বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
--------------------------
“ছাত্রীর আত্মহত্যা, ধারণা করা হচ্ছে প্রেমঘটিত ব্যাপার মৃত্যুর কারণ হতে পারে।”
সরু গলি, চৈত্রের দুপুরেও সূর্যরশ্মি এখানে এসে তার পথ হারিয়ে ফেলে। এই এলাকাটাকে মৃত্যুপুরী না বলা গেলেও যমপুরী বলাই যায়, তপ্তদুপুরেও এই পথে হেঁটে যেতে গা চমচম করে। এলাকাটা সাধারণের জন্য ভয়ের কারণ হলেও দুই শ্রেণির মানুষের জন্য এটাকে চাইলে অভয়ারণ্য ঘোষণা করাই যায়।
আলোআঁধারি ঘেরা পথে অনেকক্ষন ধরে নীলা রংয়ের হ্যাট পরিহিত তেইশ-চব্বিশ বছরের এক যুবক হেঁটেই চলেছে, অনেকটা অজানা গন্তব্যের খোঁজে। অন্ধকার ও হ্যাটের সংমিশ্রনের কারণে যুবকের মুখাবয়ব অস্পষ্ট।
“এই ব্যাটা এখানে কি তোর?”
আচমকা পেছন থেকে কর্কশ কণ্ঠের আওয়াজ শুনে শব্দ উৎসের উদ্দেশ্যে নব্বই ডিগ্রী ফিরে তাকাল অন্তু। পাঁচ ছয় জন ছেলে তাঁর ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে আছে উদ্যত ভঙ্গিতে। অন্যসময় হলে হয়ত অন্তু ভুলেও ভয় পেত না, কিন্তু পরিবেশ-পরিস্থিত
ি এবং অন্তুর এখানে আসার উদ্দেশ্য দু’টি মিলিয়ে অন্তু যথেষ্ট ভয় পেয়ে গেছে।
“কিছু না ভাইয়া।” ভয়ে ভয়ে উত্তর দিল অন্তু।
“কিছু না মানে, তাহলে এখানে দাড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাতাকি করছিস কেন।” অনেকটা ধমকের সূরে বলল কর্কশ কণ্ঠটি।
“এ এ এমনি ভাইয়া।” শুকনো কণ্ঠে বলল অন্তু।
“এমনি এমনি মানে? আর ভাইয়া ভাইয়া করছিস কেন, আমরা কি তোর দুলা ভাই লাগি নাকি? স্যার বল।” কালো নিগ্রো চেহারার একজন ধমক দিয়ে বলল।
অন্তু কি বলবে কিছুই বুঝতে পারছে না, শিরা উপশিরায় রক্ত চলাচল মনে হচ্ছে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সে যেকাজে এসেছে সেটা এদেরকে বলা ঠিক হবে কিনা ভেবে পাচ্ছে না। তবে না বললেও যে এদের হাত থেকে রেহাই নেই সেটা ভালো করেই বুঝতে পারছে। এদেরকে বললে কাজটা যেমন সহজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, ঠিক তেমনি বিপদের আশঙ্খাও আছে প্রচুর।
“এই রোমিও কথার উত্তর না দিয়া চুপ মাইরা আছচ কেন। যা জিজ্ঞাসা করছি সেটা বলবি নাকি থাপড়ায় দাঁত ফেলে দিবো?” বামন সাইজের একজন বলল অনেকটা মারমুখি স্বরে।
“স্যার আমি আসলে...”
“ঐ ব্যাটা তোর আসলে নকলে বাদ দে, কি করছিস এখানে, কেন আসছিস সেটা ক। আর হ্যাট খোল।” কর্কশ কণ্ঠটি অন্তুর কথার মাঝখানেই বলে উঠল।
“স্যার আমি একটা কাজে...”
“হালার আসার কারণ বুঝতে পারছি, হালায় মনে হয় দোতালার আফাগো কাছে আইছে।” বডিবিল্ডারের মতো একজন খিলখিলে হাসতে হাসতে বলল।
“না না স্যার, আমি ত্যাড়া মাসুদের কাছে আসছি একটা...”
“কি কয়লি হালারপো হালা।” আবারো বামন সাইজের লোকটি অন্তুর কথার মাঝখানে বলে উঠল।
“জ্বি আমি ত্যাড়া মাসুদ......।”
“আবার কি কয়লি তুই, একদম এখানে পালায়া দিমু।” বামন লোকটি অনেকটা মারার ভঙ্গিতে।
এতক্ষণ পর অন্তু তাঁর ভুলটা বুঝতে পারল। এরা যে ত্যাড়া মাসুদের লোক সেটা বুঝতেও অন্তুর আর কষ্ট হলনা।
“আমি মাসুদ স্যারের কাছে একটা কাজে এসেছি।” মিনমিন করে বলল অন্তু।
“তোর বাপের ভাই তোর চাচা, তাই বলে কি তোর বাপও তোর চাচা হয়বো নাকি? ক মাসুদ বসের কাছে আসছচ”? জ্ঞান দেওয়ার ভঙ্গিতে বলল বডিবিল্ডার।
“স্যার আমি মাসুদ বসের কাছে এসেছি।” ভিতরে ভিতরে রেগে গেলেও বুঝতে দিলনা অন্তু।
“কি কাম?” জানতে চাইল কালো নিগ্রো লোকটি।
“স্যার সেটা যে শুধু উনার সামনে বলা যাবে।” ভয়ে ভয়ে বলল অন্তু।
“হুম বল, কি কামে আসছিস।” প্রশ্ন না, অনেকটা ধমক দিয়ে বলল ত্যাড়া মাসুদ।
“বস আমি আপনাকে একা বলতে চাই।” নতজানু হয়ে অনুরোধের মত করে বলল অন্তু।
“যা কবি সবার সামনে ক, আর না কইতে পারলে ফুট।” শান্ত কিন্তু দৃঢ়ভাবে বলল মাসুদ।
“হালায় মনে হয় প্রেমে চ্যাকা খাইছে, এহন মাইয়ারে আইনা দিতে হইব।” কর্কশ কন্ঠের লোকটি বলল।
“এই হালা গভীর জলের মাছ, এসব কাজের জন্য আইবোনা। কেন আইছচ ক তো।” বামন লোকটি বিজ্ঞ ভাব নিয়ে বলল।
অন্তুকে নিরব দেখে ট্যারা মাসুদই জানতে চাইল, “ মার্ডার, হাফ মার্ডার, নাকি কিডন্যাপ?”
“না বস এগুলা কিছুই না।” ভয়ে ভয়ে বলল অন্তু।
“তাইলে কি এহানে চুনকাম করতে আইছচ নাকি?” কর্কশ কণ্ঠটি ধমক দিয়ে বলল।
“আমার একটা পিস্তল লাগবে একদিনের জন্য।” এবার অনেকটা শান্তভাবে জবাব দিল অন্তু।
অন্তু সকালে গলি দিয়ে হেঁটে চলছে। তাঁর গন্তব্য ত্যাড়া মাসুদের আড্ডাখানা। ধীর পায়ে হেঁটে চলছে অন্তু। সকালে আড্ডাখানায় যাওয়ার ফলে এখন তাঁর চিনতে অসুবিধা হচ্ছেনা।
“কিরে ব্যাটা, এত তাড়াতাড়ি কাজ খতম করে ফেলেছিস, নাকি পক্ষীকুল মাইরা আইলি?” অন্তুকে দেখে বলল ত্যাড়া মাসুদ।
“জ্বি শেষ।” আস্তে করে বলল অন্তু।
“বাহ, তোর কাজের হাত তো ভাল। আমাগো দলে চলে আয়।”
“না স্যার, আপনার পিস্তল নেন।” পিস্তলটা বাড়িয়ে দিল অন্তু।
“কিরে ছয়টা গুলির মাঝে এখনও তো একটা বাকি, একটার জন্য পাঁচটা খরচ করছস নাকি.........”
“পাঁচটার জন্য।” মাসুদকে কথা শেষ করতে না দিয়ে বলল অন্তু।
“সাবাস ব্যাটা, তোর কাজের হাত দেখে চিন্তা করছি ঐ চার ব্যাটারে বিদায় করে দিবো।” অন্তুর পিট থাপড়িয়ে বলল মাসুদ।
“আমি যাই বস।” রহস্যের হাসি মুখে টেনে হাঁটার উদ্দেশ্যে পা বাড়াল অন্তু।
“দাড়া, তোর এই বুলেটটাও শেষ করে যা ব্ল্যাঙ্ক ফায়ার করে।” হেসে হেসে বলল মাসুদ।
“এখানে ফায়ার করলেতো শব্দ হবে।” বলল অন্তু।
“আমি সাইলেন্সার লাগিয়ে দিছি।” পিস্তল অন্তুর দিকে বাড়িয়ে বলল ত্যাড়া মাসুদ।
“অন্তু এই অন্তু উঠ তাড়াতাড়ি।”
“কি হয়েছে আম্মু? এত ডাকাডাকি করছো কেন?” ঘুম ঘুম চোখে বলল অন্তু।
“আরে সর্বনাশ হয়ে গেছে।” অন্তুর আম্মু অনেকটা চিৎকার করে বলল।
“কি হয়েছে বলতো।” রেগে গিয়ে বলল অন্তু।
“কে যেন তোদের হেমন্ত স্যারকে গুলি করে মেরে ফেলেছে।”
“তাই নাকি, কখন?” আশ্চার্য হয়ে বলল অন্তু।
“হুম, পত্রিকাতে লিখছে গতকাল দুপুরের দিকে।” বলল আমেনা বেগম।
“ও, আচ্ছা ঠিক আছে আমি রেডি হয়ে আসছি।” অন্যমনস্ক হয়ে বলল অন্তু।
“হুম আরেকটা কথা, আজ থেকে না বলে কোথাও যাবিনা।” আদেশের স্বরে আমেনা বেগম।
“এর সাথে আমার কোথাও যাওয়া না যাওয়ার সম্পর্ক কি?” বিরক্ত হয়ে বলল অন্তু।
“আছে, গতকালকে তুই যেখানে টিউশনের জন্য কথা বলতে গিয়েছিলি সেখানের আশে পাশে পাঁচজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে।” ভয়মাখা কণ্ঠে বলল আমেনা বেগম।
“ও, তাতে কি হয়েছে? তুমি যাওতো এখন আম্মু।” ড্যাম কেয়ার ভাব নিয়ে বলল অন্তু।
আজকের সকালটা অনেক ফুরফুরে লাগছে অন্তুর কাছে। এতদিন যে বড় পাথরটার কারণে তার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল সেটা নেমে গেছে তার মনের আকাশ থেকে। এখন সে দায় মুক্ত। মাছ জাল থেকে মুক্তি পেয়ে আবার পানিতে ছুটোছুটি করতে পারলে মাছের যে অনুভুতি হয় অন্তুর অনুভুতিও এখন তেমন।
বারান্দায় বসে আছে অন্তু। এক হাতে আজকের দিনের পত্রিকা, আর অন্য হাতে একটা ডায়েরি। প্রথমে পত্রিকার পাতায় চোখ বোলাল অন্তু...
“ঢাকার নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রফেসরের নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার, ধারণা করা হচ্ছে সম্পত্তির জের ধরে কেউ এটা ঘটাতে পারে।”
তার ঠিক নীচেই আরেকটা সংবাদ,
“পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ত্যাড়া মাসুদ ও তার চার সহযোগী খুন। পুলিশের ধারণা প্রতিপক্ষ কোন গ্রুপের। পুলিশ খুনিদেরকে ধরার জন্য মাঠে তৎপর রয়েছে বলে জানান পুলিশের কমিশনার।”
“কিরে অন্তু পাগলের মত হাসছিস কেন?” ছেলের এমন আচরণে চিন্তিত হয়ে জানতে চাইলেন আমেনা বেগম।
“খবরগুলো পড়ে হাসি চলে এসেছে।” হাসতে হাসতে বলল অন্তু।
“মৃত্যুর খবর পড়ে কেউ হাসে!” রেগে গিয়ে বলল আমেনা বেগম।
ডায়েরিটা চোখের সামনে মেলে ধরল অন্তু। এক একটা পাতা উল্টাচ্ছে, আর আবেগের সাথে বেদনার অদ্ভুত মিশেল ঘিরে ধরছে অন্তুকে। হাতের আঙ্গুলগুলো প্রচন্ড পরিমানে কাঁপছে। এই ডায়েরিটা মালিহাকে দেওয়া অন্তুর শেষ স্মৃতি, অদ্ভুতভাবে এই ডায়েরিটায় আবার অন্তুকে দেওয়া মালিহার শেষ স্মৃতি।
তবে অন্তুর জন্য ডায়েরিটা শুধু স্মৃতি না, দুঃসহ যন্ত্রনার কারণ। আজ শেষবারের মত যন্ত্রণা উপভোগ করছে অন্তু।
.
২৭-০২-২০১৩
ডায়েরি লেখার অভ্যাস আমার নাই। সেটা অন্তু জানেও, তারপরও আমার জন্মদিনে ও এই ডায়েরিটা গিফট করেছে। বলেছিল যে কথাগুলো কাওকে বলতে পারবোনা সেগুলো যেন এই ডায়েরিকে বলে যাই। আজ থেকে আমার না বলা/ না বলতে পারা কথাগুলো এই ডায়েরিকে বলে যাবো।
.
০৭-০১-২০১৪
হয়ত কেউ আমার এ কথাগুলো কখনো জানতে পারবেনা। আমি জানতে দিতে চাইওনা। কিন্তু নিজের ভিতরও চেপে রাখতে পারছিনা। আবার নিজের কাছের মানুষগুলোকেও বলতে পারছিনা। আম্মু আব্বুকে যদি বলি তাহলে তারা অনেক কষ্ট পাবে। আব্বু অনেক রাগি মানুষ, কি করতে কি করে বসে তার কোন ঠিক নেই। আম্মুকে বলতে পারতাম, কিন্তু আম্মুকে বললে আম্মু সেটা আব্বুকে বলে দিবে আমি জানি। এ ছাড়া আর একজন মানুষই আছে যাকে আমি আমার কথাগুলো বলতে পারি। সেও এখন আমার থেকে অনেক দূরে। দশদিন হল দেশের বাহিরে গেছে অন্তুরা, আসবে আরো তিনমাস পর। অন্তুটা অনেক পাগল, সামান্য কিছুতেই অনেক রেগে যায়। তাই তাঁর নাম দিয়েছি আমি পাগলা বাবা। তাই বাধ্য হয়ে আমার পাগলা বাবুর দেওয়া ডায়েরিকে না বলতে পারা কথাগুলো এখন থেকে বলব।
২৩-০১-২০১৪
প্রত্যেকদিন একই যন্ত্রণা ভালো লাগেনা। আল্লাহ্ তুমি আমাকে তুলে নাওনা কেন। আমি আর পারছিনা, মানুষ এত নোংরা কেন?
.
২৯-০১-২০১৪
অসহ্য, একজন শিক্ষক হয়ে কিভাবে এত নোংরা কথা বলতে পারে, এরা কিভাবে শিক্ষক হয়?
.
০৬-০২-২০১৪
আজকের পর যদি এমন টা হয় কি করব নিজেই জানিনা।
.
০৮-০২-২০১৪
শিক্ষক নামের পশুটাকে আজ একটা থাপ্পড় দিছি। ইচ্ছে করছিল খুন করে ফেলতে। এরপরও যদি এমন করে তাহলে হয় তাকে খুন করে ফেলব, না হয় আমিই...।
.
১৫-০২-২০১৪
হেমন্ত স্যার ত্যাড়া মাসুদকে দিয়ে আমাকে তুলে নিয়ে যাবে বলেছে যদি আমি তাঁর কথা না শুনি। বাসায় আসার সময় ত্যাড়া মাসুদের লোক রিকশা দাড় করিয়ে অনেক খারাপ কথা বলেছে।
.
২৭-০২-২০১৪
আজ আমার কিছু বলার নাই। অন্তু আজ আমি তোর উপযুক্ত হওয়ার যোগ্যতা হারালাম। তুই বলেছিলি আমি তোর উপযুক্ত হয়েই জন্ম নিয়েছি। আজ সেই জন্মদিনেই আমি তোর অযোগ্য হয়ে গেলাম। আমাকে মাপ করে দিস। আবার যদি জন্ম নিতে পারি শুধু তোরই হব, শুধুই তোর। আম্মু আব্বু এ মুহূর্তে তোমরা আমার জন্মদিনের পার্টি নিয়ে ব্যস্ত। একটু পরে তোমরা আরো ব্যস্ত হয়ে যাবা। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ্ হাফেজ।
ডায়েরীর পাতা থেকে চোখ তুলে আকাশের নীল সীমানায় উদ্দেশ্যহীনভাবে চোখজোড়া মেলে ধরল অন্তু, অশ্রু টলমল করতে থাকা চোখজোড়া অনবরত পলক ফেলছে, এ যেন চোখের জল লুকানোর আপ্রাণ প্রচেষ্টা। নাহ এ মুহূর্তে তাকে ভেঙ্গে পড়লে হবেনা, একটা কাজ যে এখনো বাকি, সেটা তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করতে হবে। উঠে দাড়াল অন্তু, উদ্দেশ্যহীনভাবে হেঁটে চলছে, মনে হচ্ছে কেউ যেন তাকে হিপনোটাইজ করেছে, রেলিং এর কাছে গিয়ে উঠে দাড়াল অন্তু...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now