বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সোহরাব রোস্তম-১

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান R.H (dangeor-virus) (০ পয়েন্ট)

X আমরা যখন ইশ্কুলে পড়তাম তখন চয়নিকা বা এ জাতীয় নামে একটি গল্পবই আমাদের পাঠ্য তালিকায় থাকতো। ওখানেও দেশ বিদেশের কিছু লোককথা এবং উপকথা আমরা শৈশবে পড়ি। তার মধ্যে একটি ছিলো সোহরাব-রোস্তমের কাহিনি। জেনেছিলাম এটি ইরানি কবি ফেরদৌসি রচিত মহাকাব্য শাহনামা থেকে নেয় একটা কাহিনি। তার অনেকবছর পরে শাহনামার ধারাবাহিক কাহিনিগুলি পড়েছি শৈশবের কৌতূহল থেকে। ০২. শাহনামা হলো দরবারী সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত একটি মহাকাব্য। এটিতে প্রায় ৫০,০০০ দ্বিপদী শ্লোক রয়েছে। যা বর্ণনা করে পারস্যের ইসলামপূর্ব দীর্ঘকালের লোককথা ও ইতিহাস সমূহ। খুরাসান এর জমিদারদের এক পরিবারে জন্মগ্রহণকারি ফেরদৌসি তার শাহনামা লেখা শেষ করেন করেন ১০১০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে গজনির সুলতান মাহমুদের পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাসে। এবং এই কাব্য মাহমুদকে উৎসর্গ করা হয়। কিন্তু সুলতান মাহমুদ তার প্রতিশ্রুতি রাখেন নি। শাহনামার উৎস ছিলো জনশ্রুতি সমূহ, ৬ষ্ঠ এবং ৭ম শতকে সাসানীয় যুগের শেষভাগে পারস্যের পৌরাণিক অতীত এবং ইতিহাস সম্বলিত সরকারি খুদাইনামা, ১০ম শতকের মধ্যভাগে রচিত ‘শাহনামা-ই-আবু মনসুরি’ নামে পরিচিত আবু মনসুরের গ্রন্থটি, কবি দাকিকি রচিত কয়েকহাজার শ্লোক; যিনি তার গ্রন্থটি সম্পন্ন করার আগেই নিহত হন ১০ম শতকের শেষদিকে। ০৩. শাহনামার শুরু হয় পারদাতেস রাজবংশের মাধ্যমে। প্রথম চরিত্র হলেন কিয়ুমার্স; তিনি বাস করেন পর্বতমালায়, শাসন করেন মানুষ, বন্য, পোষা সব প্রাণীকে। সাহস এবং পুরুষত্বসূচক চিতাবাঘের চামড়ার পোষাক পরিহিত কিয়ুমার্স প্রতীকীভাবে প্রকাশ করেন মানব-বিবর্তনের আদি পর্বতটিকে, যেখানে এক গুহাবাসী তার সাহসের মাধ্যমে হয়ে ওঠে সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক। তার রাজ-প্রাঙ্গণে ধর্মকে উপস্থাপন করা হয় সেইসব মানুষের মাঝে যারা বিভিন্ন স্থান হতে আসে আত্মিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধসমূহের অনুসন্ধানে। হুশাঙ ছিলেন কিয়ুমার্স এর পৌত্র এবং সাত রাজ্যের রাজা সিয়ামাক এর পুত্র। হুশাঙ জড়িত ছিলেন মর্তলোকে সভ্যতার বিকাশের সাথে। তার অর্জনসমূহের মধ্যে ছিল আগুনের আবিষ্কার, পাথর থেকে লোহার পৃথকীকরণ, কর্মকারদের শিল্পকৌশল, যন্ত্রপাতি এবং অস্ত্রশস্ত্র এবং বীজবপনসহ ভূমিতে সেচ ও চাষাবাদ। অন্যকথায়, এই যুগটিকে দেয়া হয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কলাকৌশল এবং দতা আবিষ্কারের কৃতিত্ব্। হুশাঙ এর পুত্র তাহমুরাসকে এমন একজন রূপে বর্ণনা করা হয় যিনি সাফল্যের সাথে মোকাবেলা করেন অপদেবতাদেরকে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now