাই আলাদা বিছানাই শোয়ার প্রস্নই ওঠে না।। অঞ্জলি আমার সামনে থেকে বোতলটা নিয়ে একেবারে কয়েক ঢোক পান করলো। যারা তিতো খায় না তারা তিতো খেলে যেনটা করে তেমনি করে উঠলো অঞ্জলি। অমি-....... ...... .... অঞ্জলি- ইস এত বাজে জিনিস তুমি পান করো কি করে। আমি- জানি না। অঞ্জলি রেগে গিয়ে চোখ বন্ধ করে আবারো কয়েক ঢোক পান করলো। আমি বোতলটা কেড়ে নিলাম। বললাম এটা তোমার পান করার জিনিস নয়। তুমি কেনো নিজেকে কস্ট দিচ্ছো ? অঞ্জলি- যে মেয়ের বাসর রাত এই ভাবে কাটে সে কি করবে তুমিই বলো ? আমার কাছে সেই প্রস্নের কোনো উত্তর ছিলো না। কিছু সময় পর অঞ্জলি বমি করতে থাকে। ঐ বাজে জিনিস ওর পেটে সহ্য হয়নি এক সময় সে ক্লান্ত হয়ে পড়ে আর গভির ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যাই। তাকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে শুইয়ে দিলাম। ঘুম আসলো না আমার একটি সিগারেট শেষ করে খাটে এসে বসলাম। অঞ্জলি ঠিকি বলেছে স্বামি স্ত্রীর আলাদা আলাদা বিছানায় শোওয়া কি উচিত। খাটেই শুলাম। একদিন তিথলির কারনে এই পথের পথিক হয়েছিলাম। অর আজ আমার কারনে অঞ্জলি নিজেকে কস্ট দিচ্ছে। তিথলিকে তিন বছর ভালোবেসে বুঝলাম না ভালোবাসা কি ? আর অঞ্জলি আমাকে তিনদিন দেখছে সে কেনো আমাকে এতটা ভালোবাসার বন্ধনে বাধতে চাইছে ? তার উত্তর আমার জানা নেই। অঞ্জলির মুখের দিকে অনেকখন ক্যাবলার মতো তাকিয়ে রইলাম। কখন ঘুমিয়ে পরেছিলাম যানি না যখন ঘুম ভাঙ্গলো তখন দেখি সে আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে। তার হাত আলতো করে সরিয়ে দিয়ে উঠে পড়লাম। জানালার পাশে দাড়িয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে থাকলাম। হটাৎ অঞ্জলি ভিসন কাসতে থাকলো। তার হাতে একটা জলন্ত সিগারেট। চোখ দিয়ে জল ঝরছে আর ভিসন কাসছে। আমার মাথা গরম হয়ে গেলো। তাকে আগেও বলেছি তোমার এগুলো সহ্য হবে না তবুও শুনতে চায় না সে। তাকে একটা চর মারলাম। চারটি আঙুলের দাগ বসে গেলো তার গালে। দুধে আলতা মুখটি আলতা বর্ন ধারন করেছে আর চোখের কোনাতেও রক্ত বর্ন হয়ে গেছে। মেজাজ নিয়ে বললাম কেনো এমন করছো ? কেনো নিজেকে কস্ট দিচ্ছ ? অঞ্জলি- জানিনা। আমি শুধু তোমাকে চাই। তোমার মতো হয়ে উঠতে চাই। পারবো না বলো তোমার মতো হয়ে উঠতে ? আমি ওকে জড়িয়ে ধরলাম। এর আগে কখনো কোনো মেয়ের গায়ে হাত তুলিনি। বললাম সরি, তোমাকে আমার মতো হতে হবে না। তারপর থেকে আমার জীবনে ওসব উধাও। বি দ্রঃ- একটা ছেলেকে বদলাতে একটা মেয়েই যথেস্ট। তবে সেটা খারাপের দিকে না যাওয়াটাই মঙ্গল। ♠দয়াকরে আপনার মন্তব্য জানাবেন,,,,,,,,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now