বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মৃত্যুঘড়ি
লেখকঃ Md Bayazid
.
.
রাত ১ টা ১৭ বাজে। মেয়েটা বই পড়ছে আর বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে। ঘড়িটা যেন জাদু করেছে ওকে। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। অমাবশ্যার রাতে চারিদিকে অভেদ্য অন্ধকার। একটু পর মনে হলো ঘরটা খুব বেশি অন্ধকার নয়। আপনাআপনি ওর চোখ চলে গেল ঘড়িটার দিকে। ঘড়িটা আমি দিয়েছি ওকে। দেওয়ার সময়,
-ঘড়িটা রাখ, কাল সকালে নিয়ে যাব। কাওকে বলবিনা এটার কথা। প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে ঘড়িটা।
-কি আবোল তাবোল বকছিস!
-আবোল তাবোল না! এটার নাম মৃত্যুঘড়ি আজ রাতে এই ঘড়িটাতে সময় দেখবি। তাহলে সব বুঝতে পারবি। আমি যাই।
-কথায় যাচ্ছিস?
-বেঁচে থাকলে কাল বলবো।
আর দাড়াইনি। দৌরে চলে এসেছিলাম দুরে।
*
ঘরে আলোর উৎস খুজে পেয়েছে মেয়েটা। ঘড়িটার ফসফরাসের আলো একটু বেশি ই উজ্জ্বল। প্রায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সবকিছু। সাবধানে ঘড়িটার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মেয়েটা। হঠাৎ এলার্ম বাঁজা সুরু করলো অথচ ও ভালভাবে খেয়াল করেছে ঘড়িতে এলার্ম দেওয়া নেই! ঘামতে শুরু করলো ও! ওর পা যেন পাথর হয়ে গেছে! চিৎকার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। হঠাৎ ঘড়িটা দুলতে শুরু করলো। ধুপ করে একটা শব্দে মেঝেতে লুটিয়ে পরলো মেয়েটা।
*
আমি খাটের নিচ থেকে বের হলাম রিমোট হাতে। ঘড়িটা নিয়ে নিঃশব্দে বের হয়ে গেলাম বাড়িটা থেকে।
*
পরের দিন খবর এলো রাতে হার্ট এটাকে মারা গেছে মেয়েটা। মেয়েটার এক্স-বয়ফ্রেন্ড আমার বেস্টফ্রেন্ড যার কবরের সামনে আমি বসে আছি। পুরো ৭ দিন লেগেছিলো আমার ঘড়িটা তৈরী করতে। ঘড়ির কাজ শেষ। আত্মহত্যা করে মারা যাওয়া বন্ধুটার কবরেই সমাধি দিলাম ঘড়িটার। ????
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now