বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিয়েবাড়ীতে আসা মেয়েটি
লেখক : রফিকুল ইসলাম জসিম
আজ রুনির বিয়ে। সকাল থেকে বিয়ে বাড়িতে মানুষ জমতে শুরু হচ্ছে । বিয়ে বাড়ীতে সাজানো গুছানো মেহমানদের সেবা যত্ন করার দায়িত্ব পড়ে আমার উপর পড়ে রুনির বড় ভাই হিসাবে। রুনি সাথে আমার সম্পকে চাচাতো বোন। আমার আপন ছোট চাচার একমাত্র মেয়ে।
রুনি ছাড়া ছোট চাচার কোনো সন্তান হয় না। তাই ছোট চাচার একমাত্র মেয়ে বিয়েতে
সম্মান রক্ষার স্বার্থে আমরা কঠোর পরিশ্রম
করে যাচ্ছি। সকাল নয় টা ঘটিকায় সময়ে দিকে এক সুন্দরী কন্যাকে দেখতে পেলাম। আমার সঙ্গে ছিলো ফুফাতো ভাই জাকির একদিকে বন্ধু ও বটে। মেয়ে কাছাকাছি গিয়ে দরজায় দাড়িয়ে থামলো -
: এই মেয়েটি দেখ জাকির?
জাকির: হ্যা দেখেছি
: মেয়েটি বেস সুন্দর তাই না
জাকির হেসে বলল :
: নীল পরী মতো দেখতে
: জাকির দেখ,
মেয়েটি সঙ্গে আজ লাইন মারবো।
অথচ.......... মিনিট খানিক পর সেখান থেকে বাইরে চলে এলাম। অনেক কিছু কাজ বাকি রয়েছে। প্রায় তখন সাড়ে দশ ঘুড়ি কাটা বাজে। সকালের নাস্তা করেনি এখনো। দিন ভালো সুবিধা ছিলো না সকাল থেকে ঘনঘন বৃষ্টি। এখন বৃষ্টি থেমে গেছে সকালে নাস্তা করার জন্য মানুষ গুলো বসে পড়লো। মেজো চাচা আমাকে বললো, মেহমান ও এলাকার মুরব্বীদদের খাওয়ার সেবা করাতে আমরা কয়েক তাদের সেবা করতে গেলাম। কিছুক্ষণ পর সেই মেয়েটি আবার চোখে খাবারে জন্য বসে আছে। মেয়ে একটু ধারে দেখি মেয়েটার পাশাপাশি বসে আছে এক ফুফাতো বোন ও ফুফাতো মেয়ে মিনি।
ঐ মেয়েটা মিনি পাশের বসা ছিলো । তখন মেয়েটি না বলে মেয়েটি সামনে মিনির পাশে গিয়ে----
: মিনি এই মেয়েটি কে?
: জানো না রেশমী
: বাড়ি কোথায়?
: শিরপুর
রেশমী কি ভাবতে পারে সেই দিকে আমার একটুকু খেয়াল ছিলো না হয়তো তখন পড়ে মনে ভাবি আমি এই কি করলাম।
রেশমীর সামনাসামনি এরকম সরাসরি তার সম্পকে প্রশ্ন করা ঠিক হয় না। যাই হোক যা হয়েছে এখন এই গুলো ভেবে লাভ নেই।
কিছুক্ষণ পর আবার দেখা
রেশমী আমার সামনে হেঁটে যায়
আমাকে দেখে তার মুখ লজ্জা হচ্ছে।
লজ্জা হাওয়ার কথা,
কোনো অপরিচিত মেয়ে কে এইরকম আচারণ করলে অবশ্যই লজ্জা পাবে।
আজ রাত রুনির গায়ে হলুদ। চারপাশে অনেক গুলো মানুষ জমে গেছে।
এত মানুষের সাথে নিজে গিয়ে রেসমী কখনো বলতে পারবো না
এমনিতে সে লজ্জা পেয়েছে
বিকাল বেলাতে মিনিকে আমার একটা অনুরোধ করেছিলে,
: আমি রেশমীকে ভালোবাসি
এই কথা রেশমীকে গিয়ে একটু বলবে।
: হু আচ্ছা বলবো।
মিনির সঙ্গে রেসমী খুব ভালো একটা সম্পক মানে একই ক্লাসে পড়ে।
তার বেস ফ্রেন্ড
আজ সারাদিন মিনি সঙ্গে রেশমীর সাথে
চলফেলা চোখে পরে।
অনেকক্ষণ জাকির আমার পাশে ছিলো না
এমন সময় জাকির এসে পড়লো।
জাকির কে বললাম,
: মেয়েটি অফার দিয়েছি
: কোন মেয়ে?
: সকালে তোমাকে দেখাচ্ছিলাম
: রেশমী কে
: হু
: কীভাবে জসিম?
: মিনির মাধ্যমে
: নিজে গিয়ে বলার সাহস নেই
: না এমনিতে আমাকে লজ্জা পেয়েছে
: আরে বোকা আমি নিজে গিয়ে বলে আসছি।
: এই কি বলেন, সত্যি বলছো তো?
: হ্যাঁ সত্যি কসম।
: তাহলে তুই তাকে বিয়ে করবি তো
: হ্যাঁ করবো
জাকির আর আমার কথাবার্তা এক সময়ে
মিনি এসে বললো,
তোমরা দুইজন কি পাগল?
এক সাথে এক মেয়েকে লাগছো?
আমি: রেসমী নিকে আর আমি লাগবো না
আজ থেকে রেসমী হবে জাকিরের।
তারপরও
আমার মনে প্রশ্ন জাগে তখন
রেশমী নামে মেয়েটি কে?--
মন তখন একটু ভেবে উত্তরটা আছে?
রেশমী বাড়ী শিরপুর
মানে রুনির মামার বাড়ির গ্রামের লোক
রুনির খালা বা যেকোনো হতে পারে।
এই কথা শুনে জাকির হেসে বললো :
: জানো না রেশমী কে?
রেশমী আমাদের খালার নাতি
রুপা ও সাগর বাড়ীতে মাঝে মাঝে আছে
তাহলে সেই মেয়েটি এই রেশমী।
এইতো একদম ছোট ছিলো।
আজ এত বড় হয়েছে তাকে চেনা যায় না।
সমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now