বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নিজের অট্টালিকায়, তাহার শয়ন-কক্ষে,
বড়দিদির কোলে মাথা রাখিয়া সুরেন্দ্রনাথ মৃত্যু-
শয্যায় শুইয়া আছে। পা-দুটী শান্তি কোলে
করিয়া অশ্রুজলে ধুইয়া দিতেছে। পাবনায় যতগুলি
ডাক্তার-কবিরাজ সমবেত চেষ্টা ও পরিশ্রমে
রক্ত বন্ধ করিতে পারিতেছে না। পাঁচ বৎসর
পূর্বেকার সেই আঘাতে এমন রক্ত বমন
করিতেছে।
মাধবীর অন্তরের কথা খুলিয়া বলিতে
পারিব না। আমি নিজেও ভাল জানি না, বোধ করি,
তাহার পাঁচ বৎসর পূর্বের কথা মনে পড়িতেছে।
বাড়ি হইতে সে তাড়াইয়া দিয়াছিল, আর ফিরাইতে
পারে নাই; পাঁচ বৎসর পরে সুরেন্দ্রনাথ কিন্তু
তাহাকে ফিরাইতে আসিয়াছে।
সন্ধ্যার পর উজ্জ্বল দীপালোকে
সুরেন্দ্রনাথ মাধবীর মুখের পানে চাহিল।
পায়ের কাছে শান্তি বসিয়া আছে, সে যেন
শুনিতে না পায়, হাত দিয়া তাই মাধবীর মুখ আপনার
মুখের কাছে টানিয়া আনিয়া বলিল, “বড়দিদি,
সেদিনের কথা মনে পড়ে, যেদিন তুমি
আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলে? আমি তাই এখন
শোধ নিয়েচি, তোমাকেও তাড়িয়ে
দিয়েছিলাম, কেমন, শোধ হ'ল ত?”
মুহুর্ত্তের মধ্যে মাধবী চৈতন্য হারাইয়া লুন্ঠিত-
মস্তক সুরেন্দ্রের স্কন্ধের পার্শ্বে
রাখিল,– যখন জ্ঞান হইল, তখন বাটীময়
ক্রন্দনের রোল উঠিয়াছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now