বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টিয়া পাখির ছানা

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X শুক্রবার, জুম্মার নামাজের আজন দিচ্ছে মসজিদে ৷ আমি গোসল করে রেডি হচ্ছি নামাযে যাওয়ার জন্য ৷ এমন সময় শুনি কিছু ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা একটি ৯-১০ বছর ছেলের পেছনে দৌড়া দৌড়ি করছে ৷ ছেলেটির হাতে কলা গাছের খোল দিয়ে তৈরী খাচার মতো কী যেন একটা নিয়ে খুব দ্রুত হাটছে ৷ আমি এক দৌড়ে তাকে দরে ফেললাম ৷ জানতে চাইলাম কি আছে ওটাতে ৷ ছেলেটি কিছুতেয় দেখাতে চাইলা ৷ অগত্যা আমি জোর করে ওকি মারি খাচাটার ভেতর ৷ আমিতো একবারে অবাক!! দেখি খুবই ছোট সবুজ শরির এবং লাল ঠোটের একটা টিয়া পাখির ছানা বসে আছে একবারে আমার চোখের দিকে ৷ আমার চোখটা পাখির চোখে পরতেই দেখলাম সে কাঁদছে ৷ আমার মনে হল সে কাঁদছে আর আমাকে বলছে আমি আমার মায়ের কাছে যেতে চাই, আমি আমার ভাইদের সাথে খেলতে চাই ,আমি খোলা আকাশে উড়তে বেড়াতে চাই, আমি খাচায় বন্ধি থাকতে চাইনা ৷ পাখিটার জন্য আমার খুব মায়া হচ্ছিল আমি ছেলে বলাম পাখিটাকে ছেড়ে দিতে কিন্তু ছেলেটি ছাড়ে দিবেনা ৷ আমি তাকে বুঝাল খাচায় থাকলে পাখিটার খুব কষ্ট হবে ৷ আমি যদি তোমাকে খাচয় ভরে রাখি তাহলে তোমার যেমন লাগবে পাখিটার ঠিক তেমনই লাগবে ৷ কে শুনে কার কথা ৷ ছেলেটি বলল আমি অনেক কষ্ট করে পাখিটা দরেছি কিছুতেয় ছেড়ে দিবনা আমি ৷ তখন আমি পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে দিয়ে বললাম আমাকে এটা বেচেদাও ৷ ছেলিটি বেচবেনা বলে বাড়ি চলে গেল ৷ কী আর করার আমি মন খারাপ করে নামাজে চলে গেলাম ৷ মামাজ পড়ে যখন মসজিদ থেকে বের হইছে তখন শুনি সেই ছেলেটা কাঁদছে ৷মসজিদ থেকে ছেলেটার বাড়ি খুব কাছে ছিল তাই ছেলেটির কান্না শুনা যাচ্ছিল ৷ আমি আর দেরিনা করে চলে গেলাম ছেলের বাড়ি ৷ গিয়ে দেখে ছেলেটি মাটিতে বসে আছে আর কাঁদছে ৷ আমি জানতে চাইলাম কী হইছে ৷ ছেলেটি বলল আমি ওঠানে খাচাটা রেখে ঘরে খেতে গিয়েছিলাম খাওয়া শেষ করে এসে দেখি আমার ছোট বোন (২-৩ বয়স হবে) খাচাটা নিয়ে খেলছে আমি দৌরে এসে দেখি পাখিটি নেয় ৷ আমি কিছু না বলে চলে এলাম ৷ আমার খুব আনন্দ লাগছিল আর ইচ্ছে করছিল ওর বোনটা মাথায় নিয়ে নাচি ৷ সেইদিনের পর পাখিটা অনেক দিন আমাদের বাড়ি আশেপাশে গাছে বসে ঢাকতে দেখেছি হয়ত তাকে ছেড়ে দেয়ার চেষ্ট করায় আমেকে ধন্যবাদ দিতেই আসে ৷ [গল্পটা আমার নিজের লেখা ৷ যানিনা কেমন লাগছে আপনাদের যদি ভাল লেগে থাকে তবে কমেন্টস্ করুন আর রেটিং দিতে ভুলবেন না ৷]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now