বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হারানো ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান পারভেজ খান (০ পয়েন্ট)

X (হারানো ভালোবাসা) ......................... ......................... এই ছেলে আমাদের বাসার সামনে কি? -- জ্বি কিছু না তো? -- তাহলে প্রতিদিন আমাদের বাসার সামনে প্রতিদিন ঘুর ঘুর করো কেন? -- না আসলে বাড়িটা, আমার কাছে খুব সুন্দর লাগে তো তাই প্রতিদিন দেখতে আসি। -- মোবাইল ইউজ করো। -- জ্বি (অাস্তে জবাব দিল) -- মোবাইল ব্যবহার করো (দমক দিয়ে বললো) -- জ্বি করি (ভয়ে পেয়ে তোতলা কন্ঠে উত্তর দিলো। -- মোবাইলটা বের করো। -- জ্বি কেন? -- বের করো (আবার দমক) -- হুম -- একদিকে দাও। . বাড়ির একটা ছবি তুলে পারভেজকে ফোনটা দিয়ে হিয়া বলল। . -- আমাদের বাসার সুন্দর করে একটা পিক তুলে দিলাম, যখন ইচ্ছে হবে তখন পিকটা দেখবে। কষ্ট করে আমাদের বাসার সামনে আসতে হবে না। -- জ্বি. -- দাড়িয়ে আসো কেন, যাও বাসায় গিয়ে পিকটা দেখতে থাকো। আর কোনদিন যেন আমাদের বাসার সামনে না দেখি। -- (চুপ হয়ে দাড়িয়ে) -- কি হলো যাও। . পারভেজ চলে আসলো, কিন্তু হিয়াকে যে পারভেজ খুব ভালোবাসে আর প্রতিদিন বাড়িকে নয় হিয়াকে দেখতে যায়। তাই আবার পরের দিন হিয়াদের বাসার সামনে গিয়ে দাড়িয়ে আছে। কখন হিয়া বারান্দায় আসবে আর হিয়াকে দেখতে পাবে। হিয়া বারান্দায় এসে নিচে তাকাতেই পারভেজকে দেখতে পায়। সাথে সাথে রুমে চলে আসে, এভাবে কয়েকটা দিন চলছে। একদিন পারভেজ হিয়ার বাসার সামনে দাড়িয়ে, হিয়াও বারান্দায় দাড়িয়ে। পারভেজ হিয়াকে দেখে আসতে আসতে পিছন যাচ্ছে বলে তখনি একটা ছেলে তাকে সাইকেল মেরে দেয় পারভেজ পড়ে যায় তা দেখে হিয়া তাড়াতাড়ি নিছে আসে। আর সাইকেলের ছেলেটাকে খুব বকে… -- দেখে সাইকেল চালাতে পারেন না। কি করছেন দেখেন। পড়ে যদি মাথা ফেটে যেত কি হতে পারতো ভাবছেন। (হিয়া) -- সরি আপু, উনিই তো।(সাইকেল) -- দেখে সাইকেল চালাবেন, যান . সাইকেল চলে গেল। . -- আর তোমাকে না বলেছি এখানে না আসতে তারপরও কেন আসো, রাস্তায় ঠিক মতো চলতে পারো না সাইকেলের নিচে পড়ছো। কিছু হয়ে গেলে কি হতো, হাতটা ছিলেও গেছে, আসো আমার সাথে। . রুমে নিয়ে গিয়ে হাতটা ড্রেসিং করে দিলো, আর বলল বাসার সামনে যেন আর না দেখে, আরিফ মাথা নেড়ে চলে আসলো। . পরের দিন থেকে পারভেজ আর হিয়াকে দেখে না এভাবে টানা সাতদিন তাদের বাসার সামনে যায় আর না দেখে ফিরে আসে। তার খাওয়া-দাওয়া,ঘুম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। মুখ শুকিয়ে কেমন ফ্যাকাসে রুপ নিয়েছে, চোখের নিছে কালো দাগ পড়েছে। আটদিনের দিন হিয়া বাসায় ঢুকার সময় পারভেজ গিয়ে বলে… . -- এতিদিন কোথায় ছিলে, তুমি জানো তোমাকে না দেখে আমি খেতে পারি না,ঘুমাতে পারি না। এই সাতটাদিন আমি পাগলের মতো হয়ে গেছিলাম। পারভেজ ঘুমিয়ে পরল,এবং.............. সেদিন ছিলো ১৩ফেব্রুয়ারি পরেরদিন ভ্যালেন্টাইন ডে। একি দিন রাতে পারভেজ চুপি চুপি গিয়ে এগুচ্ছ গোলাপ আর একটা ছোট্ট চিরকুট হিয়ার বাসার সামনে রেখে বেল বাজিয়ে চলে আসলো। আর হিয়া দরজা খুলে কাউকে দেখতে পেল না। নিজে গুচ্ছ গোলাপ আর চিরকুট পেলো। চিরকুটে লিখা ছিলো . [ ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা ♥Happy Valentin's Day♥ সত্যি খুব ভালোবাসি] (I really love you) সে রাতে আর হিয়া ঘুমায়নি, পারভেজের অাসার অপেক্ষায় সারা রাত জেগে ছিলো। কারণ আজকে সে পারভেজের চোখে ভালোবাসা দেখতে পেয়েছে। সাতদিনের পারভেজের চেহারার বেশ পরিবর্তন হয়েছে। তা পারভেজের দিকে তাকালেই বুঝা যায়। . পরের দিন সকালবেলায় পারভেজ হিয়াদের বাসার সামনে, হিয়া দেখে দৌড়ে আসলো আর পারভেজকে জড়িয়ে ধরলো আর বললো। . -- আমিও খুব ভালোবাসি। . দু’জন দু’জনকে জড়িয়ে নিলো ভালোবাসার চাদরে। ........................................ ঘুম ভেঙে গেল। পরে আর তার সাথে দেখা হয়নি। পারভেজ একদিন হিয়ার সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করছিলো কিনতু, সেই হিয়া তাকে চিনল না। দীর্ঘ দিন পর বন্ধুর মাধ্যমে কথা হলেও হিয়া তাকে বন্ধু হিসেবে অস্বীকার করল। আর সেই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে পারভেজ সুইসাইড করল। তার আগে একটি সুইসাইড নোট লেখল (I really love u.but u don't understand me......hiya.but ar jonno ami tomake dayi korsi na.please take care)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হারানো ভালোবাসার
→ #ভালোবাসার_হারানো_গিটার
→ ভালোবাসা হারানো

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now